Shuru
Apke Nagar Ki App…
হুগলির বলাগড়ের নাটাগড় এলাকায় বৈশাখী সংক্রান্তি তিথিতে যুগ যুগ ধরে পালিত হয় বাবা নোয়াজনের মেলা। এই মেলায় মূলত তালশাঁস দিয়েই পুজো করা হয়, তাই স্থানীয়রা একে 'তালশাঁস মেলা' নামেই চেনেন।
Journalist Chiranjib Chatter
হুগলির বলাগড়ের নাটাগড় এলাকায় বৈশাখী সংক্রান্তি তিথিতে যুগ যুগ ধরে পালিত হয় বাবা নোয়াজনের মেলা। এই মেলায় মূলত তালশাঁস দিয়েই পুজো করা হয়, তাই স্থানীয়রা একে 'তালশাঁস মেলা' নামেই চেনেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- প্রতিবছরের মতো এই বছরও পবিত্র দশহরা তিথিতে গুপ্তিপাড়ায় গঙ্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পবিত্র গঙ্গাপূজা গুপ্তিপাড়ার খেয়াঘাট এলাকায় আয়োজিত হয়।1
- এখন সগুনা বাজারে সরকার অনুমোদিত 'প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি কেন্দ্র' চালু হয়েছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রয়োজনীয় সমস্ত জীবনদায়ী ওষুধ বাজার মূল্যের তুলনায় ৫০% থেকে ৯০% পর্যন্ত কম দামে সংগ্রহ করতে পারবেন, যা তাদের জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে। এখানে ২০০০-র বেশি গুণমানসম্পন্ন ওষুধ এবং ৩০০-র বেশি উন্নতমানের অস্ত্রোপচারের সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে। নিশ্চিত করা হয়েছে যে প্রতিটি ওষুধই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা সার্টিফাইড এবং উচ্চমানের ল্যাবরেটরি দ্বারা পরীক্ষিত।1
- তারাতলায় একটি কারখানার ছাদ ভেঙে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ভাটপাড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাশা এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর খবর পরিবারে পৌঁছামাত্র স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং গোটা এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। জানা গেছে, মৃত কৃষ্ণা চৌধুরী তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন এবং তাঁর আয়েই সংসার চলত। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুতে পরিবার কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের সদস্যরা তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ভাটপাড়ার পূর্বাশা এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের আবহ। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত। একমাত্র রোজগেরে মানুষকে হারিয়ে কৃষ্ণা চৌধুরীর পরিবার এখন গভীর সংকটের মুখোমুখি।3
- মোহনপুর পঞ্চায়েতের মোহনপুর থানার ঠিক আগে টায়ার ফেটে উল্টে গেল টমেটো বোঝাই একটি ৪০৭ গাড়ি। এই দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক ও খালাসী অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও সামান্য আঘাত পেয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গাড়ির সুন্দর লাল রঙের টমেটো সারা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। মহারাজা হোটেলের মালিক ও তাঁর কর্মচারীরা এই উদ্ধারকার্যে এগিয়ে এসে রাস্তায় ছড়িয়ে থাকা টমেটোগুলি কুড়িয়ে গাড়িতে তুলতে সাহায্য করেন, যা একটি মানবিক নজির সৃষ্টি করে। এ সময় মোহনপুর থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। মোহনপুর থানার আধিকারিকরা দাঁড়িয়ে থেকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা টমেটোগুলি অন্য একটি গাড়িতে তুলে দিতে সহায়তা করেন। দীর্ঘদিন পর পুলিশের এমন একটি মানবিক চরিত্র দেখে আমরা আনন্দিত।2
- শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য ও লোকবিশ্বাসকে ধারণ করে বুধবার নবদ্বীপে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী দশহরা গঙ্গাপুজো। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে গঙ্গার মর্ত্যে অবতরণকে স্মরণ করে পালিত এই পুজোয় বিভিন্ন ঘাটে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ঢল নামে, যা দিনভর নবদ্বীপকে উৎসবমুখর করে তোলে। ইতিহাসবিদদের মতে, সেন যুগ থেকেই নবদ্বীপে দশহরা উপলক্ষে গঙ্গাপুজোর প্রচলন রয়েছে। সে সময় নদীপথ বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম হওয়ায় বণিকেরা নিরাপদ যাত্রা ও ব্যবসার সাফল্য কামনায় গঙ্গামাতার আরাধনা করতেন। পৌরাণিক বিশ্বাস ও এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটই নবদ্বীপের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে রয়েছে। এ বছরও নবদ্বীপের রানীর ঘাট, শ্রীবাস অঙ্গন ঘাট, দেয়ারাপাড়া, ফাঁসিতলা-সহ একাধিক গঙ্গার ঘাটে গঙ্গামাতার পুজোর আয়োজন করা হয়। সুদৃশ্য প্রতিমা, ধর্মীয় আচার, ঢাকের বাদ্যি এবং ভক্তদের ভিড়ে ঘাটগুলি উৎসবের আমেজে ভরে ওঠে। পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘাটে বসেছিল অস্থায়ী মেলা, যেখানে খেলনা, মিষ্টি, গৃহস্থালীর সামগ্রী ও নানা পণ্যের দোকানে ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র ছিল শ্রীবাস অঙ্গন ঘাটের সবজি ব্যবসায়ীদের আয়োজিত গঙ্গাপুজো, যার ঐতিহ্য ৬৯ বছরেরও বেশি পুরনো। এই পুজোয় এবারও সু-উচ্চ গঙ্গামাতার প্রতিমা, ঢাক ও ব্যান্ডপার্টির আয়োজন ছিল। পুজো কমিটির সদস্য প্রসেনজিৎ সাহা জানান যে, গৌরাঙ্গ সেতু নির্মাণের আগে সবজি ব্যবসায়ীরা নৌকায় করেই গঙ্গা পারাপার করতেন এবং নদীপথে বিপদ এড়ানোর প্রার্থনাতেই এই পুজোর সূচনা হয়েছিল। আজও সেই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রয়েছে। এই উৎসবকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন গঙ্গার ঘাটে কড়া প্রশাসনিক নজরদারি ছিল। পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সমস্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। নবদ্বীপের দশহরা গঙ্গাপুজো কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি শহরের ইতিহাস, নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা এবং লোকঐতিহ্যের এক জীবন্ত স্মারক, যা প্রতি বছর হাজারো মানুষকে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আনন্দে মাতিয়ে তোলে।1
- গতকাল, নিজের কন্যার খুনের বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন তামান্নার মা। এই সাক্ষাতের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনায় আরও দুজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তামান্নার মায়ের সাথে 'ডিজি'র সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া এই দুই অভিযুক্তের নাম সাবির শেখ ও জিয়ারুল শেখ। তাদেরকে আজ কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হয় এবং দশদিনের পুলিশি হেফাজত চাওয়া হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যদিও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে। তামান্নার মায়ের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকারের ভিডিও এবং তামান্না ও তার মায়ের ছবি এই খবরের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা সংগৃহীত।1
- বুধবার কল্যাণীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরচর এলাকার ওয়ার্ড অফিস খুলতেই সেখানে থরে থরে খালি বিয়ারের বোতল, গুচ্ছ গুচ্ছ আধার কার্ড, বিভিন্ন সরকারি নথি সহ কন্ডোমের প্যাকেট পাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা হঠাৎই ওয়ার্ড অফিসে ঢুকে পড়ে এই আপত্তিকর দৃশ্য দেখে। টেবিলের ওপর খালি বিয়ারের বোতলগুলি সাজানো ছিল এবং ঘরের কোণে কন্ডোমের প্যাকেটও ইতস্তত ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া, সেখানে প্রচুর আধার কার্ড এবং অন্যান্য সরকারি নথিও পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্যামল দাসকে ধিক্কার জানায় এবং তাঁর গায়ে ডিম ছুঁড়ে মারে। বিপুল সংখ্যক মানুষ ওয়ার্ড অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কল্যাণী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়।4
- গয়েশপুর অঞ্চলে একসময় তৃণমূলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন টাউন সভাপতি মিন্টু দে-কে তৃণমূলের যুব অফিসে বসে থাকতে দেখে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়, চর-থাপ্পড় মারা হয়, মারধর করে তার গেঞ্জি খুলে নেওয়া হয় এবং শুরু হয় 'ডিম থেরাপি'। মিন্টু দে-র বিরুদ্ধে মানুষকে ভয় দেখানো, মারধর করা এবং সরকারি জমি বিক্রি করে লোক বসানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি গয়েশপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মরণ দে-র ভাই। এই ঘটনায় তৃণমূলের নেপাল নামে আরেকজনকেও সাধারণ মানুষ মারধর করে, তবে সে কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন। অন্যদিকে, গতকাল রাতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর টুম্পার বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার প্রায় ৫০-৬০ জন লোক। পম্পার অভিযোগ, জনতা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায়, জানালার কাঁচ ভেঙে দেয় এবং বাইরে রাখা মোটর বাইকও ভাঙচুর করে। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলিও ভেঙে ফেলা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।1