Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাস্থার উপর ইট, বালি ইত্যাদি রাখলে দিতে হবে মোটাঅঙ্কের ফাইন বললেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল
মানব বার্তার নিউজ
রাস্থার উপর ইট, বালি ইত্যাদি রাখলে দিতে হবে মোটাঅঙ্কের ফাইন বললেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ঘুটিয়ারী শরীফ ১৭ই শ্রাবন উরোস চলছে ফুল ভাসানো মানত এগুলো নিয়ে আপনাদের মতামত?কমেন্টে জানাবেন। ঘুটিয়ারী শরীফ ১৭ই শ্রাবন উরোস চলছে ফুল ভাসানো মানত এগুলো নিয়ে আপনাদের মতামত?কমেন্টে জানাবেন🙏1
- জীবনের দাম হাজার টাকা লোকালয়ে বাঘ চলে এলে টাইগার স্কুটি টিমের সদস্যরা সেই বাঘকে তার জঙ্গলে ফেরায় মাত্র হাজার টাকার বিনিময়ে হাজার টাকায় জীবন বাজি! বাঘ তাড়ান, মানুষ বাঁচান—তবু নেই চাকরি, নেই সুরক্ষা রফিকুল ঢালী কুলতলী সুন্দরবনের টাইগার রেসকিউ টিমের দাবি—স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা। জীবন বাজি রেখে কাজ করেও দুর্ঘটনার পর মিলছে না পর্যাপ্ত সহায়তা, অভিযোগ সদস্যদের। সুন্দরবনে বাঘ লোকালয়ে ঢুকলেই বনদপ্তরের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠেন কালো পোশাক পরা টাইগার রেসকিউ টিম (QRT)-এর সদস্যরা। বাঘকে লোকেট করা, জঙ্গলে নেমে নেট ও ফেন্সিং করা, খাঁচা পাতা, প্রয়োজনে বাঘটিকে খাঁচাবন্দি করা কিংবা নিরাপদে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলিই করেন তাঁরা। অথচ তাঁরা বনদপ্তরের স্থায়ী কর্মী নন; দিনমজুর হিসেবে দিনে এক হাজার টাকা মজুরিতে কাজ করেন। শুধু সুন্দরবন নয়, প্রয়োজনে জেলার বাইরেও উদ্ধার অভিযানে যান এই সদস্যরা। গত বছর ওড়িশা থেকে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকায় চলে আসা একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে উদ্ধার করতেও ডাকা হয়েছিল সুন্দরবনের এই দলকে। সেখানেও একই পারিশ্রমিকে জীবন বাজি রেখে অভিযান চালান তাঁরা। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের অভিযোগ, আগে দিনে ৫০০ টাকা মিললেও বর্তমানে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তুলনায় সেই পারিশ্রমিক অত্যন্ত সামান্য। আরও বড় অভিযোগ, অভিযানের সময় দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ গুরুতর আহত হলে তাঁদের জন্য নেই কোনও স্থায়ী ক্ষতিপূরণ, স্বাস্থ্যবিমা বা সামাজিক নিরাপত্তা। এই অভিযোগের অন্যতম উদাহরণ গণেশ শ্যামল। টাইগার রেসকিউ টিমের এই সদস্য এক গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনকেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। সেই অভিযানে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় এবং শারীরিকভাবে আগের মতো কাজ করার ক্ষমতাও হারান। গণেশ শ্যামলের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি বনদপ্তর। যাদের হয়ে বছরের পর বছর জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন, সেই বনদপ্তরের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাননি বলেই দাবি তাঁর। বর্তমানে সংসারের হাল ধরেছেন তাঁর স্ত্রী। নদীতে মাছের ছোট পোনা (মীন) ধরে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ালেও সরকারি স্তরে প্রত্যাশিত সহযোগিতা মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের। টাইগার রেসকিউ টিমের সদস্যদের দাবি, বিগত সরকারকেও একাধিকবার স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক সুরক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের কাছেও একই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, "মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা বাঘের সামনে দাঁড়াই। কিন্তু আমাদের নিজেদের জীবন ও পরিবারের ভবিষ্যৎ আজও অনিশ্চিত। সরকার আমাদের কাজের স্বীকৃতি দিক, স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক।"1
- হাজার টাকায় জীবন বাজি বাঘ তাড়ান মানুষ বাঁচান তবু নেই চাকরি নেই সুরক্ষা বরুণ দুর্দশায় কুলতলির টাইগার রেসকিউ টিম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চাকরির আর্জি হাজার টাকায় জীবন বাজি! বাঘ তাড়ান, মানুষ বাঁচান—তবু নেই চাকরি, নেই সুরক্ষা সুন্দরবনের কুইক রেসপন্স টিমের দাবি—স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা। জীবন বাজি রেখে কাজ করেও দুর্ঘটনার পর মিলছে না পর্যাপ্ত সহায়তা, অভিযোগ সদস্যদের।সুন্দরবনে বাঘ লোকালয়ে ঢুকলেই বনদপ্তরের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠেন কালো পোশাক পরা কুইক রেসপন্স টিম (QRT)-এর সদস্যরা। বাঘকে লোকেট করা, জঙ্গলে নেমে নেট ও ফেন্সিং করা, খাঁচা পাতা, প্রয়োজনে বাঘটিকে খাঁচাবন্দি করা কিংবা নিরাপদে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলিই করেন তাঁরা। অথচ তাঁরা বনদপ্তরের স্থায়ী কর্মী নন; দিনমজুর হিসেবে দিনে এক হাজার টাকা মজুরিতে কাজ করেন। শুধু সুন্দরবন নয়, প্রয়োজনে জেলার বাইরেও উদ্ধার অভিযানে যান এই সদস্যরা। গত বছর ওড়িশা থেকে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকায় চলে আসা একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে উদ্ধার করতেও ডাকা হয়েছিল সুন্দরবনের এই দলকে। সেখানেও একই পারিশ্রমিকে জীবন বাজি রেখে অভিযান চালান তাঁরা। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের অভিযোগ, আগে দিনে ৫০০ টাকা মিললেও বর্তমানে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তুলনায় সেই পারিশ্রমিক অত্যন্ত সামান্য। আরও বড় অভিযোগ, অভিযানের সময় দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ গুরুতর আহত হলে তাঁদের জন্য নেই কোনও স্থায়ী ক্ষতিপূরণ, স্বাস্থ্যবিমা বা সামাজিক নিরাপত্তা। এই অভিযোগের অন্যতম উদাহরণ গণেশ শ্যামল। কুইক রেসপন্স টিমের এই সদস্য এক গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনকেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। সেই অভিযানে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় এবং শারীরিকভাবে আগের মতো কাজ করার ক্ষমতাও হারান। গণেশ শ্যামলের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি বনদপ্তর। যাদের হয়ে বছরের পর বছর জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন, সেই বনদপ্তরের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাননি বলেই দাবি তাঁর। বর্তমানে সংসারের হাল ধরেছেন তাঁর স্ত্রী। নদীতে মাছের ছোট পোনা (মীন) ধরে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ালেও সরকারি স্তরে প্রত্যাশিত সহযোগিতা মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের দাবি, বিগত সরকারকেও একাধিকবার স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক সুরক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের কাছেও একই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, "মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা বাঘের সামনে দাঁড়াই। কিন্তু আমাদের নিজেদের জীবন ও পরিবারের ভবিষ্যৎ আজও অনিশ্চিত। সরকার আমাদের কাজের স্বীকৃতি দিক, স্থায়ী নিয়োগ, স্বাস্থ্যবিমা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক।1
- এই হিন্দু ছেলেটা কি বলছে তোমরা সবাই শুনুন আর কমেন্ট করে যাবেন প্লিজ শেয়ার টা করবেন তোমাদের এইটা একটা অনুরোধ লিখব তোমরা সব শেয়ার করবেন আর ভিডিওটা সব লাইক করে দেবেন।1
- অভিষেকের ব্যানার্জির চিকিৎসা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের মন্তব্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় বলেছেন পাহাড় থেকে সমুদ্রে উন্নয়ন হয়েছে স্বাস্থ্যে ,তাহলে কেনো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বানালেন সেবাশ্রয় । আর সেখানে কি খামতি আছে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে চিকিৎসা করতে পারছেন না । সেবাশ্রয়ে দেখান অভিষেক বাবু ।1
- ফের আরশোলাদের সামনে ঝুঁকতে হল মোদী সরকারকে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় ককরোচ জনতা পার্টির | দৈনিক সমাচার1
- হাওড়া থেকে জঙ্গি গ্রেফতারের ঘটনায় পূর্বতন সরকারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের হাওড়া থেকে আদিত্য সিংকে গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন পুর-নগর, উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন বিজেপি সরকার মাত্র আড়াই মাস এসেছে এই জঙ্গি ধরা পড়েছে এটা দেশবিরোধী মানসিকতার পরিচয়। কিডন্যাপ করে মুক্তিপণ দাবি করব, মুখ্যমন্ত্রীকে মেরে দেবো ,গুলি করবো। পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভোটে রাজনীতি করতে হবে বলে এইসব আতঙ্কবাদীদের ঢুকিয়েছেন বলে এই সুরে কটাক্ষ করেন।1
- দলবদলু বিধায়করা কি ফের ‘মমতার তৃণমূলে’ ফিরবেন? তেমনই দাবি কুণাল ঘোষের | দৈনিক সমাচার1
- আন্দুল মৌরি বাজার মৌরি স্কুলের সামনে বৃষ্টিতে জলমগ্ন ড্রেন পরিষ্কার না থাকায় তাই এই জলমগ্ন হয় দীর্ঘদিন ধরে1