পশ্চিমবঙ্গে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'-র সুবিধাভোগী বা আবেদনকারীদের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে: আগামীকাল থেকেই এই প্রকল্পের অধীনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নথিপত্র যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এই সার্ভের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত যোগ্য প্রাপকরাই যেন যোজনার সুবিধা পান, তাই যারা এর টাকা পান বা আবেদন করেছেন, তাদের জন্য এই খবরটি অত্যন্ত জরুরি। সার্ভে টিম বাড়িতে আসার আগে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাড়ির সকল সদস্যের আধার কার্ড, ডিজিটাল বা সাধারণ রেশন কার্ড, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড (যদি থাকে), প্যান কার্ড (যদি থাকে) এবং জমির রেকর্ড (যদি থাকে)। যাচাই প্রক্রিয়ার সময় সার্ভে টিম কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারে, যেমন— বাড়িতে তিনটির বেশি পাকা ঘর আছে কিনা, চার চাকার গাড়ি আছে কিনা, বাচ্চাদের সমস্ত ভ্যাকসিন বা টিকা নেওয়া হয়েছে কিনা, তারা কোন স্কুলে পড়ে (প্রয়োজনে স্কুলের কাগজপত্রও দেখতে চাওয়া হতে পারে), আয়ের উৎস কী এবং ফর্ম পূরণের সময় উল্লেখ করা পারিবারিক আয় কত ছিল। এছাড়াও, আবেদনকারী কোনো সরকারি সংস্থার সাথে যুক্ত আছেন কিনা বা আয়কর প্রদান করেন কিনা, এবং ২০২৬ সালের SIR-এ নাম বাদ পড়ে থাকলে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে কিনা, তার নথিও চাওয়া হতে পারে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য ও নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমেই শুধুমাত্র যোগ্য প্রাপকরাই 'অন্নপূর্ণা যোজনা'-র টাকা পাবেন। তাই, জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে এবং কোনো ভুল তথ্য না দিয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি এলাকার অন্যান্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'-র সুবিধাভোগী বা আবেদনকারীদের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে: আগামীকাল থেকেই এই প্রকল্পের অধীনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নথিপত্র যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এই সার্ভের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত যোগ্য প্রাপকরাই যেন যোজনার সুবিধা পান, তাই যারা এর টাকা পান বা আবেদন করেছেন, তাদের জন্য এই খবরটি অত্যন্ত জরুরি। সার্ভে টিম বাড়িতে আসার আগে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাড়ির সকল সদস্যের আধার কার্ড, ডিজিটাল বা সাধারণ রেশন কার্ড, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড (যদি থাকে), প্যান কার্ড (যদি থাকে) এবং জমির রেকর্ড (যদি থাকে)। যাচাই প্রক্রিয়ার সময় সার্ভে টিম কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারে, যেমন— বাড়িতে তিনটির বেশি পাকা ঘর আছে কিনা, চার চাকার গাড়ি আছে কিনা, বাচ্চাদের সমস্ত ভ্যাকসিন বা টিকা নেওয়া হয়েছে কিনা, তারা কোন স্কুলে পড়ে (প্রয়োজনে স্কুলের কাগজপত্রও দেখতে চাওয়া হতে পারে), আয়ের উৎস কী এবং ফর্ম পূরণের সময় উল্লেখ করা পারিবারিক আয় কত ছিল। এছাড়াও, আবেদনকারী কোনো সরকারি সংস্থার সাথে যুক্ত আছেন কিনা বা আয়কর প্রদান করেন কিনা, এবং ২০২৬ সালের SIR-এ নাম বাদ পড়ে থাকলে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে কিনা, তার নথিও চাওয়া হতে পারে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য ও নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমেই শুধুমাত্র যোগ্য প্রাপকরাই 'অন্নপূর্ণা যোজনা'-র টাকা পাবেন। তাই, জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে এবং কোনো ভুল তথ্য না দিয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি এলাকার অন্যান্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে।
- আজ দুপুরে এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রবল বর্ষার কারণে একটি মোটরসাইকেলের চাকা পিছলে যাওয়ায় এই বিপত্তি ঘটে।1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ এখন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দখলে চলে এসেছে। বামদেব গুছাইতকে নতুন সভাধিপতি এবং পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো। ২০০৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ দখল করেছিল, যা নন্দীগ্রাম আন্দোলন এবং ভূমি উচ্ছেদের প্রতিবাদের ফলস্বরূপ তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের হাত থেকে এই জেলার রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে আসে। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে জিতেই প্রথমবার ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যেও ক্ষমতায় আসে। তবে, সম্প্রতি '২৬ এ ধরাশায়ী হওয়ার পর' এই জেলা পরিষদ হাতছাড়া হয়েছে। জেলা পরিষদের মোট ৭০টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের ৫৬ জন এবং বিজেপির ১৪ জন সদস্য ছিলেন, তবে ২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়। রাজ্যের পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৎকালীন সভাধিপতি উত্তম বারিক এবং সহকারী সভাধিপতি সুহাসিনী কর পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর একটি সাধারণসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৬৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে নতুন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত হন। জয়দেব মিদ্যা সভাধিপতি পদের জন্য বামদেব গুছাইতের নাম প্রস্তাব করেন, যা সভায় উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন। একইভাবে, জেলা পরিষদ সদস্যা পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতির পদে প্রস্তাব করা হয় এবং সেটিও সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এইদিন জেলা পরিষদের সতীশচন্দ্র সামন্ত সভাকক্ষে নবনির্বাচিত সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই জয়ের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা আতশবাজি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। কাঁথির সাংসদ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন যে এখন আর 'ডবল ইঞ্জিন' নয়, বরং 'পঞ্চম ইঞ্জিন' (কেন্দ্র, রাজ্য, জেলা পরিষদ, সাংসদ ও বিধায়ক — সবকিছু বিজেপির) এর মাধ্যমে আগামী দিনে সকলের উন্নয়ন ঘটবে।1
- রাজ্যে পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে এটিই প্রথম জেলা পরিষদের বোর্ড ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন। এই নতুন বোর্ডের সভাধিপতি হয়েছেন বামদেব গুচ্ছাইত এবং সহ-সভাধিপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বাঁশরী পণ্ডিত।1
- নতুন তৃণমূল দলে একটি ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই বৈঠকের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কী মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।1
- প্রতিবন্ধী বন্ধুদের ভাতা নিয়ে বর্তমানে প্রতীক্ষা চলছে, যেখানে এক হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার বিষয়টি সফল না হলেও এবার আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। আগামী মাসে যখন এই অর্থ তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে, তখনই বোঝা যাবে প্রতিবন্ধী বন্ধুরা কতটা সন্তুষ্ট। যদি প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্থ না পাওয়া যায়, তবে এর পরপরই আন্দোলন শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এবার একটি 'জনমতী বাজেট' পেশ করা হয়েছে এবং বাজেট নিয়ে সাধারণে খুশি দেখা যাচ্ছে, তবে প্রতিবন্ধী বন্ধুদের প্রকৃত খুশি আগামী মাসেই স্পষ্ট হবে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটালের সাতপাড়ায় লৌকিক দেবতা শীতলার আরাধনা করা হয়েছে। এই পূজার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঢাকের বাজনায় এক অভিনবত্ব, যা সকলের নজর কেড়েছে।1
- তৃণমূল নেতা মদন মিত্র ২১ জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশকে দলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই দিনটি বাংলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। মদন মিত্র জোর দিয়ে বলেছেন, “২১ জুলাই না হলে হয়তো সিপিএমের ক্ষমতার অবসান দেখতেই পেতাম না।”1
- শিলচর দ্বিতীয় লিঙ্ক রোডের একটি বাড়িতে দেহব্যবসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনতা ও পুলিশের সম্মিলিত অভিযানে একটি বিশাল দেহ ব্যবসা চক্রের পর্দাফাঁস করা হয়, যেখানে চক্রের মক্ষীরানিসহ মোট তিন যুবতী ও তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন, দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পুলিশ ও উপস্থিত সাধারণ মানুষকে তাড়া করে আক্রমণের চেষ্টা করে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন সুপ্রিয় দেব, নন্দা দেব, বিশ্বরূপ দাস, সন্ধ্যা দাস, এক ১৫ বছর বয়সী নাবালিকা, মৌফালি চক্রবর্তী এবং চক্রের মূল নিয়তি দাস।1