শীতলকুচি ব্লকের ভাঐরথানা অঞ্চলের বড় ব্যাংকডাকি এলাকায় কাটমানির অভিযোগে নেওয়া টাকা উপভোক্তাদের ফেরত দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পঞ্চায়েত সদস্য মনোজ অধিকারী ও উত্তম বর্মন ১৯৪ ও ১৯৫ নম্বর বুথের উপভোক্তাদের হাতে টাকা তুলে দেন। এই সময় তাঁদের এক হাতে চোখের জল মুছতে এবং অন্য হাতে টাকা ফেরত দিতে দেখা যায়, যেখানে চোখের জলে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। জানা গেছে, মনোজ অধিকারী ১৭ জন উপভোক্তাকে মোট ৪৫ হাজার টাকা এবং উত্তম বর্মন ১২ জন উপভোক্তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায় যে, টাকা ফেরতের সময় উপভোক্তাদের কাছ থেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন ও চাপ সৃষ্টির পরেই অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন। যদিও পঞ্চায়েত সদস্যদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে টাকা ফেরত পেয়ে উপভোক্তাদের একাংশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
শীতলকুচি ব্লকের ভাঐরথানা অঞ্চলের বড় ব্যাংকডাকি এলাকায় কাটমানির অভিযোগে নেওয়া টাকা উপভোক্তাদের ফেরত দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পঞ্চায়েত সদস্য মনোজ অধিকারী ও উত্তম বর্মন ১৯৪ ও ১৯৫ নম্বর বুথের উপভোক্তাদের হাতে টাকা তুলে দেন। এই সময় তাঁদের এক হাতে চোখের জল মুছতে এবং অন্য হাতে টাকা ফেরত দিতে দেখা যায়, যেখানে চোখের জলে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। জানা গেছে, মনোজ অধিকারী ১৭ জন উপভোক্তাকে মোট ৪৫ হাজার টাকা এবং উত্তম বর্মন ১২ জন উপভোক্তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায় যে, টাকা ফেরতের সময় উপভোক্তাদের কাছ থেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন ও চাপ সৃষ্টির পরেই অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন। যদিও পঞ্চায়েত সদস্যদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে টাকা ফেরত পেয়ে উপভোক্তাদের একাংশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া কোচবিহারে পৌঁছাতেই সিতাইয়ের জনগণ ডিম নিয়ে তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন। নেতাজী বাজারে মহিলারা সমবেত হয়ে সাংসদ জগদীশ বসুনিয়াকে 'ডিম থেরাপি' দিতে প্রস্তুত ছিলেন।1
- সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া তাঁর নাতিকে কোলে নিয়ে কোচবিহারে ফিরেছেন। তবে, এই বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।1
- ভারত কেশরী ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মবলিদান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার হলদিবাড়ি যুব মোর্চার উদ্যোগে হলদিবাড়ি হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে হাসপাতালে ভর্তি রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের হাতে ফল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে যুব মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা সহ-সভাপতি জ্যোতি বিকাশ রায়, জেলা সম্পাদক বিকাশ রায়, হলদিবাড়ি মণ্ডল সভাপতি অরিন্দম পাল, বাপ্পা রায়সহ দলের অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। এই দিনে নেতৃবৃন্দ ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শ ও দেশসেবার কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর মহান আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই কর্মসূচিটি হলদিবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।1
- দিনহাটায় এক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি একটি বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, ‘কাটমানি’ না দেওয়ায় তিনি আবাসন প্রকল্পের ঘর পাননি।1
- আলিপুরদুয়ার পৌরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকালে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। কর্মীরা জানান, তাঁদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত মেটানোর দাবিতে তাঁরা একত্রিত হয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি, যার কারণে তাঁরা বাধ্য হয়েই এই অবরোধের পথ বেছে নিয়েছেন। এই অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কর্মীদের প্রধান দাবি হলো, দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ করা এবং ভবিষ্যতে যাতে নিয়মিত বেতন প্রদান করা হয়, সে বিষয়েও প্রশাসনকে উদ্যোগ নিতে হবে। জানা গেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি পূরণে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই এখন সকলের নজর রয়েছে।1
- ডোমকলে দুইজন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে।1
- মঙ্গলবার ধূপগুড়ির মাগুরমারী-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবাস যোজনা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের নামে ঘর বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে উপভোক্তাদের হাতে একটি ইটও পৌঁছায়নি। এই ঘটনার ফলে বঞ্চিতরা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েও কোনো সদুত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তৎকালীন তৃণমূল আমলে বাংলা আবাস যোজনার ঘর তাদের নামে বরাদ্দ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা কোনোদিন সেই ঘর পাননি। সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার জন্য আবেদন করতে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তারা নাকি ইতিমধ্যেই 'ঘরপ্রাপ্ত'। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে, সেই বরাদ্দকৃত ঘর তাহলে কোথায় গেল এবং কারা সেই সরকারি সুবিধা পেল। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা-নেত্রী কাটমানির বিনিময়ে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে অন্যদের নামে ঘর পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধবচন্দ্র রায়। তিনি গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বাসিন্দারা তাদের বক্তব্যে বলেন যে, সরকারি খাতায় তাদের ঘর পাওয়ার কথা দেখানো হয়েছে, অথচ বাস্তবে তারা কোনো ঘর পাননি, ফলে নতুন করে আবেদনও করতে পারছেন না। তারা অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য ঘর কে নিল তার জবাব চেয়েছেন।1
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু দিবস উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, তাঁর জন্মদিন, অর্থাৎ ৬ জুলাই, রাজ্যজুড়ে সরকারি ছুটি পালন করা হবে। এই ঘোষণার পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিতে একাধিক প্রকল্প নির্মাণের কথাও জানিয়েছেন। এর জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১২৫ ফুট উঁচু মূর্তি, একটি লাইব্রেরি, একটি মিউজিয়াম, একটি পার্ক এবং একটি স্মারক নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পুরোনো বাড়ির আমূল সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে, বিগত ৩৪ বছরের বাম সরকার এবং ১৫ বছরের 'দুর্নীতিবাজ জামাতি সরকার' বাংলাকে তার প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেয়নি। তাঁর মতে, এবার নতুনভাবে আসল ইতিহাস সামনে আনা হবে।1
- কোচবিহারের গোরস্থান মোড় থেকে বিএসএফ মোড় পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা বছরের পর বছর ধরে অত্যন্ত খারাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এই রাস্তার বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই দীর্ঘদিনের খারাপ অবস্থার কারণে প্রায়শই ছোট যানবাহন, যেমন ইলেকট্রিক টোটো এবং অটো রিকশা, এই রাস্তায় আটকে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।1