Shuru
Apke Nagar Ki App…
শওকত মোল্লা নিজেই বললেন তৃণমূল পার্টিটা আর থাকবে না সিপিএমের মতো উড়ে যাবে।
PBN বাংলা
শওকত মোল্লা নিজেই বললেন তৃণমূল পার্টিটা আর থাকবে না সিপিএমের মতো উড়ে যাবে।
More news from Medinipur West and nearby areas
- জানিয়ে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের জন্য সামান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল আশা আর বিশ্বাস।তিনি বলেন, বিজেপির জয় মানেই বাঙালি যুবকদের জন্য নতুন ভবিষ্যৎ, নতুন কাজের সুযোগ।এই আবেগ, এই বিশ্বাসই বদলের বার্তা দিচ্ছে। এবার1
- একটি হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তে, এক গর্বিত বাঙালি নারী বিজেপি প্রার্থী সন্তু পানকে আশীর্বাদ জানিয়ে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের জন্য সামান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল আশা আর বিশ্বাস।তিনি বলেন, বিজেপির জয় মানেই বাঙালি যুবকদের জন্য নতুন ভবিষ্যৎ, নতুন কাজের সুযোগ।এই আবেগ, এই বিশ্বাসই বদলের বার্তা দিচ্ছে। এবার1
- শওকত মোল্লা নিজেই বললেন তৃণমূল পার্টিটা আর থাকবে না সিপিএমের মতো উড়ে যাবে।1
- নির্বাচনী অবহয়ের মধ্যে আদর্শ নির্বাচনবিধির লাঘু হওয়া সত্ত্বেও অন্নপূর্ণা যোজনার ফরম ফিলাপ করার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- আগামী ১৯শে এপ্রিল বেলদা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সভাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর প্রস্তুতি। তারই অংশ হিসেবে সভার আগে স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে করা হলো হেলিকপ্টারের ট্রায়াল ল্যান্ডিং। নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা, অবতরণের উপযুক্ততা যাচাই এবং সমস্ত প্রোটোকল সঠিকভাবে মেনে চলার জন্যই এই মহড়া চালানো হয়। প্রশাসনের আধিকারিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।1
- সোনার আলু যখন কৃষকের গলার ফাঁস যাদের হাড়ভাঙা খাটুনিতে আমাদের পেটে অন্ন জোটে, আজ সেই অন্নদাতাদের চোখে শ্রাবণের ধারা। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনাসোনার আলু যখন কৃষকের গলার ফাঁস যাদের হাড়ভাঙা খাটুনিতে আমাদের পেটে অন্ন জোটে, আজ সেই অন্নদাতাদের চোখে শ্রাবণের ধারা। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা— এক সময় যে নামটা ছিল আলুর গর্ব, আজ সেই নামটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে এক বুক হাহাকার। মাঠের দিকে তাকালে বুক ফেটে যায়; যতদূর চোখ যায় শুধু স্তূপাকার আলু, আর তার পাশে বসে থাকা দিশেহারা কিছু মুখ। এ যেন এক অদ্ভুত অভিশাপ! ফলন ভালো হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেই ফলনই আজ কৃষকের গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিঘা প্রতি কয়েক হাজার টাকা খরচ করে আলু ফলিয়েছিলেন চন্দ্রকোনার চাষিরা। স্বপ্ন ছিল ঘরের অভাব দূর হবে, মেয়ের বিয়ে হবে কিংবা পুরনো দেনাটা চুকে যাবে। কিন্তু আজ? বাজারের যা পরিস্থিতি, তাতে আলু বিক্রি তো দূরের কথা, মাঠ থেকে বস্তা বাড়ি বয়ে নিয়ে যাওয়ার ভাড়াও পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। হিমঘরের সামনে লম্বা লাইন, কিন্তু ঠাঁই নেই। রোদে পুড়ে, গরমে পচে নষ্ট হচ্ছে বিঘার পর বিঘা আলু। মহাজনের চড়া সুদের টাকা কীভাবে শোধ হবে? কাল উনুনে হাঁড়ি চড়বে তো? এই প্রশ্নগুলো এখন চন্দ্রকোনার প্রতিটা গ্রামকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। কৃষকের চোখের জলে আজ মাটি ভিজছে ঠিকই, কিন্তু সেই জল দেখার মতো সময় কি প্রশাসনের আছে? রক্ত জল করা ঘামের কোনো দাম নেই এই বাজারে। মাঠ ভরা ফসল আজ কৃষকের কাছে অভিশাপ। চন্দ্রকোনার এই প্রান্তিক মানুষগুলো আজ ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে। তারা কি আদৌ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? নাকি এভাবেই নিরবে পচে যাবে তাদের সব স্বপ্ন? আমরা শুধু খবর দেখাই না, আমরা মানুষের যন্ত্রণার কথা বলি। আপনাদের এলাকায় চাষিদের অবস্থা কেমন? অবশ্যই কমেন্টে জানান। চন্দ্রকোণা শ্রীনগর থেকে ক্যামেরায় (আশাবুদ্দিন)-এর সাথে আমি (প্রিয়া), PBN BANGLA NEWS।1