Shuru
Apke Nagar Ki App…
সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া প্রায় দেড় মাস পর কোচবিহারে ফিরেছেন, যা ভোট গণনার দিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর তাঁর প্রথম প্রত্যাবর্তন। অভিযোগ রয়েছে যে, সেই দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে তাকে তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়তে হয়েছিল এবং তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে জুতো ও বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয়েছিল। তৃণমূলের এই সাংসদকে এদিন নিউ কোচবিহার স্টেশনে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার বলয়ে দেখা যায়। রাজনীতির উত্তাপের মাঝেও তার কোলে নাতি এবং মুখে স্বাভাবিক হাসি ধরা পড়ে, যা এক ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। তবে, এই দেড় মাস পর তাঁর প্রত্যাবর্তন কি শুধুমাত্র একটি পারিবারিক সফর, নাকি কোচবিহারের রাজনীতিতে কোনো নতুন বার্তার ইঙ্গিত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সাংসদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন সকলের নজর।
RKN UPDATE
সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া প্রায় দেড় মাস পর কোচবিহারে ফিরেছেন, যা ভোট গণনার দিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর তাঁর প্রথম প্রত্যাবর্তন। অভিযোগ রয়েছে যে, সেই দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে তাকে তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়তে হয়েছিল এবং তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে জুতো ও বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয়েছিল। তৃণমূলের এই সাংসদকে এদিন নিউ কোচবিহার স্টেশনে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার বলয়ে দেখা যায়। রাজনীতির উত্তাপের মাঝেও তার কোলে নাতি এবং মুখে স্বাভাবিক হাসি ধরা পড়ে, যা এক ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। তবে, এই দেড় মাস পর তাঁর প্রত্যাবর্তন কি শুধুমাত্র একটি পারিবারিক সফর, নাকি কোচবিহারের রাজনীতিতে কোনো নতুন বার্তার ইঙ্গিত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সাংসদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন সকলের নজর।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মঙ্গলবার ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তা ও সমর্থকরা সিতাই কার্যালয়ের সামনে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বলিদান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করেছেন। এই উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপি নেতৃবৃন্দ তাঁর দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদী আদর্শ এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁর অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন। বক্তারা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শ আজও দেশের যুবসমাজকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। এই কর্মসূচিতে কোচবিহার জেলার সম্পাদিকা বিউটি রায়, সিতাই কনভেনর দীপক কুমার রায় সহ বিজেপির সকল নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর মহান আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাঁর দেখানো আদর্শ অনুসরণ করার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়।1
- সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া প্রায় দেড় মাস পর কোচবিহারে ফিরেছেন, যা ভোট গণনার দিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর তাঁর প্রথম প্রত্যাবর্তন। অভিযোগ রয়েছে যে, সেই দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে তাকে তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়তে হয়েছিল এবং তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে জুতো ও বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয়েছিল। তৃণমূলের এই সাংসদকে এদিন নিউ কোচবিহার স্টেশনে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার বলয়ে দেখা যায়। রাজনীতির উত্তাপের মাঝেও তার কোলে নাতি এবং মুখে স্বাভাবিক হাসি ধরা পড়ে, যা এক ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। তবে, এই দেড় মাস পর তাঁর প্রত্যাবর্তন কি শুধুমাত্র একটি পারিবারিক সফর, নাকি কোচবিহারের রাজনীতিতে কোনো নতুন বার্তার ইঙ্গিত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সাংসদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন সকলের নজর।1
- শীতলকুচি ব্লকের ভাঐরথানা অঞ্চলের বড় ব্যাংকডাকি এলাকায় কাটমানির অভিযোগে নেওয়া টাকা উপভোক্তাদের ফেরত দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পঞ্চায়েত সদস্য মনোজ অধিকারী ও উত্তম বর্মন ১৯৪ ও ১৯৫ নম্বর বুথের উপভোক্তাদের হাতে টাকা তুলে দেন। এই সময় তাঁদের এক হাতে চোখের জল মুছতে এবং অন্য হাতে টাকা ফেরত দিতে দেখা যায়, যেখানে চোখের জলে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। জানা গেছে, মনোজ অধিকারী ১৭ জন উপভোক্তাকে মোট ৪৫ হাজার টাকা এবং উত্তম বর্মন ১২ জন উপভোক্তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায় যে, টাকা ফেরতের সময় উপভোক্তাদের কাছ থেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন ও চাপ সৃষ্টির পরেই অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন। যদিও পঞ্চায়েত সদস্যদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে টাকা ফেরত পেয়ে উপভোক্তাদের একাংশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।1
- কোচবিহার জেলার জমেরডাঙ্গা এলাকায় খোঁড়া নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু ভারী পণ্যবাহী লরির চাপে হেলে পড়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ভারী মাল বোঝাই লরি সেতুর উপর ওঠার পরপরই সেতুটিতে ফাটল দেখা দেয় এবং এটি একপাশে কাত হয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পরপরই সেতুটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন যে, অল্পের জন্য একটি বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে, যা আরও মারাত্মক হতে পারতো। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘকাল ধরে সেতুটির বেহাল দশা সম্পর্কে প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও কোনো যথাযথ সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়নি। তাদের মতে, এই অবহেলার কারণেই ভারী যানবাহনের চাপে সেতুর এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সেতুটির মেরামত এবং একই সাথে যাতায়াতের জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা করার দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা সরব হয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেতুটির নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হবে এবং এরপরেই প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।1
- মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের কেদারহাট কাঁচা খাওয়া এলাকায় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে আবাসের নামে কাটমানি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে একটি বৈঠক করেছেন, যেখান থেকে তারা অবিলম্বে নেওয়া কাটমানি ফেরত দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা আবাসের প্রাপকদের কাছ থেকে এই কাটমানি আদায় করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন, প্রদীপ বর্মন, জানান যে আবাসের টাকা পাওয়ার পর এলাকার তৃণমূল নেতারা দফায় দফায় প্রাপকদের বাড়িতে গিয়ে কারো কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা আবার কারো কাছ থেকে ৭,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন। আরও এক বিক্ষোভকারী অভিযোগ করেছেন যে, আবাসের তালিকায় তার নাম না থাকা সত্ত্বেও ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত রবিবার টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও, সেই টাকা এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, যদি দ্রুত কাটমানি ফেরত না দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।1
- সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া তাঁর নাতিকে কোলে নিয়ে কোচবিহারে ফিরেছেন। তবে, এই বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।1
- সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া কোচবিহারে পৌঁছাতেই সিতাইয়ের জনগণ ডিম নিয়ে তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন। নেতাজী বাজারে মহিলারা সমবেত হয়ে সাংসদ জগদীশ বসুনিয়াকে 'ডিম থেরাপি' দিতে প্রস্তুত ছিলেন।1
- কোচবিহারের গোরস্থান মোড় থেকে বিএসএফ মোড় পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা বছরের পর বছর ধরে অত্যন্ত খারাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এই রাস্তার বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই দীর্ঘদিনের খারাপ অবস্থার কারণে প্রায়শই ছোট যানবাহন, যেমন ইলেকট্রিক টোটো এবং অটো রিকশা, এই রাস্তায় আটকে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।1