আলিপুরদুয়ার পৌরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকালে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। কর্মীরা জানান, তাঁদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত মেটানোর দাবিতে তাঁরা একত্রিত হয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি, যার কারণে তাঁরা বাধ্য হয়েই এই অবরোধের পথ বেছে নিয়েছেন। এই অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কর্মীদের প্রধান দাবি হলো, দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ করা এবং ভবিষ্যতে যাতে নিয়মিত বেতন প্রদান করা হয়, সে বিষয়েও প্রশাসনকে উদ্যোগ নিতে হবে। জানা গেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি পূরণে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই এখন সকলের নজর রয়েছে।
আলিপুরদুয়ার পৌরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকালে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। কর্মীরা জানান, তাঁদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত মেটানোর দাবিতে তাঁরা একত্রিত হয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি, যার কারণে তাঁরা বাধ্য হয়েই এই অবরোধের পথ বেছে নিয়েছেন। এই অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কর্মীদের প্রধান দাবি হলো, দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ করা এবং ভবিষ্যতে যাতে নিয়মিত বেতন প্রদান করা হয়, সে বিষয়েও প্রশাসনকে উদ্যোগ নিতে হবে। জানা গেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি পূরণে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই এখন সকলের নজর রয়েছে।
- কোচবিহার জেলার জমেরডাঙ্গা এলাকায় খোঁড়া নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু ভারী পণ্যবাহী লরির চাপে হেলে পড়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ভারী মাল বোঝাই লরি সেতুর উপর ওঠার পরপরই সেতুটিতে ফাটল দেখা দেয় এবং এটি একপাশে কাত হয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পরপরই সেতুটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন যে, অল্পের জন্য একটি বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে, যা আরও মারাত্মক হতে পারতো। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘকাল ধরে সেতুটির বেহাল দশা সম্পর্কে প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও কোনো যথাযথ সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়নি। তাদের মতে, এই অবহেলার কারণেই ভারী যানবাহনের চাপে সেতুর এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সেতুটির মেরামত এবং একই সাথে যাতায়াতের জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা করার দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা সরব হয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেতুটির নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হবে এবং এরপরেই প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।1
- মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের কেদারহাট কাঁচা খাওয়া এলাকায় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে আবাসের নামে কাটমানি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে একটি বৈঠক করেছেন, যেখান থেকে তারা অবিলম্বে নেওয়া কাটমানি ফেরত দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা আবাসের প্রাপকদের কাছ থেকে এই কাটমানি আদায় করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন, প্রদীপ বর্মন, জানান যে আবাসের টাকা পাওয়ার পর এলাকার তৃণমূল নেতারা দফায় দফায় প্রাপকদের বাড়িতে গিয়ে কারো কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা আবার কারো কাছ থেকে ৭,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন। আরও এক বিক্ষোভকারী অভিযোগ করেছেন যে, আবাসের তালিকায় তার নাম না থাকা সত্ত্বেও ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত রবিবার টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও, সেই টাকা এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, যদি দ্রুত কাটমানি ফেরত না দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।1
- সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া তাঁর নাতিকে কোলে নিয়ে কোচবিহারে ফিরেছেন। তবে, এই বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।1
- দিনহাটায় এক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি একটি বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, ‘কাটমানি’ না দেওয়ায় তিনি আবাসন প্রকল্পের ঘর পাননি।1
- আলিপুরদুয়ারের ২৭ নং জাতীয় সড়কের ঘোড়ামারা চৌপতি সংলগ্ন এলাকার একটি চিত্র প্রকাশিত হয়েছে, যা জাতীয় সড়কে টোটো চলাচল না করার অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই ছবিটি সেই পরিস্থিতিকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যা টোটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি রাখার পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।1
- মঙ্গলবার জয়গাঁ থানার পুলিশ বড় মেচিয়াবস্তি এলাকায় অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযান চালিয়েছে। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে পুলিশ প্রায় ১৫০ লিটার চোলাই মদ নষ্ট করেছে। একইসাথে, মদ তৈরির জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রীও নষ্ট করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। জয়গাঁ পুলিশ কর্তৃপক্ষের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান আগামী দিনেও কঠোরভাবে জারি থাকবে।1
- আলিপুরদুয়ার পৌরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকালে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। কর্মীরা জানান, তাঁদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত মেটানোর দাবিতে তাঁরা একত্রিত হয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি, যার কারণে তাঁরা বাধ্য হয়েই এই অবরোধের পথ বেছে নিয়েছেন। এই অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কর্মীদের প্রধান দাবি হলো, দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ করা এবং ভবিষ্যতে যাতে নিয়মিত বেতন প্রদান করা হয়, সে বিষয়েও প্রশাসনকে উদ্যোগ নিতে হবে। জানা গেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি পূরণে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই এখন সকলের নজর রয়েছে।1
- কোচবিহারের গোরস্থান মোড় থেকে বিএসএফ মোড় পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা বছরের পর বছর ধরে অত্যন্ত খারাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এই রাস্তার বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই দীর্ঘদিনের খারাপ অবস্থার কারণে প্রায়শই ছোট যানবাহন, যেমন ইলেকট্রিক টোটো এবং অটো রিকশা, এই রাস্তায় আটকে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।1