বাপি প্রামাণিক খুনে নতুন মোড়! স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে, দাবি অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রীর বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক খুনের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন দাবি। এই ঘটনায় গ্রেফতার বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সুজন মণ্ডল-সহ চার অভিযুক্তকে মঙ্গলবার বারুইপুর থানায় আনা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুজন মণ্ডল ছাড়াও কৃষ্ণ মণ্ডল, কনক মণ্ডল এবং অনিল নাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যেই বিস্ফোরক দাবি করেছেন অভিযুক্ত সুজন মণ্ডলের স্ত্রী সুপর্ণা মণ্ডল। তাঁর দাবি, খুনের ঘটনার সময় তাঁর স্বামী ঘটনাস্থলে ছিলেন না। বরং ঘটনার দিন সুজন মণ্ডল বারুইপুরে নিরাপত্তারক্ষীর ডিউটিতে ছিলেন। তাঁর স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সুপর্ণার আরও দাবি, উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ার বিজেপি নেত্রী মৌসুমী মণ্ডল এবং বিজেপি কর্মী বাদল মণ্ডলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত নয়। উল্লেখ্য, উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিককে বাড়ি থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, এরপর তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তে নেমে প্রথমে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বারুইপুর থানার পুলিশ। পরে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এখন মূল প্রশ্ন—সুপর্ণা মণ্ডলের দাবি কি সত্যি? ঘটনার সময় সুজন মণ্ডল কোথায় ছিলেন? আর বাপি প্রামাণিক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণই বা কী? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত চালাচ্ছে বারুইপুর থানার পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সত্য বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের তদন্তেই পরিষ্কার হবে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসলে কারা এবং কী কারণ কাজ করেছে।
বাপি প্রামাণিক খুনে নতুন মোড়! স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে, দাবি অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রীর বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক খুনের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন দাবি। এই ঘটনায় গ্রেফতার বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সুজন মণ্ডল-সহ চার অভিযুক্তকে মঙ্গলবার বারুইপুর থানায় আনা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুজন মণ্ডল ছাড়াও কৃষ্ণ মণ্ডল, কনক মণ্ডল এবং অনিল নাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যেই বিস্ফোরক দাবি করেছেন অভিযুক্ত সুজন মণ্ডলের স্ত্রী সুপর্ণা মণ্ডল। তাঁর দাবি, খুনের ঘটনার সময় তাঁর স্বামী ঘটনাস্থলে ছিলেন না। বরং ঘটনার দিন সুজন মণ্ডল বারুইপুরে নিরাপত্তারক্ষীর ডিউটিতে ছিলেন। তাঁর স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সুপর্ণার আরও দাবি, উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ার বিজেপি নেত্রী মৌসুমী মণ্ডল এবং বিজেপি কর্মী বাদল মণ্ডলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত নয়। উল্লেখ্য, উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিককে বাড়ি থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, এরপর তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তে নেমে প্রথমে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বারুইপুর থানার পুলিশ। পরে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এখন মূল প্রশ্ন—সুপর্ণা মণ্ডলের দাবি কি সত্যি? ঘটনার সময় সুজন মণ্ডল কোথায় ছিলেন? আর বাপি প্রামাণিক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণই বা কী? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত চালাচ্ছে বারুইপুর থানার পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সত্য বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের তদন্তেই পরিষ্কার হবে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসলে কারা এবং কী কারণ কাজ করেছে।
- বাপি প্রামাণিক খুনে নতুন মোড়! স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে, দাবি অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রীর বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক খুনের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন দাবি। এই ঘটনায় গ্রেফতার বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সুজন মণ্ডল-সহ চার অভিযুক্তকে মঙ্গলবার বারুইপুর থানায় আনা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুজন মণ্ডল ছাড়াও কৃষ্ণ মণ্ডল, কনক মণ্ডল এবং অনিল নাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যেই বিস্ফোরক দাবি করেছেন অভিযুক্ত সুজন মণ্ডলের স্ত্রী সুপর্ণা মণ্ডল। তাঁর দাবি, খুনের ঘটনার সময় তাঁর স্বামী ঘটনাস্থলে ছিলেন না। বরং ঘটনার দিন সুজন মণ্ডল বারুইপুরে নিরাপত্তারক্ষীর ডিউটিতে ছিলেন। তাঁর স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সুপর্ণার আরও দাবি, উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ার বিজেপি নেত্রী মৌসুমী মণ্ডল এবং বিজেপি কর্মী বাদল মণ্ডলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত নয়। উল্লেখ্য, উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিককে বাড়ি থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, এরপর তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তে নেমে প্রথমে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বারুইপুর থানার পুলিশ। পরে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এখন মূল প্রশ্ন—সুপর্ণা মণ্ডলের দাবি কি সত্যি? ঘটনার সময় সুজন মণ্ডল কোথায় ছিলেন? আর বাপি প্রামাণিক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণই বা কী? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত চালাচ্ছে বারুইপুর থানার পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সত্য বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের তদন্তেই পরিষ্কার হবে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসলে কারা এবং কী কারণ কাজ করেছে।1
- রেশন কার্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হেনস্থার শিকার আমজনতা, ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে নাজেহাল মানুষ.1
- বারুইপুরে বিজেপির নেতা খুনের ঘটনা নিয়ে কি বললেন বিজেপির রাজ্য কমিটি সদস্য1
- বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪। পুলিশ তাদেরকে মঙ্গলবার আদালতে পেশ করে। বারুইপুর থানার অন্তর্গত হারদা গ্রাম পঞ্চায়েতে টাঙ্গারবেরিয়া এলাকায় রবিবার রাতে বিজেপির কর্মী বাপি প্রামানিক খুন হয়। সেই খুনের ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার ধৃত ব্যক্তিদের বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলে। পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতের মহামান্য বিচারকের কাছে ১০দিনের আবেদন জানায়।1
- গুড মর্নিং 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏বন্ধুরা সবাই ভালো থাকবেন।🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🦜🦜🦚🦚1
- ভাঙড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা ভগবানপুর হাই স্কুলে খুশীর উল্লাস। শিক্ষকদের ফুটবল টুর্নামেন্টের জয়ী। 👬⚽🇮🇳1
- মসজিদে মাইক বাজানোর প্রসঙ্গে , আরব দেশের প্রসঙ্গ টানলেন পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় ও জনসমাবেশে তারস্বরে মাইক বা লাউডস্পিকার বাজানো এবং শব্দদূষণ রোধ প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৬ সালের মে মাসে নবান্নে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের (ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং সমস্ত জেলার এসপি ও সিপি) নিয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই বিষয়ে স্পষ্ট এবং কড়া নির্দেশিকা জারি করেন। শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোনো মন্দির, মসজিদ বা বিশেষ ধর্মীয় স্থানকে আলাদা ছাড় দেওয়া হবে না। আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। শব্দসীমা লঙ্ঘন করলেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানে নির্ধারিত ডেসিবেল বা শব্দসীমা ছাড়িয়ে জোরে মাইক বা লাউডস্পিকার বাজালে পুলিশকে অবিলম্বে কড়া আইনি পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।1
- বারুইপুর বিডিও অফিসে অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন1