Shuru
Apke Nagar Ki App…
কোচবিহারের গোরস্থান মোড় থেকে বিএসএফ মোড় পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা বছরের পর বছর ধরে অত্যন্ত খারাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এই রাস্তার বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই দীর্ঘদিনের খারাপ অবস্থার কারণে প্রায়শই ছোট যানবাহন, যেমন ইলেকট্রিক টোটো এবং অটো রিকশা, এই রাস্তায় আটকে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
Sahajahan miah
কোচবিহারের গোরস্থান মোড় থেকে বিএসএফ মোড় পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা বছরের পর বছর ধরে অত্যন্ত খারাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এই রাস্তার বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই দীর্ঘদিনের খারাপ অবস্থার কারণে প্রায়শই ছোট যানবাহন, যেমন ইলেকট্রিক টোটো এবং অটো রিকশা, এই রাস্তায় আটকে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মঙ্গলবার ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তা ও সমর্থকরা সিতাই কার্যালয়ের সামনে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বলিদান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করেছেন। এই উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপি নেতৃবৃন্দ তাঁর দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদী আদর্শ এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁর অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন। বক্তারা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শ আজও দেশের যুবসমাজকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। এই কর্মসূচিতে কোচবিহার জেলার সম্পাদিকা বিউটি রায়, সিতাই কনভেনর দীপক কুমার রায় সহ বিজেপির সকল নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর মহান আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাঁর দেখানো আদর্শ অনুসরণ করার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়।1
- শীতলকুচি ব্লকের ভাঐরথানা অঞ্চলের বড় ব্যাংকডাকি এলাকায় কাটমানির অভিযোগে নেওয়া টাকা উপভোক্তাদের ফেরত দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পঞ্চায়েত সদস্য মনোজ অধিকারী ও উত্তম বর্মন ১৯৪ ও ১৯৫ নম্বর বুথের উপভোক্তাদের হাতে টাকা তুলে দেন। এই সময় তাঁদের এক হাতে চোখের জল মুছতে এবং অন্য হাতে টাকা ফেরত দিতে দেখা যায়, যেখানে চোখের জলে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। জানা গেছে, মনোজ অধিকারী ১৭ জন উপভোক্তাকে মোট ৪৫ হাজার টাকা এবং উত্তম বর্মন ১২ জন উপভোক্তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায় যে, টাকা ফেরতের সময় উপভোক্তাদের কাছ থেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন ও চাপ সৃষ্টির পরেই অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন। যদিও পঞ্চায়েত সদস্যদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে টাকা ফেরত পেয়ে উপভোক্তাদের একাংশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।1
- সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া প্রায় দেড় মাস পর কোচবিহারে ফিরেছেন, যা ভোট গণনার দিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর তাঁর প্রথম প্রত্যাবর্তন। অভিযোগ রয়েছে যে, সেই দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে তাকে তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়তে হয়েছিল এবং তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে জুতো ও বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয়েছিল। তৃণমূলের এই সাংসদকে এদিন নিউ কোচবিহার স্টেশনে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার বলয়ে দেখা যায়। রাজনীতির উত্তাপের মাঝেও তার কোলে নাতি এবং মুখে স্বাভাবিক হাসি ধরা পড়ে, যা এক ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। তবে, এই দেড় মাস পর তাঁর প্রত্যাবর্তন কি শুধুমাত্র একটি পারিবারিক সফর, নাকি কোচবিহারের রাজনীতিতে কোনো নতুন বার্তার ইঙ্গিত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সাংসদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন সকলের নজর।1
- সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি চ্যাংড়াবান্ধায় স্মার্ট মিটার লাগানো বন্ধ করা এবং ইতিমধ্যে বসানো স্মার্ট মিটারগুলো খুলে নেওয়ার দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এই কর্মসূচিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকদের উপর স্মার্ট মিটারের বোঝা চাপানো যাবে না। সংগঠনের পক্ষ থেকে গৃহস্থ গ্রাহকদের জন্য ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং কৃষিক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিও তোলা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যুতের বর্ধিত ফিক্সড চার্জ ও মিনিমাম চার্জ অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর, সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল চ্যাংড়াবান্ধা বিদ্যুৎ দপ্তরের স্টেশন ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। এই আন্দোলনে মেখলিগঞ্জ ব্লক সম্পাদক যোগেশচন্দ্র রায়, রতন বর্মন সহ অন্যান্যরা নেতৃত্ব দেন। সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি তাদের ন্যায্য দাবিগুলি মেনে নেওয়া না হয়, তবে আগামী দিনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে।1
- মঙ্গলবার ধূপগুড়ির মাগুরমারী-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবাস যোজনা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের নামে ঘর বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে উপভোক্তাদের হাতে একটি ইটও পৌঁছায়নি। এই ঘটনার ফলে বঞ্চিতরা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েও কোনো সদুত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তৎকালীন তৃণমূল আমলে বাংলা আবাস যোজনার ঘর তাদের নামে বরাদ্দ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা কোনোদিন সেই ঘর পাননি। সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার জন্য আবেদন করতে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তারা নাকি ইতিমধ্যেই 'ঘরপ্রাপ্ত'। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে, সেই বরাদ্দকৃত ঘর তাহলে কোথায় গেল এবং কারা সেই সরকারি সুবিধা পেল। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা-নেত্রী কাটমানির বিনিময়ে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে অন্যদের নামে ঘর পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধবচন্দ্র রায়। তিনি গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বাসিন্দারা তাদের বক্তব্যে বলেন যে, সরকারি খাতায় তাদের ঘর পাওয়ার কথা দেখানো হয়েছে, অথচ বাস্তবে তারা কোনো ঘর পাননি, ফলে নতুন করে আবেদনও করতে পারছেন না। তারা অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য ঘর কে নিল তার জবাব চেয়েছেন।1
- সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির উদ্যোগে চ্যাংরাবান্ধায় একটি বিক্ষোভ মিছিল এবং সেখানকার বিদ্যুৎ অফিসে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী আয়োজিত হয়েছে। এই কর্মসূচীর মূল দাবি ছিল স্মার্ট মিটার লাগানো বন্ধ করা এবং ইতিমধ্যে যে স্মার্ট মিটারগুলি স্থাপন করা হয়েছে, সেগুলি অবিলম্বে খুলে ফেলা। এই বিষয়ে সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির তরফে যোগেশ চন্দ্র রায় তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেছেন।1
- সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া কোচবিহারে পৌঁছাতেই সিতাইয়ের জনগণ ডিম নিয়ে তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন। নেতাজী বাজারে মহিলারা সমবেত হয়ে সাংসদ জগদীশ বসুনিয়াকে 'ডিম থেরাপি' দিতে প্রস্তুত ছিলেন।1
- মঙ্গলবার ভারতীয় জনতা পার্টির শীতলকুচি ৬ নং মণ্ডলের উদ্যোগে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলীদান দিবস শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়। সকাল থেকেই শীতলকুচি ব্লকের ২২১, ২২৫, ২৩৮, ২৪২ সহ বিভিন্ন বুথে এই দিনটি উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে বিজেপি কর্মীরা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দলীয় বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের ঐক্য ও জম্মু-কাশ্মীরের পূর্ণ সংযুক্তির দাবিতে আন্দোলনের সময় ১৯৫৩ সালের ২৩ জুন কাশ্মীরের বন্দি অবস্থায় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়। সেই দিনটিকে প্রতিবছর আত্মবলীদান দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়। এই কর্মসূচিতে শীতলকুচি ৬ নং মণ্ডলের সভাপতি পুলিন চন্দ্র বর্মন, সাধারণ সম্পাদক কমলকান্তি রায়, সহ-সভাপতি কালীশংকর রায়, যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ভবতোষ বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য খোকন দাস ও সুবোধ বর্মন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, ২৩৮ নম্বর বুথের সভাপতি বিজয় বর্মন, ২৪২ নম্বর বুথের সভাপতি নিরঞ্জন বর্মন, ২২১ নম্বর বুথের সভাপতি পরমানন্দ বর্মন, ২২৪ নম্বর বুথের সভাপতি নন্দেশ্বর বর্মন-সহ অন্যান্য কার্যকর্তারাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।1
- ভারত কেশরী ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মবলিদান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার হলদিবাড়ি যুব মোর্চার উদ্যোগে হলদিবাড়ি হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে হাসপাতালে ভর্তি রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের হাতে ফল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে যুব মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা সহ-সভাপতি জ্যোতি বিকাশ রায়, জেলা সম্পাদক বিকাশ রায়, হলদিবাড়ি মণ্ডল সভাপতি অরিন্দম পাল, বাপ্পা রায়সহ দলের অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। এই দিনে নেতৃবৃন্দ ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শ ও দেশসেবার কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর মহান আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই কর্মসূচিটি হলদিবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।1