Shuru
Apke Nagar Ki App…
নাকাশিপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী কল্লোল খাঁর সমর্থনে ঐতিহাসিক মিছিল বেথুয়াডহরিতে নাকাশিপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী কল্লোল খাঁর সমর্থনে ঐতিহাসিক মিছিল বেথুয়া ডহরি রাজপথে
Nabendu Bhattacharya
নাকাশিপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী কল্লোল খাঁর সমর্থনে ঐতিহাসিক মিছিল বেথুয়াডহরিতে নাকাশিপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী কল্লোল খাঁর সমর্থনে ঐতিহাসিক মিছিল বেথুয়া ডহরি রাজপথে
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নাকাশিপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী কল্লোল খাঁর সমর্থনে ঐতিহাসিক মিছিল বেথুয়া ডহরি রাজপথে1
- Post by ATRI CHAKRABORTY1
- রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। তার আগেই নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। প্রচারের শেষ লগ্নে তৃণমূল কংগ্রেস-সহ একাধিক রাজনৈতিক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন শতাধিক পরিবারের সদস্যরা—এমনটাই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। রবিবার নবদ্বীপের কালিনগর, জোয়ানিয়া এবং হুলোরঘাট এলাকায় বিজেপির উদ্যোগে একাধিক নির্বাচনী সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভাগুলিতেই দলত্যাগী পরিবারগুলির হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, বহুদিন ধরেই এই পরিবারগুলি বর্তমান শাসকদলের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিল এবং সুযোগের অপেক্ষায় ছিল দলবদলের। দলত্যাগীদের একাংশের অভিযোগ, এলাকায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। রাস্তা, নিকাশি, পানীয় জল থেকে শুরু করে বিভিন্ন মৌলিক পরিষেবার ক্ষেত্রেও তারা বঞ্চিত বলে দাবি করেন। বিশেষ করে সরকারি আবাসন প্রকল্পে ঘর না পাওয়া নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই। সেই অসন্তোষই শেষ পর্যন্ত দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন তারা। যোগদানকারীদের মধ্যে অনেকেই জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজের প্রতি আস্থা রেখেই তারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাদের আশা, আগামী দিনে এলাকায় উন্নয়ন ও পরিষেবা পৌঁছাবে আরও দ্রুত। অন্যদিকে, এই দলবদলকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। ভোটের ঠিক আগে এমন বড় আকারের যোগদান কতটা প্রভাব ফেলবে নির্বাচনের ফলে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের দলবদল সাধারণ ঘটনা হলেও, সংখ্যার নিরিখে তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে যদি তা একাধিক এলাকায় ছড়িয়ে থাকে, তাহলে স্থানীয় স্তরে সংগঠনের সমীকরণে তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এখন নজর ২৯ এপ্রিলের ভোটে। নবদ্বীপের এই দলবদলের প্রভাব কতটা পড়বে ভোটবাক্সে, সেটাই দেখার।1
- অস্থায়ী টয়লেট প্রস্তুত হয়েছে, পুরুষ ও মহিলাদের জন্য, নদীয়ার কৃষ্ণনগরে, বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে। নির্বাচনের জন্য কৃষ্ণনগরে আগমন ঘটবে বহু ভোট কর্মীর ; মোতায়েন হবে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা প্রাকৃতিক কার্য সারবে কোথায়? তাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রস্তুত করা হয়েছে- অস্থায়ী টয়লেট, বাথরুম ; ফাঁকা জমিতে। টয়লেট, পাকা ইটের গাঁথুনিতে, প্যান বসানো। টিন দিয়ে তার ওপর প্রস্তুত করা হয়েছে ঘর। বেশ মজবুত ব্যবস্থা। রয়েছে টিউবয়েল, বাঁধানো পাড় সহ। স্নানের জন্য রয়েছে, বিশাল চৌবাচ্চা। যেখানে প্রচুর জল ভর্তি করে রাখা হবে। চৌবাচ্চা ইট, সিমেন্ট, বালি দিয়ে তৈরি। পুরুষ ও মহিলাদের পৃথক ব্যবস্থা আছে। মহিলাদের স্নানের চৌবাচ্চা, বাঁশ-ত্রিপল দিয়ে ঘর তৈরি করা, তার মধ্যে রয়েছে। যাতে উপর থেকে, কেউ কোনো ভাবে, স্নানরত মহিলাদের দেখতে না পায়! পুরুষদের চৌবাচ্চা খোলামেলা জায়গায় রয়েছে। প্রস্তুতি পর্বের সময় আমি গিয়েছিলাম সেখানে ; চলো, আমার ক্যামেরায় তোমরাও, ঘুরে আসবে সেখান থেকে। লেখনি, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- পাল্টানো দরকার আছে আমি শেখাব এখন আর অনেক সময় নেয় বিজেপি সরকার এবং বিরোধী দলের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে ইদানীং তিনি বলেন আমরা যাচ্ছি টাটা বায় বায় যায় হিন্দ বন্দে মাতরম 🙏🕉️🙏 দেবাশীষ বিশ্বাস1
- কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সোমনাথ দত্তের সমর্থনে কৃষ্ণনগর শহর INTTUC এর নেতৃত্বে পথসভা। সেই পথসভায় বক্তব্য রাখছেন নদীয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক সমিতির সভাপতি কিংশুক দাস, উপস্থিত রয়েছেন কৃষ্ণনগরে কৃষ্ণনগর শহর INTTUC এর সভাপতি দীপঙ্কর ঘোষ।1
- মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে ব্জ্রপাতে মৃত্যু হল দু'জনের। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম সরানন দাস, ও সাবিত্রী ঘোষ। চিকিৎসা করিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না সাবিত্রী দেবীর।ঠিক তেমনই অন্যান্য দিনের মতোই রাজমিস্ত্রির কাজ করে বাড়ি ফেরা হল না সরানন দাসের। বজ্রপাতে ভয়াবহ পরিনতি ঘটল দুজনের ।আহত হয়েছেন আরও তিনজন। জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে কান্দি থানার অন্তর্গত কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা সরানন দাস পেশায় রাজমিস্ত্রির কর্মরত ।রাজমিস্ত্রির কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন, অন্যদিকে কান্দি থেকে ডাক্তার দেখিয়ে নিজের গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন সাবিত্রী ঘোষ। কিন্তু হঠাৎই শুরু হয় প্রবল কালবৈশাখীর তান্ডব সঙ্গে ঝড় ও বৃষ্টি। বৃষ্টি দেখেই খড়গ্রামের বরার গ্রামে মাঠের ধারে রাস্তার উপরে পাকুর গাছের নীচে আশ্রয় নিচ্ছিলেন সাবিত্রী ঘোষ, সরানন দাস সহ অনেকেই। কিন্তু হঠাৎই গাছের উপর বজ্রপাত হলে মৃত্যু হয় দু'জনের। আহত হয় আরও ৩জন। স্থানীয় বাসিন্দারা মৃত ও আহতদের উদ্ধার করে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা দু'জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত অবস্থায় বাকিদের চিকিৎসা চলছে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ।1
- Post by ATRI CHAKRABORTY1