রাস্তার দাবীতে ভোট বয়কটের ডাক, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানো উতোর সম্প্রতি বরাবাজার থানার রাজাপেলা গ্রামে রাস্তা ও পানীয় জলের দাবীতে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন গ্রামবাসীরা। সেই বিষয়ে প্রচার করতে গ্রামের প্রতিটি দেওয়ালে লেখা হয় 'আগে রাস্তা পরে ভোট' এমনি পোস্টার। এই দেওয়াল লিখনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সারা এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য। প্রশাসনিক ভাবেও বিষয়টি মিটিয়ে নিতে গ্রামে পৌঁছান ব্লকের প্রতিনিধি দল। স্বাধীনতার এতদিন পরেও এখনো গ্রামে ঢোকার নেই কোন রাস্তা, নেই পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা। বিষয়টি নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছে, সিপিআইএম পার্টির বরাবাজার দু'নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক কুদ্দুস আনসারী বিষয়টি নিয়ে বলেন, সরকারের অনেক আগেই রাজাপেলা গ্রামের রাস্তা করা উচিত ছিল। অন্যদিকে বিজেপি নেতা সঞ্জয় মাহাতো পুরো বিষয়টি বরাবাজার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে দায়ী করেন। অন্যদিকে জাতীয় কংগ্রেস নেতা ভগীরথ মাহাতো বলেন, ৩৫ বছর বাম সরকারের আমলে কোন উন্নয়ন হয়নি এবং ১৫ বছর তৃণমূল আমলেও এলাকার কোন উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নের পথ একমাত্র জাতীয় কংগ্রেস দেখাতে পারে।
রাস্তার দাবীতে ভোট বয়কটের ডাক, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানো উতোর সম্প্রতি বরাবাজার থানার রাজাপেলা গ্রামে রাস্তা ও পানীয় জলের দাবীতে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন গ্রামবাসীরা। সেই বিষয়ে প্রচার করতে গ্রামের প্রতিটি দেওয়ালে লেখা হয় 'আগে রাস্তা পরে ভোট' এমনি পোস্টার। এই দেওয়াল লিখনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সারা এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য। প্রশাসনিক ভাবেও বিষয়টি মিটিয়ে নিতে গ্রামে পৌঁছান ব্লকের প্রতিনিধি দল। স্বাধীনতার এতদিন পরেও এখনো গ্রামে ঢোকার নেই কোন রাস্তা, নেই পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা। বিষয়টি নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছে, সিপিআইএম পার্টির বরাবাজার দু'নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক কুদ্দুস আনসারী বিষয়টি নিয়ে বলেন, সরকারের অনেক আগেই রাজাপেলা গ্রামের রাস্তা করা উচিত ছিল। অন্যদিকে বিজেপি নেতা সঞ্জয় মাহাতো পুরো বিষয়টি বরাবাজার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে দায়ী করেন। অন্যদিকে জাতীয় কংগ্রেস নেতা ভগীরথ মাহাতো বলেন, ৩৫ বছর বাম সরকারের আমলে কোন উন্নয়ন হয়নি এবং ১৫ বছর তৃণমূল আমলেও এলাকার কোন উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নের পথ একমাত্র জাতীয় কংগ্রেস দেখাতে পারে।
- Post by Bhisma Rajak1
- Post by MOUSUMI KOLEY1
- দুটি পৃথক পথ দুর্ঘটনায় জেলায় চার জনের মৃত্যু, যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নডিহা এলাকায় এক ব্যক্তির মৃত্যু, অন্যদিকে ধান বোঝাই গাড়ির ধাক্কায় তিন মটোর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু।1
- শিক্ষা প্রতিটি শিশুর জন্মগত মৌলিক অধিকার। প্রত্যেকের জন্য শিক্ষা বাস্তবায়নে চলছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। একটি শিশুর জীবনে তার সৃজনশীল, আধ্যাত্মিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ ও পদ্ধতিগত অধ্যয়ন ও নিয়মানুবর্তিতা। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই শিশুদের শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য মানবাজার মডার্ন পাবলিক স্কুল বদ্ধপরিকর।মূল লক্ষ্য শিশুদের সর্বাঙ্গীন বিকাশ সাধন। মূলত শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই শুক্রবার মানবাজার মডার্ন পাবলিক স্কুলের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত হল লাইভ ফ্রেন্ডলি টেস্ট পরীক্ষা। জানা যায় এই পরীক্ষার বিশেষত্ব প্রশ্নপত্র থাকছে রঙিন।এবং বাড়িতেই অভিভাবকরা অনলাইনের মাধ্যমে স্মার্টফোনের দেখতে পাবেন লাইভ পরীক্ষা। এ বিষয়ে অভিভাবকদের মতামত, পরীক্ষার মান উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে লাইভ ফ্রেন্ডলি টেস্ট পরীক্ষার কোন বিকল্প হয়না।পাশাপাশি স্কুল কর্তৃপক্ষের এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান তারা।1
- Post by ঝাড়গ্রাম আপডেট1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপীবল্লভপুরে জোরকদমে প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অজিত মাহত। আজ সকালে গুপ্তমনি মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি নিজের নির্বাচনী প্রচারের শুরু করেন। কয়েকশো বাইকের বিশাল র্যালির মাধ্যমে সমর্থকদের নিয়ে মন্দিরে পৌঁছন তিনি। পুজো শেষ করে সেখান থেকেই র্যালি করে দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে যোগ দেন অজিত মাহত। সকাল থেকেই তার প্রচার কর্মসূচি ছিল ব্যস্ততায় ভরা। গোপীবল্লভপুর বিধানসভার শালবনি এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।প্রচার চলাকালীন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অজিত মাহত জানান, গোপীবল্লভপুর এলাকায় কুর্মি ভোটারের সংখ্যা বেশি এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কুর্মি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে একাধিক কাজ করেছেন। সেই কারণেই কুর্মি সমাজের মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের পাশেই থাকবেন বলে তিনি আশাবাদী।এছাড়াও তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা মানুষ ভোলেনি। গত কয়েক বছরে এলাকায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাই এই নির্বাচনে জয় নিয়ে তিনি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।1
- মানবাজার বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সন্ধ্যারানী টুডু'র হাত ধরে বিজেপি ও নির্দল থেকে প্রায় ৩৫ টি পরিবার কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন সবুজ শিবিরে। মানবাজার ১ ব্লকের গোপালনগর অঞ্চলের কুঙরডি গ্রামে শুক্রবার বিজেপি থেকে ২০ টি পরিবার ও নির্দল থেকে ১৫টি পরিবার মানবাজার বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সন্ধ্যারানী টুডু'র হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। এদিন উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বরিষ্ঠ সহ-সভাপতি গুরুপদ টুডু, মানবাজার ১নং ব্লক তৃনমুল কংগ্রেস সভাপতি অপূর্ব সিংহ, গোপালনগর অঞ্চল সভাপতি সুবোধ মাহাতো সহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা। যদিও এ বিষয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির কোন সদস্যই জয়েনিং করেনি বলে দাবি করেন বিজেপি মানবাজার মন্ডল ৫ এর সাধারণ সম্পাদক অম্বরিশ প্রামাণিক।1
- নয়াগ্রাম বিধানসভা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী আমিও কিস্কুর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার সকালে এলাকার কয়েকটি স্থানে সাদা কাগজে কালো কালিতে ছাপানো পোস্টার দেখা যায়। সেখানে লেখা ছিল ,নয়াগ্রাম বিধানসভার প্রার্থী আমিও কিস্কুকে মানছি না, মানব না, ইতি নয়াগ্রাম বিধানসভার বিজেপির কর্মীবৃন্দ ও জনসাধারণ। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী আমিও কিস্কু বলেন, প্রথমে তিনি বিষয়টি জানতেন না, পরে জানতে পারেন দু’টি জায়গায় এমন পোস্টার পড়েছে। তিনি আরও জানান, দলের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তার মনে হয়েছে, এটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ কাজ নয়। আমিও কিস্কুর অভিযোগ, এটি শাসক দলের চক্রান্ত। তিনি দাবি করেন, তার দলের কর্মীরা তার পাশেই রয়েছেন এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তথা নয়াগ্রামের বর্তমান বিধায়ক দুলাল মুর্মু পাল্টা বলেন—“ওরা যা খুশি বলতে পারে, বলাকে তো আর কেউ আটকাতে পারে না।” এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের পোস্টার বিতর্ক কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার1
- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর মঙ্গল কামনায় গুপ্তমনি মন্দিরে পুজো দিয়ে দলের কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে এদিনের প্রচার কর্মসূচি শুরু করলেন গোপীবল্লভপুর বিধান সভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অজিত মাহাতো।শুক্রবার গুপ্তমনী মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর গুপ্তমনি মন্দির সংলগ্ন এলাকা কর্মীর সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করেন প্রার্থী তারপরই তুঙ্গাধুয়া দেওয়াল লিখন করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন প্রার্থী এরপর শালবনী গ্রাম পঞ্চায়েতের জিতুশোল এলাকা দলের কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন অজিত এবং উন্নয়নের আশ্বাস দেন ।1