২১ জুন বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে গড়িয়া মৈত্রী সংঘের খেলার মাঠে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস অনুষ্ঠানে আকস্মিকভাবে উত্তেজনা ছড়ায়। বিশিষ্ট সমাজসেবী অঞ্জন দে-র উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে টালিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী এবং রামকৃষ্ণ মিশনের একজন মহারাজসহ বিপুল সংখ্যক মহিলা ও পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ নিজে যোগাসনে অংশ নিয়ে উপস্থিতদের বিভিন্ন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ায় অনুষ্ঠানটি শুরুতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশেই চলছিল। তবে, কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর সেই পরিবেশ দ্রুত পাল্টে যায়। আদি বিজেপি এবং নব্য বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে রূপান্তরিত হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে অভিযোগ উঠেছে চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত ছুড়ে ফেলা হয়েছে। এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে উপস্থিত বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
২১ জুন বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে গড়িয়া মৈত্রী সংঘের খেলার মাঠে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস অনুষ্ঠানে আকস্মিকভাবে উত্তেজনা ছড়ায়। বিশিষ্ট সমাজসেবী অঞ্জন দে-র উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে টালিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী এবং রামকৃষ্ণ মিশনের একজন মহারাজসহ বিপুল সংখ্যক মহিলা ও পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ নিজে যোগাসনে অংশ নিয়ে উপস্থিতদের বিভিন্ন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ায় অনুষ্ঠানটি শুরুতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশেই চলছিল। তবে, কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর সেই পরিবেশ দ্রুত পাল্টে যায়। আদি বিজেপি এবং নব্য বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে রূপান্তরিত হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে অভিযোগ উঠেছে চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত ছুড়ে ফেলা হয়েছে। এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে উপস্থিত বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
- ২১ জুন বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে গড়িয়া মৈত্রী সংঘের খেলার মাঠে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস অনুষ্ঠানে আকস্মিকভাবে উত্তেজনা ছড়ায়। বিশিষ্ট সমাজসেবী অঞ্জন দে-র উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে টালিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী এবং রামকৃষ্ণ মিশনের একজন মহারাজসহ বিপুল সংখ্যক মহিলা ও পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ নিজে যোগাসনে অংশ নিয়ে উপস্থিতদের বিভিন্ন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ায় অনুষ্ঠানটি শুরুতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশেই চলছিল। তবে, কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর সেই পরিবেশ দ্রুত পাল্টে যায়। আদি বিজেপি এবং নব্য বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে রূপান্তরিত হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে অভিযোগ উঠেছে চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত ছুড়ে ফেলা হয়েছে। এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে উপস্থিত বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- ঐতিহ্যমণ্ডিত জয়নগর-মজিলপুরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে উক্ত অঞ্চলে যোগ দিবস পালিত হয়।1
- এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ‘Yoga for Healthy Ageing’ থিমকে সামনে রেখে যোগচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং এতে কয়েক হাজার অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে বিশাল যোগ অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন Narendra Modi। এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন এবং প্রধানমন্ত্রী সকলের সঙ্গে যোগাসন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে যোগ শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সুস্থতার বার্তা বহন করে।1
- কালীঘাটে তৃণমূল দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক সম্পন্ন হওয়ার পর কুনাল ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।1
- বিজেপি সরকার যেখানে প্রতিটি বাড়িতে স্মার্ট মিটার স্থাপনের কথা বলছে, সেখানে জনগণের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছে যে তারা এই মিটার লাগাতে ইচ্ছুক কিনা এবং তাদের মন্তব্য জানাতে বলা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে যে, স্মার্ট মিটার লাগানোর পর প্রতি মাসে ১২,০০০ টাকার 'স্মার্ট বিল' আসছে। এই উচ্চ বিলের পরিপ্রেক্ষিতে, এখন সবাইকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- হলদিয়া পৌরসভার প্রেস কর্ণারের উদ্যোগে এই এলাকায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে হলদিয়ার মহকুমাশাসক তথা পুর-প্রশাসক সুরভী সিংলা, বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগণার নরেন্দ্রপুর বিবেকানন্দ নগর ৩ সেক্টরের রাস্তায় কাগজের ছেনা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।1
- ২১ জুন বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে গড়িয়া মৈত্রী সংঘের খেলার মাঠে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিশিষ্ট সমাজসেবী অঞ্জন দে-র উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে টালিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী সহ বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। রামকৃষ্ণ মিশনের একজন মহারাজও যোগাসনে অংশ নেন এবং উপস্থিতদের প্রশিক্ষণ দেন, যার ফলে অনুষ্ঠানটি শুরুতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে চলছিল। তবে কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরই পরিস্থিতি হঠাৎ পাল্টে যায়। আদি বিজেপি এবং নব্য বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা দ্রুত ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির রূপ নেয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত ছুড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে, যা অনুষ্ঠানস্থলের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়। এই চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে উপস্থিত বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1