পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ এখন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দখলে চলে এসেছে। বামদেব গুছাইতকে নতুন সভাধিপতি এবং পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো। ২০০৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ দখল করেছিল, যা নন্দীগ্রাম আন্দোলন এবং ভূমি উচ্ছেদের প্রতিবাদের ফলস্বরূপ তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের হাত থেকে এই জেলার রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে আসে। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে জিতেই প্রথমবার ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যেও ক্ষমতায় আসে। তবে, সম্প্রতি '২৬ এ ধরাশায়ী হওয়ার পর' এই জেলা পরিষদ হাতছাড়া হয়েছে। জেলা পরিষদের মোট ৭০টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের ৫৬ জন এবং বিজেপির ১৪ জন সদস্য ছিলেন, তবে ২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়। রাজ্যের পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৎকালীন সভাধিপতি উত্তম বারিক এবং সহকারী সভাধিপতি সুহাসিনী কর পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর একটি সাধারণসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৬৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে নতুন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত হন। জয়দেব মিদ্যা সভাধিপতি পদের জন্য বামদেব গুছাইতের নাম প্রস্তাব করেন, যা সভায় উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন। একইভাবে, জেলা পরিষদ সদস্যা পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতির পদে প্রস্তাব করা হয় এবং সেটিও সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এইদিন জেলা পরিষদের সতীশচন্দ্র সামন্ত সভাকক্ষে নবনির্বাচিত সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই জয়ের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা আতশবাজি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। কাঁথির সাংসদ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন যে এখন আর 'ডবল ইঞ্জিন' নয়, বরং 'পঞ্চম ইঞ্জিন' (কেন্দ্র, রাজ্য, জেলা পরিষদ, সাংসদ ও বিধায়ক — সবকিছু বিজেপির) এর মাধ্যমে আগামী দিনে সকলের উন্নয়ন ঘটবে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ এখন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দখলে চলে এসেছে। বামদেব গুছাইতকে নতুন সভাধিপতি এবং পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো। ২০০৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ দখল করেছিল, যা নন্দীগ্রাম আন্দোলন এবং ভূমি উচ্ছেদের প্রতিবাদের ফলস্বরূপ তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের হাত থেকে এই জেলার রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে আসে। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে জিতেই প্রথমবার ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যেও ক্ষমতায় আসে। তবে, সম্প্রতি '২৬ এ ধরাশায়ী হওয়ার পর' এই জেলা পরিষদ হাতছাড়া হয়েছে। জেলা পরিষদের মোট ৭০টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের ৫৬ জন এবং বিজেপির ১৪ জন সদস্য ছিলেন, তবে ২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়। রাজ্যের পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৎকালীন সভাধিপতি উত্তম বারিক এবং সহকারী সভাধিপতি সুহাসিনী কর পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর একটি সাধারণসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৬৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে নতুন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত হন। জয়দেব মিদ্যা সভাধিপতি পদের জন্য বামদেব গুছাইতের নাম প্রস্তাব করেন, যা সভায় উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন। একইভাবে, জেলা পরিষদ সদস্যা পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতির পদে প্রস্তাব করা হয় এবং সেটিও সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এইদিন জেলা পরিষদের সতীশচন্দ্র সামন্ত সভাকক্ষে নবনির্বাচিত সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই জয়ের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা আতশবাজি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। কাঁথির সাংসদ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন যে এখন আর 'ডবল ইঞ্জিন' নয়, বরং 'পঞ্চম ইঞ্জিন' (কেন্দ্র, রাজ্য, জেলা পরিষদ, সাংসদ ও বিধায়ক — সবকিছু বিজেপির) এর মাধ্যমে আগামী দিনে সকলের উন্নয়ন ঘটবে।
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ এখন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দখলে চলে এসেছে। বামদেব গুছাইতকে নতুন সভাধিপতি এবং পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো। ২০০৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ দখল করেছিল, যা নন্দীগ্রাম আন্দোলন এবং ভূমি উচ্ছেদের প্রতিবাদের ফলস্বরূপ তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের হাত থেকে এই জেলার রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে আসে। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে জিতেই প্রথমবার ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যেও ক্ষমতায় আসে। তবে, সম্প্রতি '২৬ এ ধরাশায়ী হওয়ার পর' এই জেলা পরিষদ হাতছাড়া হয়েছে। জেলা পরিষদের মোট ৭০টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের ৫৬ জন এবং বিজেপির ১৪ জন সদস্য ছিলেন, তবে ২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়। রাজ্যের পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৎকালীন সভাধিপতি উত্তম বারিক এবং সহকারী সভাধিপতি সুহাসিনী কর পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর একটি সাধারণসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৬৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে নতুন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত হন। জয়দেব মিদ্যা সভাধিপতি পদের জন্য বামদেব গুছাইতের নাম প্রস্তাব করেন, যা সভায় উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন। একইভাবে, জেলা পরিষদ সদস্যা পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতির পদে প্রস্তাব করা হয় এবং সেটিও সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এইদিন জেলা পরিষদের সতীশচন্দ্র সামন্ত সভাকক্ষে নবনির্বাচিত সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই জয়ের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা আতশবাজি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। কাঁথির সাংসদ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন যে এখন আর 'ডবল ইঞ্জিন' নয়, বরং 'পঞ্চম ইঞ্জিন' (কেন্দ্র, রাজ্য, জেলা পরিষদ, সাংসদ ও বিধায়ক — সবকিছু বিজেপির) এর মাধ্যমে আগামী দিনে সকলের উন্নয়ন ঘটবে।1
- Post by Z News.1
- আজ দুপুরে এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রবল বর্ষার কারণে একটি মোটরসাইকেলের চাকা পিছলে যাওয়ায় এই বিপত্তি ঘটে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে হাওড়ার উলুবেড়িয়া স্টেডিয়াম মাঠে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক একটি প্রদর্শনী আয়োজন করে। এই প্রদর্শনীতে যোগের গুরুত্ব ও বিভিন্ন আসন তুলে ধরা হয়।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বুদগে বুদগে ব্লক-১-এর নিশ্চিন্তাপুরে একটি প্রবুদ্ধ জনসভা এবং সাংগঠনিক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি গধূলি গার্ডেনে আয়োজিত হয়। জনসভায় দেবাংশু পান্ডা, অগ্নিশ্বর নস্কর এবং জেলা সভাপতি সোমা ঘোষ মহাশয় উপস্থিত ছিলেন।2
- রাজ্যে পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে এটিই প্রথম জেলা পরিষদের বোর্ড ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন। এই নতুন বোর্ডের সভাধিপতি হয়েছেন বামদেব গুচ্ছাইত এবং সহ-সভাধিপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বাঁশরী পণ্ডিত।1
- গঙ্গাধরপুর গোলাবাড়ি ভারত সেবাশ্রম সংঘে বিশ্ব যোগা দিবস পালন করা হয়েছে।1
- রবিবার বিকেলে কোলাঘাট ব্লকের ক্ষেত্রহাট হাইস্কুলের সভাকক্ষে পূর্ব মেদিনীপুর ডায়নামিক যোগ এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যোগদিবস পালিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা যোগচর্চায় অংশ নেয়, যা দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে মুম্বইয়ে আয়োজিত একটি জাতীয়স্তরের যোগা প্রতিযোগিতায় অর্পিতা মাইতি সফলতা অর্জন করেছিলেন। বিশ্ব যোগদিবসের এই বিশেষ দিনে, তাঁর এই সাফল্যের জন্য ডায়নামিক যোগ এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অর্পিতা মাইতিকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়।1