Shuru
Apke Nagar Ki App…
আজ সারা রাজ্য জুড়ে যোগা দিবস পালিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সামনেও বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে যোগা দিবস উদযাপন করা হয়।
Gopi kishor Bera
আজ সারা রাজ্য জুড়ে যোগা দিবস পালিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সামনেও বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে যোগা দিবস উদযাপন করা হয়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আজ সারা রাজ্য জুড়ে যোগা দিবস পালিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সামনেও বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে যোগা দিবস উদযাপন করা হয়।1
- হলদিয়া পুরসভার বিশেষ উদ্যোগে হলদি নদীর তীরে পালিত হয়েছে যোগা দিবস। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী এবং মহকুমাশাসক তথা পুর-প্রশাসক সুরভি সিংলা। এছাড়াও পুরসভার একাধিক আধিকারিকরাও যোগা দিবসের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।1
- এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ‘Yoga for Healthy Ageing’ থিমকে সামনে রেখে যোগচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং এতে কয়েক হাজার অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে বিশাল যোগ অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন Narendra Modi। এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন এবং প্রধানমন্ত্রী সকলের সঙ্গে যোগাসন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে যোগ শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সুস্থতার বার্তা বহন করে।1
- ঐতিহ্যমণ্ডিত জয়নগর-মজিলপুরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে উক্ত অঞ্চলে যোগ দিবস পালিত হয়।1
- স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভুবনখালী প্রতিবন্ধী সমবায় উন্নয়ন সমিতির ব্যবস্থাপনায় কুলতলির দয়ালের মোড়ে আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উদযাপিত হয়েছে। এই আয়োজনে পাঁচ শতাধিক প্রতিবন্ধী অংশগ্রহণ করেন।1
- বাজারে বিক্রীত পনিরের মান এবং আসলত্ব নিয়ে একটি গভীর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পোস্টটিতে জানানো হয়েছে যে, যা পনির বলে বিক্রি করা হচ্ছে, তা হয়তো আদৌ পনির নয় এবং এর সঙ্গে একটি 'ভয়ংকর সত্যি' জড়িত আছে। এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে যে, সাধারণ মানুষ অজান্তেই কী ধরনের খাদ্যদ্রব্য কিনছে এবং গ্রহণ করছে।1
- বিজেপি প্রার্থী বিকাশ হালদার বাসন্তী এলাকার জন্য কী বলেছেন এবং তিনি কী করতে চান, তা নিয়ে এই পোস্টে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- এক অনন্য মুহূর্তে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী, যা দর্শক-শ্রোতাদের সান্নিধ্যে আরও বিশেষ হয়ে ওঠে। মৈত্রীর সুরেলা কণ্ঠের গান এবং মিতির মনোমুগ্ধকর নৃত্য উপস্থিত সকলকে মুগ্ধতায় বেঁধে রাখে। এই বিশেষ সময় এবং স্মরণীয় সন্ধ্যা সকলের হৃদয়ে আজীবন অমলিন স্মৃতি হয়ে থাকবে।1