Shuru
Apke Nagar Ki App…
কলকাতার মেটিয়াব্রুজ ফেরি ঘাটের আধুনিকীকরণ করে সেখানে একটি নতুন গ্যাংওয়ে এবং পন্টুন জেটি স্থাপন করা হয়েছে। মাননীয় পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং এই নতুন পরিকাঠামোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় নাগরিকরা। এই নতুন পরিকাঠামো গড়ে ওঠার ফলে দৈনিক যাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ফেরি পরিষেবা আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ, মসৃণ এবং সুবিধাজনক হবে। এই সামগ্রিক উন্নয়নের ফলে মেটিয়াব্রুজ ফেরি ঘাটের সংযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং সেই সঙ্গে যাত্রীদের সুরক্ষাও বৃদ্ধি পাবে।
NAZIR SHEKH TRILOK NEWS
কলকাতার মেটিয়াব্রুজ ফেরি ঘাটের আধুনিকীকরণ করে সেখানে একটি নতুন গ্যাংওয়ে এবং পন্টুন জেটি স্থাপন করা হয়েছে। মাননীয় পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং এই নতুন পরিকাঠামোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় নাগরিকরা। এই নতুন পরিকাঠামো গড়ে ওঠার ফলে দৈনিক যাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ফেরি পরিষেবা আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ, মসৃণ এবং সুবিধাজনক হবে। এই সামগ্রিক উন্নয়নের ফলে মেটিয়াব্রুজ ফেরি ঘাটের সংযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং সেই সঙ্গে যাত্রীদের সুরক্ষাও বৃদ্ধি পাবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কোতুলপুরে ট্রাক্টর মালিকদের তরফ থেকে একটি অত্যন্ত কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বকেয়া টাকা আদায়ের লক্ষ্যে এবার তাঁদের পক্ষ থেকে সরাসরি ‘আগে বকেয়া, পরে চাষ’ নীতি কার্যকর করা হল।1
- কলকাতার মেটিয়াব্রুজ ফেরি ঘাটের আধুনিকীকরণ করে সেখানে একটি নতুন গ্যাংওয়ে এবং পন্টুন জেটি স্থাপন করা হয়েছে। মাননীয় পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং এই নতুন পরিকাঠামোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় নাগরিকরা। এই নতুন পরিকাঠামো গড়ে ওঠার ফলে দৈনিক যাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ফেরি পরিষেবা আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ, মসৃণ এবং সুবিধাজনক হবে। এই সামগ্রিক উন্নয়নের ফলে মেটিয়াব্রুজ ফেরি ঘাটের সংযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং সেই সঙ্গে যাত্রীদের সুরক্ষাও বৃদ্ধি পাবে।1
- রিশড়া নিউজ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জয় ভীম মহিলা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হলেন পূর্ণিমা তপাদার।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, যেসব নাগরিকরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না, তাদের মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, সেই সমস্ত ব্যক্তিরা এই প্রকল্পের অধীনে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা খরচ পাবেন। উল্লেখ্য যে, কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত (PM-JAY) প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবার এবং ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণরা দেশজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পেয়ে থাকেন। এখন যারা এই প্রকল্পের আওতায় আসছেন না, তাদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্প নিশ্চিত করবে যাতে তারা সারা ভারতে চিকিৎসার সুবিধা পান।1
- কলকাতার চণ্ডিপুর রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তাটি মেরামত না হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অভিযোগ, ভোটের আগেই রাস্তাটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু হয়নি। রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে স্থানীয়দের দৈনন্দিন যাতায়াতে মারাত্মক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কাজ কেন ঝুলে রয়েছে এবং কবে নাগাদ এই রাস্তার সংস্কার সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি নরেন্দ্র মোদীর কাছে রাস্তাটি দ্রুত ঠিক করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।1
- আসানসোল বাজার এলাকায় জিটি রোডের ধারে হকার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকাটিতে তৎপরতা দেখা যায়।1
- তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত কি এবার ছাড়তে চলেছেন অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট? এই জল্পনা শুনেই এবার নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অনুব্রত মণ্ডলের সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হওয়া এই বিশেষ প্রশ্নটি সামনে আসতেই এই বিষয়ে নিজের বক্তব্য রেখেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।1
- পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান দলবদলের রাজনীতি আদর্শের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ, ক্ষমতার সমীকরণ এবং রাজনৈতিক সুরক্ষার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসানের পর এখন অনেক প্রভাবশালী নেতা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখতে বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন, যা নিয়ে দলের অন্দরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, তৃণমূলের পতাকাতলে থাকা অনেকে এখন বিজেপিতে এসে তাদের পুরোনো ‘সিন্ডিকেট সংস্কৃতি’ বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। টালিগঞ্জের রনজিত দাস কিংবা মহেশতলার কুন্তল মন্ডলের মতো পুরাতন যুব নেতারা দলের ভেতর কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন, কারণ তারা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল। অন্যদিকে, নবাগতরা যারা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের থেকে টাকা লুট করেছেন, তারা সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চাইছেন। এই পরিস্থিতিতে সনাতনী আদর্শে বিশ্বাসী পুরাতন কর্মীরা অভিমানে দল থেকে দূরত্ব তৈরি করছেন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি বা রাজ্য নেতৃত্ব সাধারণত দলবদলকে সমর্থন করেন না। বৃহত্তর স্বার্থে কিছু দলবদল মেনে নেওয়া হলেও, স্থানীয় মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে নতুনদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।1