Shuru
Apke Nagar Ki App…
জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে লাল বাতি লাগানো গাড়িতে দেখা গেছে প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামীকে।
Sk tousif
জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে লাল বাতি লাগানো গাড়িতে দেখা গেছে প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামীকে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ইন্দাস বিধানসভার বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে কী বার্তা দিয়েছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।1
- জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে লাল বাতি লাগানো গাড়িতে দেখা গেছে প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামীকে।2
- ডঙ্কা-কাঁসরের সুমধুর সুরে মুখরিত পরিবেশে বেতাইয়ে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ অত্যন্ত মহাসমারোহে পালিত হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম সর্ববৃহৎ মেগা ড্রোন শো আয়োজিত হয়েছে। এই ঐতিহাসিক এবং নজরকাড়া অনুষ্ঠানের ছবি সরাসরি তুলে ধরা হচ্ছে।1
- বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর থানা আসন্ন ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্বজুড়ে সুস্থ জীবনের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে, কোতুলপুর থানার পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা নিয়মিত যোগাভ্যাস করছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই উদ্যোগের মূলমন্ত্র হলো— "যোগ হোক প্রতিদিনের অভ্যাস, সুস্থ ও স্বনির্ভর থাকুক সর্বদা"। থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিন্দেশ্বর গড়াই এবং সার্কেল ইন্সপেক্টরের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন সকালে থানা চত্বরেই এই যোগচর্চা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রাণায়াম, সূর্য নমস্কার এবং বিভিন্ন আসনের অনুশীলন করছেন। পুলিশের পেশার চরম কর্মব্যস্ততা, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের পরিপ্রেক্ষিতে শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোতুলপুর থানার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাসের ফলে কর্মীদের মধ্যে একাগ্রতা, ধৈর্য ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে ২১ জুন কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত রাজ্যস্তরের বৃহৎ যোগ অনুষ্ঠানের কথা মাথায় রেখে কোতুলপুর থানাও তাদের যোগাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতার কর্মসূচিকে আরও জোরদার করেছে। থানার এই উদ্যোগ কেবল পুলিশ কর্মীদের সুস্থ রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, তারা সাধারণ মানুষের মধ্যেও যোগাভ্যাসের গুরুত্ব ও সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই ইতিবাচক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। থানার ওসি বিন্দেশ্বর গড়াই বলেছেন যে, সুস্থ শরীরে সুস্থ মন থাকে এবং তারা চান যে তাদের বাহিনী শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকুক, যাতে তারা আরও ভালোভাবে জনগণকে পরিষেবা দিতে পারে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যোগ দিবস শুধু একদিনের জন্য নয়, যোগ হোক প্রতিদিনের অভ্যাস।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিনে গোঘাটের পশ্চিমপাড়ার ঝরিয়া শ্রীরামকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দিবস পালিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।1
- বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের দিবাকরবাটি গ্রামে নিউ স্টার ক্লাবের উদ্যোগে অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাবা শান্তিনাথ শিবমূর্তির শুভ উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্দাস বিধানসভার বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। এছাড়াও সোমসার রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ, ইন্দাস মণ্ডল-১-এর সহ-সভাপতি সৌরভ বৈরাগ্য এবং সঞ্জয় রায়সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলের স্তবক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর সোমসার রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ ও বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা যৌথভাবে ফিতে কেটে বাবা শান্তিনাথ শিবমূর্তির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর মোমবাতি জ্বালিয়ে বাবা শান্তিনাথের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা ও পূজা অর্চনা করা হয়। শিবমূর্তি উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের বিপুল সমাগম দেখা যায়। দিনভর পূজা-অর্চনা, হোমযজ্ঞ, নামসংকীর্তনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলে। পাশাপাশি, দুঃস্থ ব্যক্তিদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয় এবং একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। এই ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনকে ঘিরে দিবাকরবাটি গ্রামসহ আশেপাশের এলাকাগুলিতে এক উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সমাজসেবামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বাবা শান্তিনাথ শিবমূর্তির প্রতিষ্ঠা গ্রামে ধর্মীয় চেতনা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকা ভক্তি, আনন্দ ও উৎসাহে মুখরিত হয়ে ওঠে।2
- সাঁইতারা গ্রামের একজন প্রতিবন্ধী ছেলেকে কাজ পেতে কোনো প্রকার সাহায্য করা হয়নি। তার এই অবস্থাতেও কর্মসংস্থানের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি, যার ফলে তাকে কাজ পেতে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।3