logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

জীবনের দাম হাজার টাকা লোকালয়ে বাঘ চলে এলে টাইগার স্কুটি টিমের সদস্যরা সেই বাঘকে তার জঙ্গলে ফেরায় মাত্র হাজার টাকার বিনিময়ে হাজার টাকায় জীবন বাজি! বাঘ তাড়ান, মানুষ বাঁচান—তবু নেই চাকরি, নেই সুরক্ষা রফিকুল ঢালী কুলতলী সুন্দরবনের টাইগার রেসকিউ টিমের দাবি—স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা। জীবন বাজি রেখে কাজ করেও দুর্ঘটনার পর মিলছে না পর্যাপ্ত সহায়তা, অভিযোগ সদস্যদের। সুন্দরবনে বাঘ লোকালয়ে ঢুকলেই বনদপ্তরের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠেন কালো পোশাক পরা টাইগার রেসকিউ টিম (QRT)-এর সদস্যরা। বাঘকে লোকেট করা, জঙ্গলে নেমে নেট ও ফেন্সিং করা, খাঁচা পাতা, প্রয়োজনে বাঘটিকে খাঁচাবন্দি করা কিংবা নিরাপদে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলিই করেন তাঁরা। অথচ তাঁরা বনদপ্তরের স্থায়ী কর্মী নন; দিনমজুর হিসেবে দিনে এক হাজার টাকা মজুরিতে কাজ করেন। শুধু সুন্দরবন নয়, প্রয়োজনে জেলার বাইরেও উদ্ধার অভিযানে যান এই সদস্যরা। গত বছর ওড়িশা থেকে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকায় চলে আসা একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে উদ্ধার করতেও ডাকা হয়েছিল সুন্দরবনের এই দলকে। সেখানেও একই পারিশ্রমিকে জীবন বাজি রেখে অভিযান চালান তাঁরা। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের অভিযোগ, আগে দিনে ৫০০ টাকা মিললেও বর্তমানে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তুলনায় সেই পারিশ্রমিক অত্যন্ত সামান্য। আরও বড় অভিযোগ, অভিযানের সময় দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ গুরুতর আহত হলে তাঁদের জন্য নেই কোনও স্থায়ী ক্ষতিপূরণ, স্বাস্থ্যবিমা বা সামাজিক নিরাপত্তা। এই অভিযোগের অন্যতম উদাহরণ গণেশ শ্যামল। টাইগার রেসকিউ টিমের এই সদস্য এক গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনকেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। সেই অভিযানে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় এবং শারীরিকভাবে আগের মতো কাজ করার ক্ষমতাও হারান। গণেশ শ্যামলের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি বনদপ্তর। যাদের হয়ে বছরের পর বছর জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন, সেই বনদপ্তরের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাননি বলেই দাবি তাঁর। বর্তমানে সংসারের হাল ধরেছেন তাঁর স্ত্রী। নদীতে মাছের ছোট পোনা (মীন) ধরে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ালেও সরকারি স্তরে প্রত্যাশিত সহযোগিতা মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের। টাইগার রেসকিউ টিমের সদস্যদের দাবি, বিগত সরকারকেও একাধিকবার স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক সুরক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের কাছেও একই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, "মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা বাঘের সামনে দাঁড়াই। কিন্তু আমাদের নিজেদের জীবন ও পরিবারের ভবিষ্যৎ আজও অনিশ্চিত। সরকার আমাদের কাজের স্বীকৃতি দিক, স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক।"

9 hrs ago
user_খবর কুলতলী
খবর কুলতলী
কুলতলী, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
9 hrs ago

জীবনের দাম হাজার টাকা লোকালয়ে বাঘ চলে এলে টাইগার স্কুটি টিমের সদস্যরা সেই বাঘকে তার জঙ্গলে ফেরায় মাত্র হাজার টাকার বিনিময়ে হাজার টাকায় জীবন বাজি! বাঘ তাড়ান, মানুষ বাঁচান—তবু নেই চাকরি, নেই সুরক্ষা রফিকুল ঢালী কুলতলী সুন্দরবনের টাইগার রেসকিউ টিমের দাবি—স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা। জীবন বাজি রেখে কাজ করেও দুর্ঘটনার পর মিলছে না পর্যাপ্ত সহায়তা, অভিযোগ সদস্যদের। সুন্দরবনে বাঘ লোকালয়ে ঢুকলেই বনদপ্তরের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠেন কালো পোশাক পরা টাইগার রেসকিউ টিম (QRT)-এর সদস্যরা। বাঘকে লোকেট করা, জঙ্গলে নেমে নেট ও ফেন্সিং করা, খাঁচা পাতা, প্রয়োজনে বাঘটিকে খাঁচাবন্দি করা কিংবা নিরাপদে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলিই করেন তাঁরা। অথচ তাঁরা বনদপ্তরের স্থায়ী কর্মী নন; দিনমজুর হিসেবে দিনে এক হাজার টাকা মজুরিতে কাজ করেন। শুধু সুন্দরবন নয়, প্রয়োজনে জেলার বাইরেও উদ্ধার অভিযানে যান এই সদস্যরা। গত বছর ওড়িশা থেকে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকায় চলে আসা একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে উদ্ধার করতেও ডাকা হয়েছিল সুন্দরবনের এই দলকে। সেখানেও একই পারিশ্রমিকে জীবন বাজি রেখে অভিযান চালান তাঁরা। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের অভিযোগ, আগে দিনে ৫০০ টাকা মিললেও বর্তমানে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তুলনায় সেই পারিশ্রমিক অত্যন্ত সামান্য। আরও বড় অভিযোগ, অভিযানের সময় দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ গুরুতর আহত হলে তাঁদের জন্য নেই কোনও স্থায়ী ক্ষতিপূরণ, স্বাস্থ্যবিমা বা সামাজিক নিরাপত্তা। এই অভিযোগের অন্যতম উদাহরণ গণেশ শ্যামল। টাইগার রেসকিউ টিমের এই সদস্য এক গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনকেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। সেই অভিযানে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় এবং শারীরিকভাবে আগের মতো কাজ করার ক্ষমতাও হারান। গণেশ শ্যামলের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি বনদপ্তর। যাদের হয়ে বছরের পর বছর জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন, সেই বনদপ্তরের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাননি বলেই দাবি তাঁর। বর্তমানে সংসারের হাল ধরেছেন তাঁর স্ত্রী। নদীতে মাছের ছোট পোনা (মীন) ধরে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ালেও সরকারি স্তরে প্রত্যাশিত সহযোগিতা মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের। টাইগার রেসকিউ টিমের সদস্যদের দাবি, বিগত সরকারকেও একাধিকবার স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক সুরক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের কাছেও একই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, "মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা বাঘের সামনে দাঁড়াই। কিন্তু আমাদের নিজেদের জীবন ও পরিবারের ভবিষ্যৎ আজও অনিশ্চিত। সরকার আমাদের কাজের স্বীকৃতি দিক, স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক।"

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • হাজার টাকায় জীবন বাজি বাঘ তাড়ান মানুষ বাঁচান তবু নেই চাকরি নেই সুরক্ষা বরুণ দুর্দশায় কুলতলির টাইগার রেসকিউ টিম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চাকরির আর্জি হাজার টাকায় জীবন বাজি! বাঘ তাড়ান, মানুষ বাঁচান—তবু নেই চাকরি, নেই সুরক্ষা সুন্দরবনের কুইক রেসপন্স টিমের দাবি—স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা। জীবন বাজি রেখে কাজ করেও দুর্ঘটনার পর মিলছে না পর্যাপ্ত সহায়তা, অভিযোগ সদস্যদের।সুন্দরবনে বাঘ লোকালয়ে ঢুকলেই বনদপ্তরের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠেন কালো পোশাক পরা কুইক রেসপন্স টিম (QRT)-এর সদস্যরা। বাঘকে লোকেট করা, জঙ্গলে নেমে নেট ও ফেন্সিং করা, খাঁচা পাতা, প্রয়োজনে বাঘটিকে খাঁচাবন্দি করা কিংবা নিরাপদে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলিই করেন তাঁরা। অথচ তাঁরা বনদপ্তরের স্থায়ী কর্মী নন; দিনমজুর হিসেবে দিনে এক হাজার টাকা মজুরিতে কাজ করেন। শুধু সুন্দরবন নয়, প্রয়োজনে জেলার বাইরেও উদ্ধার অভিযানে যান এই সদস্যরা। গত বছর ওড়িশা থেকে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকায় চলে আসা একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে উদ্ধার করতেও ডাকা হয়েছিল সুন্দরবনের এই দলকে। সেখানেও একই পারিশ্রমিকে জীবন বাজি রেখে অভিযান চালান তাঁরা। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের অভিযোগ, আগে দিনে ৫০০ টাকা মিললেও বর্তমানে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তুলনায় সেই পারিশ্রমিক অত্যন্ত সামান্য। আরও বড় অভিযোগ, অভিযানের সময় দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ গুরুতর আহত হলে তাঁদের জন্য নেই কোনও স্থায়ী ক্ষতিপূরণ, স্বাস্থ্যবিমা বা সামাজিক নিরাপত্তা। এই অভিযোগের অন্যতম উদাহরণ গণেশ শ্যামল। কুইক রেসপন্স টিমের এই সদস্য এক গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনকেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। সেই অভিযানে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় এবং শারীরিকভাবে আগের মতো কাজ করার ক্ষমতাও হারান। গণেশ শ্যামলের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি বনদপ্তর। যাদের হয়ে বছরের পর বছর জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন, সেই বনদপ্তরের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাননি বলেই দাবি তাঁর। বর্তমানে সংসারের হাল ধরেছেন তাঁর স্ত্রী। নদীতে মাছের ছোট পোনা (মীন) ধরে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ালেও সরকারি স্তরে প্রত্যাশিত সহযোগিতা মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের দাবি, বিগত সরকারকেও একাধিকবার স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক সুরক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের কাছেও একই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, "মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা বাঘের সামনে দাঁড়াই। কিন্তু আমাদের নিজেদের জীবন ও পরিবারের ভবিষ্যৎ আজও অনিশ্চিত। সরকার আমাদের কাজের স্বীকৃতি দিক, স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক।
    1
    হাজার টাকায় জীবন বাজি বাঘ তাড়ান মানুষ বাঁচান তবু নেই চাকরি নেই সুরক্ষা বরুণ দুর্দশায় কুলতলির টাইগার রেসকিউ টিম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চাকরির আর্জি 
হাজার টাকায় জীবন বাজি! বাঘ তাড়ান, মানুষ বাঁচান—তবু নেই চাকরি, নেই সুরক্ষা
সুন্দরবনের কুইক রেসপন্স টিমের দাবি—স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা। জীবন বাজি রেখে কাজ করেও দুর্ঘটনার পর মিলছে না পর্যাপ্ত সহায়তা, অভিযোগ সদস্যদের।সুন্দরবনে বাঘ লোকালয়ে ঢুকলেই বনদপ্তরের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠেন কালো পোশাক পরা কুইক রেসপন্স টিম (QRT)-এর সদস্যরা। বাঘকে লোকেট করা, জঙ্গলে নেমে নেট ও ফেন্সিং করা, খাঁচা পাতা, প্রয়োজনে বাঘটিকে খাঁচাবন্দি করা কিংবা নিরাপদে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলিই করেন তাঁরা। অথচ তাঁরা বনদপ্তরের স্থায়ী কর্মী নন; দিনমজুর হিসেবে দিনে এক হাজার টাকা মজুরিতে কাজ করেন।
শুধু সুন্দরবন নয়, প্রয়োজনে জেলার বাইরেও উদ্ধার অভিযানে যান এই সদস্যরা। গত বছর ওড়িশা থেকে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকায় চলে আসা একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে উদ্ধার করতেও ডাকা হয়েছিল সুন্দরবনের এই দলকে। সেখানেও একই পারিশ্রমিকে জীবন বাজি রেখে অভিযান চালান তাঁরা।
কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের অভিযোগ, আগে দিনে ৫০০ টাকা মিললেও বর্তমানে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তুলনায় সেই পারিশ্রমিক অত্যন্ত সামান্য। আরও বড় অভিযোগ, অভিযানের সময় দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ গুরুতর আহত হলে তাঁদের জন্য নেই কোনও স্থায়ী ক্ষতিপূরণ, স্বাস্থ্যবিমা বা সামাজিক নিরাপত্তা।
এই অভিযোগের অন্যতম উদাহরণ গণেশ শ্যামল। কুইক রেসপন্স টিমের এই সদস্য এক গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনকেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। সেই অভিযানে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় এবং শারীরিকভাবে আগের মতো কাজ করার ক্ষমতাও হারান।
গণেশ শ্যামলের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি বনদপ্তর। যাদের হয়ে বছরের পর বছর জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন, সেই বনদপ্তরের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাননি বলেই দাবি তাঁর। বর্তমানে সংসারের হাল ধরেছেন তাঁর স্ত্রী। নদীতে মাছের ছোট পোনা (মীন) ধরে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ালেও সরকারি স্তরে প্রত্যাশিত সহযোগিতা মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের।
কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের দাবি, বিগত সরকারকেও একাধিকবার স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক সুরক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের কাছেও একই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তাঁদের বক্তব্য, "মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা বাঘের সামনে দাঁড়াই। কিন্তু আমাদের নিজেদের জীবন ও পরিবারের ভবিষ্যৎ আজও অনিশ্চিত। সরকার আমাদের কাজের স্বীকৃতি দিক, স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক।
    user_খবর জয়নগর কুলতলি
    খবর জয়নগর কুলতলি
    Photographer কুলতলী, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 hrs ago
  • রাস্থার উপর ইট, বালি ইত্যাদি রাখলে দিতে হবে মোটাঅঙ্কের ফাইন বললেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল
    1
    রাস্থার উপর ইট, বালি ইত্যাদি রাখলে দিতে হবে মোটাঅঙ্কের ফাইন বললেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল
    user_মানব বার্তার নিউজ
    মানব বার্তার নিউজ
    Journalist Jaynagar - I, 24 Paraganas South•
    12 hrs ago
  • ঘুটিয়ারী শরীফ ১৭ই শ্রাবন উরোস চলছে ফুল ভাসানো মানত এগুলো নিয়ে আপনাদের মতামত?কমেন্টে জানাবেন। ঘুটিয়ারী শরীফ ১৭ই শ্রাবন উরোস চলছে ফুল ভাসানো মানত এগুলো নিয়ে আপনাদের মতামত?কমেন্টে জানাবেন🙏
    1
    ঘুটিয়ারী শরীফ 
১৭ই শ্রাবন উরোস 
চলছে ফুল ভাসানো মানত
এগুলো নিয়ে আপনাদের মতামত?কমেন্টে জানাবেন।
ঘুটিয়ারী শরীফ 
১৭ই শ্রাবন উরোস 
চলছে ফুল ভাসানো মানত
এগুলো নিয়ে আপনাদের মতামত?কমেন্টে জানাবেন🙏
    user_সবার খবর
    সবার খবর
    Local News Reporter ডায়মন্ড হারবার 1, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • কলকাতার মেটিয়াবুরুজ থেকে হেঁটে পুন্যার্থীরা বারুইপুর হয়ে ঘুটিয়া শরিফ মাজারে যাচ্ছেন মনস্কামনায় আজ সোমবার ১৭ই শ্রাবণ পীর বাবার জন্মদিন উপলক্ষে ঘুটিয়া শরীফ মাজারে সর্ব ধর্মের মানুষ সেখানে পূর্ণ অর্জন করতে যান। কলকাতা মেটিয়াবুরুজ থেকে বেশ কিছু পূর্ণার্থী প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ পদব্রজে বারুইপুর হয়ে ঘুটিয়া শরীফের মাজারে যায়। এক পুণ্যার্থী বলেন সকাল সাতটার সময় মিডিয়াব্রুজের বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন হেঁটে হেঁটে ঘুটিয়া শরিফ মাজারে যাওয়ার জন্য।
    1
    কলকাতার মেটিয়াবুরুজ থেকে হেঁটে পুন্যার্থীরা বারুইপুর হয়ে ঘুটিয়া শরিফ মাজারে যাচ্ছেন মনস্কামনায় 
আজ সোমবার ১৭ই শ্রাবণ পীর বাবার জন্মদিন উপলক্ষে ঘুটিয়া শরীফ মাজারে সর্ব ধর্মের মানুষ সেখানে পূর্ণ অর্জন করতে যান। কলকাতা মেটিয়াবুরুজ থেকে বেশ কিছু পূর্ণার্থী  প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ পদব্রজে বারুইপুর হয়ে ঘুটিয়া শরীফের মাজারে যায়। এক পুণ্যার্থী বলেন সকাল সাতটার সময় মিডিয়াব্রুজের বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন হেঁটে হেঁটে ঘুটিয়া শরিফ মাজারে যাওয়ার জন্য।
    user_প্রদীপ কুমার সিংহ
    প্রদীপ কুমার সিংহ
    বারুইপুর, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    8 hrs ago
  • road develop
    1
    road develop
    user_md aamir salim
    md aamir salim
    কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 min ago
  • অভিষেকের ব্যানার্জির চিকিৎসা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের মন্তব্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় বলেছেন পাহাড় থেকে সমুদ্রে উন্নয়ন হয়েছে স্বাস্থ্যে ,তাহলে কেনো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বানালেন সেবাশ্রয় । আর সেখানে কি খামতি আছে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে চিকিৎসা করতে পারছেন না । সেবাশ্রয়ে দেখান অভিষেক বাবু ।
    1
    অভিষেকের ব্যানার্জির চিকিৎসা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের মন্তব্য 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় বলেছেন পাহাড় থেকে সমুদ্রে উন্নয়ন হয়েছে স্বাস্থ্যে ,তাহলে কেনো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বানালেন সেবাশ্রয় । আর সেখানে কি খামতি আছে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে চিকিৎসা করতে পারছেন না । সেবাশ্রয়ে দেখান অভিষেক বাবু ।
    user_Arghya Maity
    Arghya Maity
    Local News Reporter কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • ফের আরশোলাদের সামনে ঝুঁকতে হল মোদী সরকারকে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় ককরোচ জনতা পার্টির | দৈনিক সমাচার
    1
    ফের আরশোলাদের সামনে ঝুঁকতে হল মোদী সরকারকে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় ককরোচ জনতা পার্টির | দৈনিক সমাচার
    user_Samaulllah Mallick
    Samaulllah Mallick
    ফটোগ্রাফার সাঁকরাইল, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের ভিডিও ভাইরাল, সত্যতা যাচাইয়ের দাবি এলাকাবাসীর শিরোনাম: সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের ভিডিও ভাইরাল, সত্যতা যাচাইয়ের দাবি এলাকাবাসীর সাম্প্রতিক সময়ে একটি স্কুল-সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও জল্পনা তৈরি হলেও, এর প্রকৃত সত্যতা এখনও সরকারি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি। অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, যাচাই না করে ভিডিও বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ, এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্কুলের পরিবেশে অযথা আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের তদন্তের দিকেই সকলের নজর রয়েছে। তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। সচেতন মহলের বক্তব্য, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল কোনো ভিডিও দেখেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতেই মতামত দেওয়া এবং গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকাই সকলের দায়িত্ব।
    1
    সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের ভিডিও ভাইরাল, সত্যতা যাচাইয়ের দাবি এলাকাবাসীর
শিরোনাম:
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের ভিডিও ভাইরাল, সত্যতা যাচাইয়ের দাবি এলাকাবাসীর
সাম্প্রতিক সময়ে একটি স্কুল-সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও জল্পনা তৈরি হলেও, এর প্রকৃত সত্যতা এখনও সরকারি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, যাচাই না করে ভিডিও বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ, এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্কুলের পরিবেশে অযথা আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের তদন্তের দিকেই সকলের নজর রয়েছে। তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
সচেতন মহলের বক্তব্য, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল কোনো ভিডিও দেখেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতেই মতামত দেওয়া এবং গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকাই সকলের দায়িত্ব।
    user_Bhola Das
    Bhola Das
    Voice of people সন্দেশখালি ১, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    15 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.