১৮ ই সেপ্টেম্বর দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা। হিন্দু বাঙ্গালীদের বারোমাসের তেরো পার্বণের একটা অন্যতম হচ্ছে দেব শিল্পীর পূজা। এই পূজা কে কেন্দ্র করেই ইতিমধ্যেই বাজারে এসে গেছে বিশ্বকর্মার প্রতিমা। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় একাংশ পরিবারের এবং মৃৎশিল্পীদের। এটা কিন্তু গল্প নয়! মিথ্যে কথাও নয়! একেবারে বাস্তব সত্য ঘটনা! বিশেষ করে, মৃৎশিল্পী যারা তাদের মাথায় হাত! তার একাধিক কারণ রয়েছে, একটি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার মূর্তি তৈরি করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তাতে করে বিক্রির পয়সায় খরচে তোলা বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি মরসুমে। তার কারণ, যারা পূজা করেন তাদেরও সমস্যা নানাবিধ। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক গুণ বেড়ে গেছে। পূজার আবরণ থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম প্রচন্ড ঊর্ধ্বমুখী! সাধারণ অংশের পরিবার যেভাবে বিগত বছরগুলিতে পূজা করে আসছিল, এবারে মূর্তি ক্রয় করে পূজা করা অত্যান্ত দুঃসাধ্য। তার কারণ, পূজা করা মানেই হচ্ছে টাকার খেলা। পুরোহিতের দক্ষিণাসহ সবকিছুই বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই কিছু কিছু গ্রামীণ এলাকার পরিবার মূর্তি ক্রয় না করে ফটো দিয়েই পূজা করার ভাবনা চিন্তা করছে। অপরদিকে, শিল্পী তারাও ভীষণ চিন্তা গ্রস্ত, কারণ মূর্তি তৈরি টাকা খরচ হয়, কম টাকায় বিক্রি করলে কি করে পরিবার চালাবে। যেমন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়, একাধিক কারখানা রয়েছে মূর্তির, এক প্রবীণ মৃৎশিল্পী গৌরাঙ্গ পাল (৭২) বৃদ্ধ বয়সেও পরিবার চালাতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মূর্তি তৈরি করে সারা বছর। কিন্তু এ বছর ক্রেতা সংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় ভীষণ চিন্তাগ্রস্ত। অপরদিকে প্রসেনজিৎ পাল, ৫০ টি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মা তৈরি করেছেন। উনাদের বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে এসে কাঠালিয়ায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মূর্তি নির্মাণে ব্যস্ত। কিন্ত প্রসেনজিৎ বাবু জানান দেখুন, এবারে বিশ্বকর্মার সমস্ত মূর্তি বিক্রি করা যাবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একদিকে কম দামে বিক্রি করা যাবে না। অপরদিকে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। অপরদিকে, এক আখ বিক্রেতা বিমল দাস। উনার বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে গাড়িতে করে প্রচুর আখ নিয়ে হাজির হয়েছেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়। বসে বসে ভাবনা চিন্তা করছেন আখের দাম আগের তুলনায় অনেকটাই কম। উনি একান্ত সাক্ষাতে দুঃখ প্রকাশ করে বলছেন, অতি প্রত্যাশা নিয়ে মেলাঘর থেকে কাঠালিয়া আসলাম! কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য! ক্রেতা সংখ্যা অনেকটাই কম। এই হচ্ছে বিশ্বকর্মা পূজার নীরব চেহারা! অন্যান্য বছর ঠিক যে কোন পূজা আসলে তারা থেকে মানুষের মনে একটা দোয়া দিয়ে যায়। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও বাস্তব ঘটনা, একেবারে কাঠালিয়া পূজার বাজার মন্দা ভাব! পূজায় এসে গেছে এমন কিছু বুঝা যাচ্ছে না । মানুষের মুখোমুখি শুধু অভাবের তাড়নানাই যেন প্রাধান্য পাচ্ছে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা। হিন্দু বাঙ্গালীদের বারোমাসের তেরো পার্বণের একটা অন্যতম হচ্ছে দেব শিল্পীর পূজা। এই পূজা কে কেন্দ্র করেই ইতিমধ্যেই বাজারে এসে গেছে বিশ্বকর্মার প্রতিমা। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় একাংশ পরিবারের এবং মৃৎশিল্পীদের। এটা কিন্তু গল্প নয়! মিথ্যে কথাও নয়! একেবারে বাস্তব সত্য ঘটনা! বিশেষ করে, মৃৎশিল্পী যারা তাদের মাথায় হাত! তার একাধিক কারণ রয়েছে, একটি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার মূর্তি তৈরি করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তাতে করে বিক্রির পয়সায় খরচে তোলা বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি মরসুমে। তার কারণ, যারা পূজা করেন তাদেরও সমস্যা নানাবিধ। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক গুণ বেড়ে গেছে। পূজার আবরণ থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম প্রচন্ড ঊর্ধ্বমুখী! সাধারণ অংশের পরিবার যেভাবে বিগত বছরগুলিতে পূজা করে আসছিল, এবারে মূর্তি ক্রয় করে পূজা করা অত্যান্ত দুঃসাধ্য। তার কারণ, পূজা করা মানেই হচ্ছে টাকার খেলা। পুরোহিতের দক্ষিণাসহ সবকিছুই বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই কিছু কিছু গ্রামীণ এলাকার পরিবার মূর্তি ক্রয় না করে ফটো দিয়েই পূজা করার ভাবনা চিন্তা করছে। অপরদিকে, শিল্পী তারাও ভীষণ চিন্তা গ্রস্ত, কারণ মূর্তি তৈরি টাকা খরচ হয়, কম টাকায় বিক্রি করলে কি করে পরিবার চালাবে। যেমন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়, একাধিক কারখানা রয়েছে মূর্তির, এক প্রবীণ মৃৎশিল্পী গৌরাঙ্গ পাল (৭২) বৃদ্ধ বয়সেও পরিবার চালাতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মূর্তি তৈরি করে সারা বছর। কিন্তু এ বছর ক্রেতা সংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় ভীষণ চিন্তাগ্রস্ত। অপরদিকে প্রসেনজিৎ পাল, ৫০ টি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মা তৈরি করেছেন। উনাদের বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে এসে কাঠালিয়ায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মূর্তি নির্মাণে ব্যস্ত। কিন্ত প্রসেনজিৎ বাবু জানান দেখুন, এবারে বিশ্বকর্মার সমস্ত মূর্তি বিক্রি করা যাবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একদিকে কম দামে বিক্রি করা যাবে না। অপরদিকে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। অপরদিকে, এক আখ বিক্রেতা বিমল দাস। উনার বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে গাড়িতে করে প্রচুর আখ নিয়ে হাজির হয়েছেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়। বসে বসে ভাবনা চিন্তা করছেন আখের দাম আগের তুলনায় অনেকটাই কম। উনি একান্ত সাক্ষাতে দুঃখ প্রকাশ করে বলছেন, অতি প্রত্যাশা নিয়ে মেলাঘর থেকে কাঠালিয়া আসলাম! কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য! ক্রেতা সংখ্যা অনেকটাই কম। এই হচ্ছে বিশ্বকর্মা পূজার নীরব চেহারা! অন্যান্য বছর ঠিক যে কোন পূজা আসলে তারা থেকে মানুষের মনে একটা দোয়া দিয়ে যায়। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও বাস্তব ঘটনা, একেবারে কাঠালিয়া পূজার বাজার মন্দা ভাব! পূজায় এসে গেছে এমন কিছু বুঝা যাচ্ছে না । মানুষের মুখোমুখি শুধু অভাবের তাড়নানাই যেন প্রাধান্য পাচ্ছে।
- ১৮ ই সেপ্টেম্বর দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা। হিন্দু বাঙ্গালীদের বারোমাসের তেরো পার্বণের একটা অন্যতম হচ্ছে দেব শিল্পীর পূজা। এই পূজা কে কেন্দ্র করেই ইতিমধ্যেই বাজারে এসে গেছে বিশ্বকর্মার প্রতিমা। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় একাংশ পরিবারের এবং মৃৎশিল্পীদের। এটা কিন্তু গল্প নয়! মিথ্যে কথাও নয়! একেবারে বাস্তব সত্য ঘটনা! বিশেষ করে, মৃৎশিল্পী যারা তাদের মাথায় হাত! তার একাধিক কারণ রয়েছে, একটি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার মূর্তি তৈরি করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তাতে করে বিক্রির পয়সায় খরচে তোলা বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি মরসুমে। তার কারণ, যারা পূজা করেন তাদেরও সমস্যা নানাবিধ। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক গুণ বেড়ে গেছে। পূজার আবরণ থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম প্রচন্ড ঊর্ধ্বমুখী! সাধারণ অংশের পরিবার যেভাবে বিগত বছরগুলিতে পূজা করে আসছিল, এবারে মূর্তি ক্রয় করে পূজা করা অত্যান্ত দুঃসাধ্য। তার কারণ, পূজা করা মানেই হচ্ছে টাকার খেলা। পুরোহিতের দক্ষিণাসহ সবকিছুই বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই কিছু কিছু গ্রামীণ এলাকার পরিবার মূর্তি ক্রয় না করে ফটো দিয়েই পূজা করার ভাবনা চিন্তা করছে। অপরদিকে, শিল্পী তারাও ভীষণ চিন্তা গ্রস্ত, কারণ মূর্তি তৈরি টাকা খরচ হয়, কম টাকায় বিক্রি করলে কি করে পরিবার চালাবে। যেমন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়, একাধিক কারখানা রয়েছে মূর্তির, এক প্রবীণ মৃৎশিল্পী গৌরাঙ্গ পাল (৭২) বৃদ্ধ বয়সেও পরিবার চালাতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মূর্তি তৈরি করে সারা বছর। কিন্তু এ বছর ক্রেতা সংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় ভীষণ চিন্তাগ্রস্ত। অপরদিকে প্রসেনজিৎ পাল, ৫০ টি দেব শিল্পী বিশ্বকর্মা তৈরি করেছেন। উনাদের বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে এসে কাঠালিয়ায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মূর্তি নির্মাণে ব্যস্ত। কিন্ত প্রসেনজিৎ বাবু জানান দেখুন, এবারে বিশ্বকর্মার সমস্ত মূর্তি বিক্রি করা যাবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একদিকে কম দামে বিক্রি করা যাবে না। অপরদিকে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। অপরদিকে, এক আখ বিক্রেতা বিমল দাস। উনার বাড়ি মেলাঘর, মেলাঘর থেকে গাড়িতে করে প্রচুর আখ নিয়ে হাজির হয়েছেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায়। বসে বসে ভাবনা চিন্তা করছেন আখের দাম আগের তুলনায় অনেকটাই কম। উনি একান্ত সাক্ষাতে দুঃখ প্রকাশ করে বলছেন, অতি প্রত্যাশা নিয়ে মেলাঘর থেকে কাঠালিয়া আসলাম! কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য! ক্রেতা সংখ্যা অনেকটাই কম। এই হচ্ছে বিশ্বকর্মা পূজার নীরব চেহারা! অন্যান্য বছর ঠিক যে কোন পূজা আসলে তারা থেকে মানুষের মনে একটা দোয়া দিয়ে যায়। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও বাস্তব ঘটনা, একেবারে কাঠালিয়া পূজার বাজার মন্দা ভাব! পূজায় এসে গেছে এমন কিছু বুঝা যাচ্ছে না । মানুষের মুখোমুখি শুধু অভাবের তাড়নানাই যেন প্রাধান্য পাচ্ছে।1
- গোকুলনগর ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে তিন গাড়ির সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন! গোকুলনগর ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে তিন গাড়ির সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন!1
- বর্ষার শেষলগ্নে জোড়া ঘূর্ণাবর্তের খাঁড়া: ত্রিপুরা সহ দেশের ২৫ রাজ্যে মেগা দুর্যোগের কড়া সতর্কতা। বর্ষার শেষলগ্নে জোড়া ঘূর্ণাবর্তের খাঁড়া: ত্রিপুরা সহ দেশের ২৫ রাজ্যে মেগা দুর্যোগের কড়া সতর্কতা। বর্ষার শেষলগ্নে জোড়া ঘূর্ণাবর্তের খাঁড়া: ত্রিপুরা সহ দেশের ২৫ রাজ্যে মেগা দুর্যোগের কড়া সতর্কতা। বর্ষা বিদায়ের মুখে দেশজুড়ে এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর-এর তাজা বুলেটিন অনুযায়ী, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উত্তরপ্রদেশ সহ দেশের প্রায় ২৫টি রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই জোড়া বিপদের পেছনে কাজ করছে দুটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত। উত্তর ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের উচ্চস্তরের একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং উত্তর-পূর্ব আসামের ওপর তৈরি হওয়া বায়ুমণ্ডলীয় ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই দেশের এক বিশাল অংশ জুড়ে এই মেগা দুর্যোগ ঘনীভূত হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চল ও সমতলে ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৮৫ কিলোমিটার বেগে তাণ্ডব চালাতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। পূর্ব ও উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোতে তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকাগুলোতে মারাত্মক ভূমিধসের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, আসাম, ত্রিপুরা, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ু সহ মোট ২৫টি রাজ্য এই দুর্যোগের সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বায়ুমণ্ডলীয় ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আমাদের রাজ্য ত্রিপুরাতেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং ভারী বৃষ্টির ব্যাপক আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় রাজ্য প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনগুলো ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে। এদিকে ১৬ সেপ্টেম্বর গোয়াতে গণেশ চতুর্থী এবং ওড়িশায় 'নুয়াখাই' উৎসব উপলক্ষ্যে আগে থেকেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে সার্বিক ছুটি ঘোষণা না হলেও, স্থানীয় আবহাওয়ার অবনতি ঘটলে জেলা প্রশাসন নিজস্ব বিবেচনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত বা ছুটি সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করবে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।1
- ⭕ শিশুদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রী, মোদীর জন্মদিনে শুরু মাসব্যাপী কর্মসূচি ✍️ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার থেকে ত্রিপুরায় শুরু হল মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানী আগরতলায় উজান অভয়নগরস্থিত চাইল্ড কেয়ার ইউনিট পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী টিংকু রায় এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা।1
- = পৃথক দুটি চুরির মামলায় তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার তিন চোরকে আটক করলো এনসিসি থানার পুলিশ।বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত বলেন এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস1
- ধলাই জেলা ৪৯ ছাওমনু বিধানসভা কেন্দ্রের মকর ছড়া অর্জুন মনে কার বাড়ি পাড়ায় বিজেপি দল ত্যাগ করে হয় পরিবারের ১৬ ভোটার তিপ্রা মথাতে যোগদান আজ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় মকর ছড়া অর্জুন মনি কারকাড়ি পাড়ায় একটু উঠান সভা হয় এই সভায় বিজেপি দল ত্যাগ করে ৬ পরিবারের ১৬ ভোটার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন নবাগত সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগতম জানাই তিপ্রা মথার ব্লক প্রেসিডেন্ট হংসকুমার ত্রিপুরা জয়সেন চাকমা হংসকুমার ত্রিপুরা নবাগত সদস্যদের কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তিপ্রা মথা দলে কাজ করার জন্য আহবান জানায় এবং তিনি নবাগতদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবে বলে আশ্বাস দেন অংশকুমার ত্রিপুরার বলেন যে যেভাবে বিজেপি দলকে ত্যাগ করে তিপ্রা মথা দলে যোগদান করছি তিনি নিশ্চিত এবার বিসি ইলেকশনে জয় নিশ্চিত বলে জানান হংশ কুমার ত্রিপুরা। ছাওমনু থেকে সুমন বড়ুয়ার রিপোর্ট1
- দেশের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধেয় Narendra Modi জির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ কর্মসূচি শেষে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে ভর্তি সকল রোগীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচিত পাশাপাশি, রাজ্যের মাননীয় মন্ত্রী Sudhangshu Das মহোদয়ও রোগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করে তাঁদের হাতে মিষ্টি তুলে দেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের সুস্থতা ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। 🙏🍬1
- মানসিক সচেতনতাকে কেন্দ্র করে সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে , সোনামুড়া ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ে এক সচেতনতা শিবির এবং রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয় বৃহস্পতিবার। এই উপলক্ষে মূলত আত্মহত্যা প্রতিরোধ এবং বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবসের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সোনামুড়া সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এম ও আই সি ডক্টর পার্থপ্রতিম দাস, নোডাল অফিসার সোমা দাস, সোনামুড়া ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল সহ অন্যান্যরা। মূলত ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জানান সোনামুড়া সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এমওআইসি ডক্টর পার্থ প্রতিম দাস। এই দিনের রক্তদান শিবিরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাশাপাশি বিভিন্ন অংশের রক্তদাতারা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন।1