logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

“ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়! “ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়!

3 hrs ago
user_Memari Update News
Memari Update News
Photographer Memari I, Purba Burdwan•
3 hrs ago

“ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়! “ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়!

More news from Purba Burdwan and nearby areas
  • “ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়! “ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়!
    1
    “ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়!
“ছেলেকে বিক্রি করে টাকা দেব?” মেমারির ব্যাংকে লোন কা*ণ্ডে তো/ল*পাড়!
    user_Memari Update News
    Memari Update News
    Photographer Memari I, Purba Burdwan•
    3 hrs ago
  • A.T.M খারাপ হয়ে বন্ধ গ্রাহকরা অসুবিধায় গুপ্তিপাড়া রেলস্টেশন এলাকায় আবার বিকল গুপ্তিপাড়ার রেলস্টেশন সংলগ্ন এ টি এম গত বছর বিশ্বকর্মা পুজোর আগে এটিএম চালু করা হয় রথযাত্রার সময়ে বিকল হয়ে যায় এরপরে খবর এর জেরে সারানো হলেও আবার বিগড়ে গেছে এটিএম গ্রাহকদের হয়রানি হচ্ছে সবাইকার দাবী পুজোর আগেই এটিএম সারিয়ে চালু করা হোক পুনরায় শুরু নিউজ ও স্কাই নিউজ এর জন্য গুপ্তিপাড়া থেকে সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    1
    A.T.M খারাপ হয়ে বন্ধ 
গ্রাহকরা অসুবিধায়
গুপ্তিপাড়া রেলস্টেশন এলাকায়
আবার বিকল গুপ্তিপাড়ার  রেলস্টেশন  সংলগ্ন  এ টি এম
গত বছর বিশ্বকর্মা পুজোর  আগে 
এটিএম চালু করা হয়
রথযাত্রার সময়ে
বিকল হয়ে যায়
এরপরে  খবর এর জেরে
সারানো হলেও
আবার বিগড়ে গেছে এটিএম
গ্রাহকদের হয়রানি হচ্ছে
সবাইকার দাবী
পুজোর আগেই এটিএম সারিয়ে
চালু করা হোক পুনরায় 
শুরু নিউজ  ও স্কাই নিউজ 
এর জন্য গুপ্তিপাড়া থেকে
সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    user_Chiranjib Chatterjee
    Chiranjib Chatterjee
    Newsagent বলাগড়, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • শান্তিপুরের ফুলিয়ায় গৃহস্থের বাড়ী থেকে সাপ ও সাপের বাচ্চা উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য, আনকাট দেখুন #micarjunsing #80thindipendenceday #krishnagarcarcithouse #nadiazillaporisod #santipurmotorvan #শান্তিপুর‌ #krishanagarpolice #santipurnews #বিজেপিগভর্নমেন্ট #santipurpolice শান্তিপুরের ফুলিয়ায় গৃহস্থের বাড়ী থেকে সাপ ও সাপের বাচ্চা উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য, আনকাট দেখুন #micarjunsing #80thindipendenceday #krishnagarcarcithouse #nadiazillaporisod #santipurmotorvan #শান্তিপুর‌ #krishanagarpolice #santipurnews #বিজেপিগভর্নমেন্ট #santipurpolice
    1
    শান্তিপুরের ফুলিয়ায় গৃহস্থের বাড়ী থেকে সাপ ও সাপের বাচ্চা উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য, আনকাট দেখুন
#micarjunsing #80thindipendenceday #krishnagarcarcithouse #nadiazillaporisod #santipurmotorvan #শান্তিপুর‌ #krishanagarpolice #santipurnews #বিজেপিগভর্নমেন্ট #santipurpolice
শান্তিপুরের ফুলিয়ায় গৃহস্থের বাড়ী থেকে সাপ ও সাপের বাচ্চা উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য, আনকাট দেখুন
#micarjunsing #80thindipendenceday #krishnagarcarcithouse #nadiazillaporisod #santipurmotorvan #শান্তিপুর‌ #krishanagarpolice #santipurnews #বিজেপিগভর্নমেন্ট #santipurpolice
    user_SURYYANATH CHATTERJEE
    SURYYANATH CHATTERJEE
    Local News Reporter শান্তিপুর, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিধায়ক কুণাল ঘোষ . . . #KunalGhosh Kunal Ghosh #TMC #WestBengal #BengaliNews #socialmedia #everyone #BreakingNews #NewsUpdate #LivenewsToday #PoliticalNews #foryouシ
    1
    বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিধায়ক কুণাল ঘোষ
.
.
.


#KunalGhosh  Kunal Ghosh  #TMC  #WestBengal #BengaliNews #socialmedia #everyone #BreakingNews #NewsUpdate #LivenewsToday #PoliticalNews  #foryouシ
    user_NE Bangla Digital
    NE Bangla Digital
    Social Media Manager শান্তিপুর, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 hrs ago
  • YPC-তে চ্যাম্পিয়ন, প্রতিশ্রুতি ছিল বিরিয়ানির! জয়ীদের গণ্ডি পেরিয়ে ৪০০ পড়ুয়ার পাতে প্রধান শিক্ষকের ‘সাফল্যের ভোজ’ ঝটিকা সফরে হাজির বিধায়কও। YPC-তে চ্যাম্পিয়ন, প্রতিশ্রুতি ছিল বিরিয়ানির! জয়ীদের গণ্ডি পেরিয়ে ৪০০ পড়ুয়ার পাতে প্রধান শিক্ষকের ‘সাফল্যের ভোজ’ ঝটিকা সফরে হাজির বিধায়কও। নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়াঃ প্রতিশ্রুতি ছিল, চ্যাম্পিয়ন হলে বিরিয়ানি খাওয়াবেন। কথা রাখলেন প্রধান শিক্ষক। তবে শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের জন্য নয়, স্কুলের প্রায় ৪০০ ছাত্রের পাতে তুলে দিলেন বিরিয়ানি। YPC-তে ব্লক স্তরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ এবার ভাগ করে নিল গোটা বিদ্যালয়। মঙ্গলবার নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয় (বালক)-এ মিড-ডে মিলের বিশেষ আয়োজনে তাই অন্য দিনের তুলনায় ছিল আলাদা আবহ। আর সেই আয়োজনের খবর পেয়েই এদিন সকালে কাউকে না জানিয়ে আচমকা স্কুলে হাজির হন নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী। রান্না, খাবারের মান এবং মিড-ডে মিলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন মণ্ডল জানান, সম্প্রতি YPC-তে ব্লক স্তরের প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয় প্রথম স্থান অধিকার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। পড়ুয়াদের সেই সাফল্যের আগে থেকেই উৎসাহ দিতে তাঁদের কথা দিয়েছিলেন, চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে স্কুলে বিরিয়ানির আয়োজন করবেন। সাফল্য আসার পর প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। কিন্তু তখনই তাঁর মনে হয়, প্রতিযোগিতায় সাফল্যের আনন্দ শুধু ওই কয়েক জন পড়ুয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে বাকিরা কেন বঞ্চিত থাকবে? স্কুলের প্রত্যেক পড়ুয়াই তো এই সাফল্যের অংশ। সেই ভাবনা থেকেই শেষ পর্যন্ত জয়ীদের পাশাপাশি অন্যান্য ছাত্রদেরও এই আনন্দে সামিল করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। প্রধান শিক্ষকের কথায়, ‘‘চ্যাম্পিয়ন হলেই ওদের বিরিয়ানি খাওয়াব বলেছিলাম। তার পরে মনে হল, অন্যান্য ছাত্ররা বঞ্চিত হবে কেন? তাই সবার জন্যই ব্যবস্থা করেছি।’’ সেই সিদ্ধান্তের ফলেই এদিন প্রায় ৪০০ পড়ুয়ার জন্য বিশেষ মিড-ডে মিলের আয়োজন করা হয়। সাধারণ দিনের খাবারের বদলে পাতে আসে বিরিয়ানি। পড়ুয়াদের মধ্যেও সকাল থেকেই ছিল উৎসাহ। নিজেদের স্কুলের সাফল্যকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজন হওয়ায় আনন্দে সামিল হয় তারাও। এই বিশেষ আয়োজনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিদ্যালয়ের কিচেন গার্ডেনও। প্রধান শিক্ষক জানান, স্কুলে একটি কিচেন গার্ডেন রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করা হয়। সেই সবজি মিড-ডে মিলে ব্যবহার করা হয়। ফলে বাজার থেকে সবজি কেনার খরচের একটি অংশ বেঁচে যায়। সেই সাশ্রয় হওয়া অর্থের কিছুটা কাজে লাগিয়েই বিশেষ এই মিড-ডে মিলের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। অর্থাৎ, পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করতে আলাদা কোনও বড়সড় আয়োজনের প্রয়োজন হয়নি। বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতেই নিয়মিত মিড-ডে মিল চালানোর পাশাপাশি কিছুটা সাশ্রয় করে সেই অর্থ ফের পড়ুয়াদের খাবারের পিছনেই ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই ব্যবস্থাপনার কথাই। তবে নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ে এ ধরনের বিশেষ খাবারের আয়োজন একেবারে নতুন নয়। প্রধান শিক্ষক জানান, বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা বিশেষ উপলক্ষে পড়ুয়াদের জন্য পনির, রসগোল্লা-সহ নানা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। চিকেনও দেওয়া হয়। মাসে এক দিন করে চিকেন দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানান তিনি। বিশেষ দিনগুলিকে পড়ুয়াদের কাছে স্মরণীয় করে তুলতেই এমন আয়োজন করা হয়। এই পুরো ব্যবস্থাপনার পিছনে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদেরও ভূমিকা রয়েছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক। তাঁর কথায়, মিড-ডে মিল শুধু রাঁধুনিদের দায়িত্ব নয়। শিক্ষকরা নিজেরাও গোটা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। রান্না থেকে পরিবেশন, খাবারের মান—সবকিছুর দিকেই নজর রাখা হয়। এদিনের বিরিয়ানির আয়োজনেও সমস্ত শিক্ষক সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমার একার পক্ষে এত বড় আয়োজন করা সম্ভব নয়। সবাই মিলে এই মিড-ডে মিলটা চালাই।’’ এদিকে, এদিনের বিশেষ আয়োজনের খবর পেয়েই সকালে স্কুলে পৌঁছে যান বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী। তবে আগে থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে নয়, অনেকটা ঝটিকা সফরের মতোই তাঁর এই পরিদর্শন। বিধায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, মিড-ডে মিলের বাস্তব পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতেই তিনি আচমকা স্কুলে পৌঁছন। বিশেষ করে আগের দিনে মিড-ডে মিল নিয়ে যে সমস্ত অভিযোগের কথা শোনা যেত, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই খাবারের মান খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। স্কুলে ঢোকার পর রান্নার গন্ধই প্রথমে তাঁর নজর কাড়ে। পরে নিজে গিয়ে রান্নার জায়গা এবং খাবারের ব্যবস্থা দেখেন। খাবার কী ভাবে তৈরি হচ্ছে, তার মান কেমন—সবটাই দেখেন বিধায়ক। এরপরই বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিধায়কের বক্তব্য, স্কুলে ঢোকার পর রান্নার গন্ধ পেয়েই তাঁর মনে হয়েছিল খাবারের ব্যবস্থা ঠিকঠাক হচ্ছে। পরে নিজে গিয়ে দেখে আরও নিশ্চিত হন। তাঁর দাবি, মিড-ডে মিল প্রকল্পের মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নজর রাখছেন। চালের মান-সহ মিড-ডে মিলের বিভিন্ন বিষয় তিনি আগেও পরীক্ষা করেছেন বলে জানান। এদিনের ব্যবস্থাপনাও তাঁর কাছে যথেষ্ট ভালো লেগেছে। বিধায়ক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে চলা মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুফল যাতে পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছয়, সে বিষয়ে শিক্ষকরা নজর রাখছেন। রান্না, রাঁধুনিদের কাজ এবং সামগ্রিক পরিবেশ দেখে তিনি খুশি। তাঁর কথায়, খাবারের মান ‘‘একদম এক নম্বর’’। বিধায়কের এই আচমকা পরিদর্শন নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষকও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা, খাবারের মান, রাঁধুনিদের কাজ এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতা দেখে বিধায়ক খুশি হয়েছেন। ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়ে আসবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নে পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক। স্কুলের এই সাফল্যের গল্পে পড়ুয়াদের কথাও গুরুত্বপূর্ণ। একাদশ শ্রেণির ছাত্র দেবরাজ দেবনাথ জানায়, YPC-র ব্লক স্তরের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান পাওয়ার পরই প্রধান শিক্ষক তাঁদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সাফল্য এলে বিরিয়ানি খাওয়ানো হবে—সেই কথা তখনই শুনেছিল তারা। কিন্তু পরে যখন জানতে পারে, শুধু প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত পড়ুয়াদের নয়, গোটা স্কুলের ছাত্রদের জন্যই বিরিয়ানির আয়োজন হচ্ছে, তখন আনন্দ আরও বেড়ে যায়। দেবরাজের কথায়, স্কুল একটি জায়গায় গিয়ে জিতে এসেছে—এই সাফল্যের আনন্দে সকলে একসঙ্গে সামিল হতে পারছে। প্রধান শিক্ষক তাঁদের সাফল্যকে যে ভাবে উদযাপন করছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করে সে। আগামী দিনেও স্কুলের পড়ুয়ারা কোনও প্রতিযোগিতায় বড় সাফল্য পেলে প্রধান শিক্ষক একই ভাবে তাঁদের পাশে থাকবেন বলে আশা তার। বর্তমানে নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ পড়ুয়া রয়েছে। বিদ্যালয়ে রয়েছেন ২৪ জন শিক্ষক, এক জন পার্শ্ব শিক্ষক এবং চার জন শিক্ষাকর্মী। পাশাপাশি দু’টি ক্লার্কের পদ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কোনও ক্লার্ক নেই। ক্লার্ক ছাড়াই বিদ্যালয়ের অফিসের কাজ চালাতে হচ্ছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক। একদিকে YPC-তে ব্লক স্তরে স্কুলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া, সেই সাফল্যের আনন্দে প্রায় ৪০০ পড়ুয়ার জন্য বিরিয়ানির আয়োজন, অন্যদিকে সেই আয়োজনের মাঝেই বিধায়কের আচমকা স্কুল পরিদর্শন। সব মিলিয়ে এদিন নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের আয়োজন শুধু বিশেষ খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকল না। পড়ুয়াদের সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি সামনে এল স্কুলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা, কিচেন গার্ডেন এবং শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের সম্মিলিত উদ্যোগের ছবিও।
    1
    YPC-তে চ্যাম্পিয়ন, প্রতিশ্রুতি ছিল বিরিয়ানির! জয়ীদের গণ্ডি পেরিয়ে ৪০০ পড়ুয়ার পাতে প্রধান শিক্ষকের ‘সাফল্যের ভোজ’ ঝটিকা সফরে হাজির বিধায়কও।
YPC-তে চ্যাম্পিয়ন, প্রতিশ্রুতি ছিল বিরিয়ানির! জয়ীদের গণ্ডি পেরিয়ে ৪০০ পড়ুয়ার পাতে প্রধান শিক্ষকের ‘সাফল্যের ভোজ’ ঝটিকা সফরে হাজির বিধায়কও।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়াঃ 
প্রতিশ্রুতি ছিল, চ্যাম্পিয়ন হলে বিরিয়ানি খাওয়াবেন। কথা রাখলেন প্রধান শিক্ষক। তবে শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের জন্য নয়, স্কুলের প্রায় ৪০০ ছাত্রের পাতে তুলে দিলেন বিরিয়ানি। YPC-তে ব্লক স্তরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ এবার ভাগ করে নিল গোটা বিদ্যালয়। মঙ্গলবার নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয় (বালক)-এ মিড-ডে মিলের বিশেষ আয়োজনে তাই অন্য দিনের তুলনায় ছিল আলাদা আবহ। আর সেই আয়োজনের খবর পেয়েই এদিন সকালে কাউকে না জানিয়ে আচমকা স্কুলে হাজির হন নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী। রান্না, খাবারের মান এবং মিড-ডে মিলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন মণ্ডল জানান, সম্প্রতি YPC-তে ব্লক স্তরের প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয় প্রথম স্থান অধিকার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। পড়ুয়াদের সেই সাফল্যের আগে থেকেই উৎসাহ দিতে তাঁদের কথা দিয়েছিলেন, চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে স্কুলে বিরিয়ানির আয়োজন করবেন। সাফল্য আসার পর প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। কিন্তু তখনই তাঁর মনে হয়, প্রতিযোগিতায় সাফল্যের আনন্দ শুধু ওই কয়েক জন পড়ুয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে বাকিরা কেন বঞ্চিত থাকবে? স্কুলের প্রত্যেক পড়ুয়াই তো এই সাফল্যের অংশ। সেই ভাবনা থেকেই শেষ পর্যন্ত জয়ীদের পাশাপাশি অন্যান্য ছাত্রদেরও এই আনন্দে সামিল করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
প্রধান শিক্ষকের কথায়, ‘‘চ্যাম্পিয়ন হলেই ওদের বিরিয়ানি খাওয়াব বলেছিলাম। তার পরে মনে হল, অন্যান্য ছাত্ররা বঞ্চিত হবে কেন? তাই সবার জন্যই ব্যবস্থা করেছি।’’
সেই সিদ্ধান্তের ফলেই এদিন প্রায় ৪০০ পড়ুয়ার জন্য বিশেষ মিড-ডে মিলের আয়োজন করা হয়। সাধারণ দিনের খাবারের বদলে পাতে আসে বিরিয়ানি। পড়ুয়াদের মধ্যেও সকাল থেকেই ছিল উৎসাহ। নিজেদের স্কুলের সাফল্যকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজন হওয়ায় আনন্দে সামিল হয় তারাও।
এই বিশেষ আয়োজনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিদ্যালয়ের কিচেন গার্ডেনও। প্রধান শিক্ষক জানান, স্কুলে একটি কিচেন গার্ডেন রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করা হয়। সেই সবজি মিড-ডে মিলে ব্যবহার করা হয়। ফলে বাজার থেকে সবজি কেনার খরচের একটি অংশ বেঁচে যায়। সেই সাশ্রয় হওয়া অর্থের কিছুটা কাজে লাগিয়েই বিশেষ এই মিড-ডে মিলের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থাৎ, পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করতে আলাদা কোনও বড়সড় আয়োজনের প্রয়োজন হয়নি। বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতেই নিয়মিত মিড-ডে মিল চালানোর পাশাপাশি কিছুটা সাশ্রয় করে সেই অর্থ ফের পড়ুয়াদের খাবারের পিছনেই ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই ব্যবস্থাপনার কথাই।
তবে নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ে এ ধরনের বিশেষ খাবারের আয়োজন একেবারে নতুন নয়। প্রধান শিক্ষক জানান, বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা বিশেষ উপলক্ষে পড়ুয়াদের জন্য পনির, রসগোল্লা-সহ নানা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। চিকেনও দেওয়া হয়। মাসে এক দিন করে চিকেন দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানান তিনি। বিশেষ দিনগুলিকে পড়ুয়াদের কাছে স্মরণীয় করে তুলতেই এমন আয়োজন করা হয়।
এই পুরো ব্যবস্থাপনার পিছনে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদেরও ভূমিকা রয়েছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক। তাঁর কথায়, মিড-ডে মিল শুধু রাঁধুনিদের দায়িত্ব নয়। শিক্ষকরা নিজেরাও গোটা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। রান্না থেকে পরিবেশন, খাবারের মান—সবকিছুর দিকেই নজর রাখা হয়। এদিনের বিরিয়ানির আয়োজনেও সমস্ত শিক্ষক সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমার একার পক্ষে এত বড় আয়োজন করা সম্ভব নয়। সবাই মিলে এই মিড-ডে মিলটা চালাই।’’
এদিকে, এদিনের বিশেষ আয়োজনের খবর পেয়েই সকালে স্কুলে পৌঁছে যান বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী। তবে আগে থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে নয়, অনেকটা ঝটিকা সফরের মতোই তাঁর এই পরিদর্শন। বিধায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, মিড-ডে মিলের বাস্তব পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতেই তিনি আচমকা স্কুলে পৌঁছন। বিশেষ করে আগের দিনে মিড-ডে মিল নিয়ে যে সমস্ত অভিযোগের কথা শোনা যেত, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই খাবারের মান খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি।
স্কুলে ঢোকার পর রান্নার গন্ধই প্রথমে তাঁর নজর কাড়ে। পরে নিজে গিয়ে রান্নার জায়গা এবং খাবারের ব্যবস্থা দেখেন। খাবার কী ভাবে তৈরি হচ্ছে, তার মান কেমন—সবটাই দেখেন বিধায়ক। এরপরই বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
বিধায়কের বক্তব্য, স্কুলে ঢোকার পর রান্নার গন্ধ পেয়েই তাঁর মনে হয়েছিল খাবারের ব্যবস্থা ঠিকঠাক হচ্ছে। পরে নিজে গিয়ে দেখে আরও নিশ্চিত হন। তাঁর দাবি, মিড-ডে মিল প্রকল্পের মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নজর রাখছেন। চালের মান-সহ মিড-ডে মিলের বিভিন্ন বিষয় তিনি আগেও পরীক্ষা করেছেন বলে জানান। এদিনের ব্যবস্থাপনাও তাঁর কাছে যথেষ্ট ভালো লেগেছে।
বিধায়ক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে চলা মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুফল যাতে পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছয়, সে বিষয়ে শিক্ষকরা নজর রাখছেন। রান্না, রাঁধুনিদের কাজ এবং সামগ্রিক পরিবেশ দেখে তিনি খুশি। তাঁর কথায়, খাবারের মান ‘‘একদম এক নম্বর’’।
বিধায়কের এই আচমকা পরিদর্শন নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষকও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা, খাবারের মান, রাঁধুনিদের কাজ এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতা দেখে বিধায়ক খুশি হয়েছেন। ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়ে আসবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নে পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক।
স্কুলের এই সাফল্যের গল্পে পড়ুয়াদের কথাও গুরুত্বপূর্ণ। একাদশ শ্রেণির ছাত্র দেবরাজ দেবনাথ জানায়, YPC-র ব্লক স্তরের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান পাওয়ার পরই প্রধান শিক্ষক তাঁদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সাফল্য এলে বিরিয়ানি খাওয়ানো হবে—সেই কথা তখনই শুনেছিল তারা। কিন্তু পরে যখন জানতে পারে, শুধু প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত পড়ুয়াদের নয়, গোটা স্কুলের ছাত্রদের জন্যই বিরিয়ানির আয়োজন হচ্ছে, তখন আনন্দ আরও বেড়ে যায়।
দেবরাজের কথায়, স্কুল একটি জায়গায় গিয়ে জিতে এসেছে—এই সাফল্যের আনন্দে সকলে একসঙ্গে সামিল হতে পারছে। প্রধান শিক্ষক তাঁদের সাফল্যকে যে ভাবে উদযাপন করছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করে সে। আগামী দিনেও স্কুলের পড়ুয়ারা কোনও প্রতিযোগিতায় বড় সাফল্য পেলে প্রধান শিক্ষক একই ভাবে তাঁদের পাশে থাকবেন বলে আশা তার।
বর্তমানে নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ পড়ুয়া রয়েছে। বিদ্যালয়ে রয়েছেন ২৪ জন শিক্ষক, এক জন পার্শ্ব শিক্ষক এবং চার জন শিক্ষাকর্মী। পাশাপাশি দু’টি ক্লার্কের পদ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কোনও ক্লার্ক নেই। ক্লার্ক ছাড়াই বিদ্যালয়ের অফিসের কাজ চালাতে হচ্ছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক।
একদিকে YPC-তে ব্লক স্তরে স্কুলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া, সেই সাফল্যের আনন্দে প্রায় ৪০০ পড়ুয়ার জন্য বিরিয়ানির আয়োজন, অন্যদিকে সেই আয়োজনের মাঝেই বিধায়কের আচমকা স্কুল পরিদর্শন। সব মিলিয়ে এদিন নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের আয়োজন শুধু বিশেষ খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকল না। পড়ুয়াদের সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি সামনে এল স্কুলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা, কিচেন গার্ডেন এবং শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের সম্মিলিত উদ্যোগের ছবিও।
    user_Gopal Biswas
    Gopal Biswas
    Newsagent নবদ্বীপ, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
  • ২১ দিন পর ফের নেপালে নিখোঁজ 32 টি পরিবার সহ মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন নবান্নে ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া গেল না মুকুল রায় এর পুত্রবধূ তথা বীজপুর এর প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় পত্নী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। তার দৃঢ় বিশ্বাস এখনো পর্যন্ত ৩২ টা ফ্যামিলি সহ তার স্ত্রী জীবিত আছে ও সুস্থ আছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর সম্পূর্ণ ভরসা রয়েছে তাদের। এছাড়াও আগামী কাল ১৬ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে দেখা করতে যাচ্ছেন ৩২ টা ফ্যামিলি। চীনের তিব্বত সীমান্তে এখনো পর্যন্ত আটকে রয়েছেন তারা দৃঢ় বিশ্বাস পরিবারের লোকের। এছাড়া সমস্ত রাজনৈতিক দল মুকুল পুত্র শুভ্রাংশের সঙ্গে দেখা করে তাকে আশ্বাস দিয়েছেন এমনটাই জানালেন তিনি।
    2
    ২১ দিন পর ফের নেপালে নিখোঁজ 32 টি পরিবার সহ মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন নবান্নে
২১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া গেল না মুকুল রায় এর পুত্রবধূ তথা বীজপুর এর প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় পত্নী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। তার দৃঢ় বিশ্বাস এখনো পর্যন্ত ৩২ টা ফ্যামিলি সহ তার স্ত্রী জীবিত আছে ও সুস্থ আছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর সম্পূর্ণ ভরসা রয়েছে তাদের। এছাড়াও আগামী কাল ১৬ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে দেখা করতে যাচ্ছেন ৩২ টা ফ্যামিলি। চীনের তিব্বত সীমান্তে এখনো পর্যন্ত আটকে রয়েছেন তারা দৃঢ় বিশ্বাস পরিবারের লোকের। এছাড়া সমস্ত রাজনৈতিক দল মুকুল পুত্র শুভ্রাংশের সঙ্গে দেখা করে তাকে আশ্বাস দিয়েছেন এমনটাই জানালেন তিনি।
    user_DEB SARKAR
    DEB SARKAR
    Local News Reporter ব্যারাকপুর ১, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    13 hrs ago
  • রাস্তা না বানিয়েই ২১ লক্ষ টাকা? ডিহি পলাশনে দু*র্নীতির বি*স্ফো/রক অ"ভি*যোগ! রাস্তা না বানিয়েই ২১ লক্ষ টাকা? ডিহি পলাশনে দু*র্নীতির বি*স্ফো/রক অ"ভি*যোগ!
    1
    রাস্তা না বানিয়েই ২১ লক্ষ টাকা? ডিহি পলাশনে দু*র্নীতির বি*স্ফো/রক অ"ভি*যোগ!
রাস্তা না বানিয়েই ২১ লক্ষ টাকা? ডিহি পলাশনে দু*র্নীতির বি*স্ফো/রক অ"ভি*যোগ!
    user_Memari Update News
    Memari Update News
    Photographer Memari I, Purba Burdwan•
    3 hrs ago
  • অনাস্থা ভোটে প্রধান নির্বাচন কে ঘিরে ব্যাপক উ/ত্তে/জ/না হাওড়া জগৎবল্লভপুরে
    1
    অনাস্থা ভোটে প্রধান নির্বাচন কে ঘিরে ব্যাপক উ/ত্তে/জ/না হাওড়া জগৎবল্লভপুরে
    user_JBP NEWS BANGLA
    JBP NEWS BANGLA
    Local News Reporter জগৎবল্লভপুর, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.