ঈদের আগে আলোর ঝলকে ঝলমল জলঙ্গি! সাগরপাড়া থেকে ফকিরাবাদ—আলোকসজ্জায় সেজে উঠছে প্রতিটি রাস্তা ও মসজিদ! ঈদের খুশিতে আলোকিত জলঙ্গি! পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে গোটা দেশ। আর সেই আনন্দের ঢেউ লেগেছে জলঙ্গি ব্লক জুড়েও। আগামী শনিবার উদযাপিত হতে চলা মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সাজ সাজ রব চারিদিকে। মসজিদ থেকে শুরু করে রাস্তা, ঈদগাহ—সবখানেই চলছে জোর কদমে সাজসজ্জার কাজ। জলঙ্গির সাগরপাড়া, ধনিরামপুর, ফকিরাবাদ সহ একাধিক এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে গোটা অঞ্চল। রাস্তাঘাট, মসজিদ প্রাঙ্গণ, ঈদগাহ—সবখানেই যেন উৎসবের আমেজ স্পষ্ট। এক মাসব্যাপী রোজা পালনের পর আসে এই খুশির ঈদ। তাই স্বাভাবিকভাবেই আনন্দের মাত্রা এখন তুঙ্গে। রোজা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন পোশাক কেনা, কেনাকাটার ভিড়—সব মিলিয়ে জমে উঠেছে ঈদের প্রস্তুতি। ছোট থেকে বড়, যুবক-যুবতী থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সবাই মেতে উঠেছেন উৎসবের আনন্দে। জলঙ্গি জুড়ে এখন একটাই বার্তা—আসছে ঈদ, আসছে খুশির দিন!
ঈদের আগে আলোর ঝলকে ঝলমল জলঙ্গি! সাগরপাড়া থেকে ফকিরাবাদ—আলোকসজ্জায় সেজে উঠছে প্রতিটি রাস্তা ও মসজিদ! ঈদের খুশিতে আলোকিত জলঙ্গি! পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে গোটা দেশ। আর সেই আনন্দের ঢেউ লেগেছে জলঙ্গি ব্লক জুড়েও। আগামী শনিবার উদযাপিত হতে চলা মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সাজ সাজ রব চারিদিকে। মসজিদ থেকে শুরু করে রাস্তা, ঈদগাহ—সবখানেই চলছে জোর কদমে সাজসজ্জার কাজ। জলঙ্গির সাগরপাড়া, ধনিরামপুর, ফকিরাবাদ সহ একাধিক এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে গোটা অঞ্চল। রাস্তাঘাট, মসজিদ প্রাঙ্গণ, ঈদগাহ—সবখানেই যেন উৎসবের আমেজ স্পষ্ট। এক মাসব্যাপী রোজা পালনের পর আসে এই খুশির ঈদ। তাই স্বাভাবিকভাবেই আনন্দের মাত্রা এখন তুঙ্গে। রোজা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন পোশাক কেনা, কেনাকাটার ভিড়—সব মিলিয়ে জমে উঠেছে ঈদের প্রস্তুতি। ছোট থেকে বড়, যুবক-যুবতী থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সবাই মেতে উঠেছেন উৎসবের আনন্দে। জলঙ্গি জুড়ে এখন একটাই বার্তা—আসছে ঈদ, আসছে খুশির দিন!
- জলঙ্গীতে জমে উঠছে ত্রিমুখী লড়াই! ফিরলেন পুরনো মুখ ইউনুস সরকার 🔥 জলঙ্গী বিধানসভায় সিপিএম বড় চমক দিল! প্রার্থী করা হলো চার বারের বিধায়ক ইউনুস সরকারকে। প্রার্থী ঘোষণার পরই ময়দানে নেমে পড়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাহেবনগর বাজার ও ধনিরামপুর বাজারে হাজির হয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে করেন জনসংযোগ। বের হয় মিছিল, ওঠে জোরালো শ্লোগান— ইউনুস সরকারকে ঘিরে পুরনো কর্মীদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো! 👉 উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত টানা চারবার বিধায়ক ছিলেন ইউনুস সরকার। এরপর ২০১১ সালে নতুন মুখ হিসেবে আব্দুর রাজ্জাককে টিকিট দেওয়া হয়, যিনি পরে তৃণমূলে যোগ দেন। এবার ফের পুরনো ভরসাতেই বাজি ধরল সিপিএম। রাজনৈতিক মহলের মতে, জলঙ্গীতে এবার হতে চলেছে জমজমাট ত্রিমুখী লড়াই— ইতিমধ্যেই বিজেপি ও তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। 🗣️ ইউনুস সরকারের দাবি, “এবার লড়াই হবে সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে” — আর জয়ের ব্যাপারেও তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী! 👉 এখন বড় প্রশ্ন— শেষ হাসি কে হাসবে? বিউরো রিপোর্ট প্রতিদিন টাইম।1
- রমাজন শেষে খুশির ঈদে দুর্ঘটনা এড়াতে বার্তা দিল মুফতি ইসরাইল। দীর্ঘ এক মাস রোজা থাকার পর আগামী কাল শনিবার আসছে খুশির ঈদ আর এই খুশির ঈদে যেন কোন রকমের অপ্রীতিকার ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য বার্তা দিলেন মুফতি ইসরাইল আলী।1
- জঙ্গিপুরের বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বিজেপির কর্মী সমর্থকদের। বৃহস্পতিবার রঘুনাথগঞ্জ ফুল তারা মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান কর্মী সমর্থকরা। উল্লেখ করা যেতে পারে আজ, বিজেপির পক্ষ থেকে জঙ্গিপুর বিধানসভায় চিত্ত মুখার্জীকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়। ঠিক তারপরেই কার্যত তীব্র খুব পরিলক্ষিত হচ্ছে রঘুনাথগঞ্জে। দফায় দফায় বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়2
- নওদা ব্লকে কংগ্রেসে যোগদান, তৃণমূল ছেড়ে কুড়িটা পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে নওদা ব্লকের কেদার চাঁদপুর টু অঞ্চলে তৃণমূল ছেড়ে প্রায় কুড়িটি পরিবার কংগ্রেসে যোগদান করল। সংখ্যালঘু সভাপতি তারিক আজিজ ও অঞ্চল সভাপতি শাহীন মণ্ডলের নেতৃত্বে নওদা ব্লক কংগ্রেস সভাপতি মতিউর রহমান তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নওদার পর্যবেক্ষক গাবাই সহ জেলা কংগ্রেসের নেতা সুনীল মণ্ডল ।1
- virul news1
- Post by সত্য দর্পণ1
- বহরমপুরে প্রার্থী হচ্ছেন অধীর, এনিয়ে অধীরের দাবি, পার্টি বলছে দাঁড়াতে তাই আমাকে দাঁড়াতে হচ্ছে। কী করবো আমি একজন পার্টির সৈনিক। বহরমপুরের এমপি ছিলাম আমি, আমি তো বাইরের কিছু না। অস্বস্তি একটা লাগবে এতদিন একটা ভাবে রাজনীতি করেছি , হঠাত করে এমএলএ ভোট করতে হবে।1
- ঈদের খুশিতে আলোকিত জলঙ্গি! পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে গোটা দেশ। আর সেই আনন্দের ঢেউ লেগেছে জলঙ্গি ব্লক জুড়েও। আগামী শনিবার উদযাপিত হতে চলা মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সাজ সাজ রব চারিদিকে। মসজিদ থেকে শুরু করে রাস্তা, ঈদগাহ—সবখানেই চলছে জোর কদমে সাজসজ্জার কাজ। জলঙ্গির সাগরপাড়া, ধনিরামপুর, ফকিরাবাদ সহ একাধিক এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে গোটা অঞ্চল। রাস্তাঘাট, মসজিদ প্রাঙ্গণ, ঈদগাহ—সবখানেই যেন উৎসবের আমেজ স্পষ্ট। এক মাসব্যাপী রোজা পালনের পর আসে এই খুশির ঈদ। তাই স্বাভাবিকভাবেই আনন্দের মাত্রা এখন তুঙ্গে। রোজা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন পোশাক কেনা, কেনাকাটার ভিড়—সব মিলিয়ে জমে উঠেছে ঈদের প্রস্তুতি। ছোট থেকে বড়, যুবক-যুবতী থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সবাই মেতে উঠেছেন উৎসবের আনন্দে। জলঙ্গি জুড়ে এখন একটাই বার্তা—আসছে ঈদ, আসছে খুশির দিন!1