রবিবার গভীর রাতে হুগলির কীর্তিচন্দ্রপুর ঢাল সংলগ্ন এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বর্ধমান থেকে কলকাতাগামী একটি ১৬ চাকার লরিতে ভোর প্রায় ৪টা নাগাদ আচমকাই আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গাড়ির ব্যাটারিতে ত্রুটি দেখা দেওয়ার পরই বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গাড়িটিতে ছড়িয়ে পড়ে। বিপদের আঁচ পেয়ে লরির চালক ও খালাসি দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান এবং প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হন। তাঁরা স্থানীয় মানুষদের ডাকাডাকি করে এবং আরামবাগ থানায় ও দমকল কেন্দ্রে খবর দেন। খবর পেয়ে আরামবাগ দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন ও আরামবাগ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দমকল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে একটি ক্রেনের সাহায্যে পুড়ে যাওয়া লরিটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনার জেরে ভোররাতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং যান চলাচল ফের শুরু হয়।
রবিবার গভীর রাতে হুগলির কীর্তিচন্দ্রপুর ঢাল সংলগ্ন এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বর্ধমান থেকে কলকাতাগামী একটি ১৬ চাকার লরিতে ভোর প্রায় ৪টা নাগাদ আচমকাই আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গাড়ির ব্যাটারিতে ত্রুটি দেখা দেওয়ার পরই বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গাড়িটিতে ছড়িয়ে পড়ে। বিপদের আঁচ পেয়ে লরির চালক ও খালাসি দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান এবং প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হন। তাঁরা স্থানীয় মানুষদের ডাকাডাকি করে এবং আরামবাগ থানায় ও দমকল কেন্দ্রে খবর দেন। খবর পেয়ে আরামবাগ দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন ও আরামবাগ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দমকল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে একটি ক্রেনের সাহায্যে পুড়ে যাওয়া লরিটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনার জেরে ভোররাতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং যান চলাচল ফের শুরু হয়।
- নির্বাচনে জয়ের পর শ্রীনগর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এক বিজয় মিছিলে অংশ নেন, যেখানে তাদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা এবং মুখে ছিল জয়ের স্লোগান। এই উৎসবের আবহে গোটা এলাকা রঙিন হয়ে ওঠে, হাজারো মানুষের সমাগমে এক জনজোয়ার তৈরি হয়। মিছিলে উপস্থিত নেতারা সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে, জনগণের সমর্থনই ছিল এই জয়ের মূল শক্তি। শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত এই বিজয় মিছিলকে ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।4
- সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ডিজে বাজালে মাইক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা করেছেন ঘাটাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মৃণাল কান্তি শিকদার। শব্দ দূষণের দানব থেকে এলাকার মানুষজনকে রক্ষা করতে পুলিশের এই উদ্যোগে ওসিকে 'দাবাং মুডে' দেখা গিয়েছে। পুলিশের এই কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাকরি দেওয়ার নামে তিনি বহু মানুষের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, শুধু চাকরির নাম করে প্রতারণা নয়, টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে মারধরও করা হয়েছে। এই ঘটনায় দাসপুর থানার অভিযোগ দায়ের করেছেন দাসপুরের লাওদা গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার মাইতি। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তী উধাও হয়েছেন, এবং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের প্রধানের চেয়ারটিও ফাঁকা রয়েছে।2
- সরকার বদল হওয়ার পর থেকেই পঞ্চায়েত স্তরে একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষও এখন মুখ খুলতে ও সরব হতে শুরু করেছে।1
- সাধারণ মানুষের কাছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে হুগলি জেলার প্রশাসন একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। শনিবার জেলার গোঘাট বিধানসভার কুমুড়শা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতুলসাঁড়া গ্রামে একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। সেখানে পঞ্চায়েত কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রকল্পের ফর্ম পৌঁছে দিচ্ছেন এবং আবেদনকারীদের ফর্ম পূরণে সরাসরি সহায়তা করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু ফর্ম বিলিই নয়, কোনো মানুষ যাতে আবেদন করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় না পড়েন, সেই দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত খুশি। তাদের মতে, এর ফলে সরকারি পরিষেবা পাওয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে।1
- রবিবার গভীর রাতে হুগলির কীর্তিচন্দ্রপুর ঢাল সংলগ্ন এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বর্ধমান থেকে কলকাতাগামী একটি ১৬ চাকার লরিতে ভোর প্রায় ৪টা নাগাদ আচমকাই আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গাড়ির ব্যাটারিতে ত্রুটি দেখা দেওয়ার পরই বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গাড়িটিতে ছড়িয়ে পড়ে। বিপদের আঁচ পেয়ে লরির চালক ও খালাসি দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান এবং প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হন। তাঁরা স্থানীয় মানুষদের ডাকাডাকি করে এবং আরামবাগ থানায় ও দমকল কেন্দ্রে খবর দেন। খবর পেয়ে আরামবাগ দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন ও আরামবাগ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দমকল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে একটি ক্রেনের সাহায্যে পুড়ে যাওয়া লরিটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনার জেরে ভোররাতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং যান চলাচল ফের শুরু হয়।1