Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভাইরাল একটি গান, গানটি মানে যদি কেউ খুঁজে পান তাহলে দেখুন
Deep Sandhya
ভাইরাল একটি গান, গানটি মানে যদি কেউ খুঁজে পান তাহলে দেখুন
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মাঝে আর মাত্র একটি দিন, তারপরই আগামী ৪ মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে নির্ধারিত হবে বাংলার পরবর্তী সরকার। কার হাতে যাবে বাংলার মসনদ তৃণমূল কংগ্রেস নাকি ভারতীয় জনতা পার্টি, তা জানতে এখন অপেক্ষা গণনার দিন পর্যন্ত। দুর্গাপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে আপাতত বাক্সবন্দি অবস্থায় রয়েছে ইভিএম। ডিসিআরসি কক্ষে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে ভোট যন্ত্র গুলি। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ান ও রাজ্য পুলিশ। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কর্মীরাও নজরদারিতে রয়েছেন। ফল ঘোষণার আগে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরই। শনিবার দুপুর দুটোয় বিজেপি নেতা প্রদীপ মণ্ডল দাবি করেন, রাজ্যে অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ এবার সরব হয়েছে এবং তার প্রতিফলন ভোটে পড়বে। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখার্জী জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বে দল চতুর্থবারের জন্য সরকার গঠনে আশাবাদী। এখন সব জল্পনার অবসান হবে ৪ মে-র ফল ঘোষণাতেই। বাংলার মানুষ কাকে ক্ষমতায় বসাবেন, তার উত্তর মিলবে আর একদিন পরের অপেক্ষাতেই।1
- *বাজারে গেরুয়া আবির এর কদর বেশী* EVM বন্দি জনমত। ইভিএম সিল হয়ে গেছে স্ট্রং রুমে। কিন্তু ময়দানের লড়াই শেষ হতেই শুরু হয়ে গেছে অন্য লড়াই — আবিরের বাজারে। গণনার দিন বিজয় উৎসবের প্রস্তুতিতে জেলাজুড়ে এখন হু হু করে বিক্রি হচ্ছে লাল, সবুজ, গেরুয়া আবির। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফার মাধ্যমে রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাঁকুড়া শহরের রাসতলা পাইকারি দোকানগুলিতে ভিড় জমতে শুরু করে। 'শেষ হাসি হাসবেন তাঁরাই' ধরে নিয়ে সব দলের কর্মীরা বস্তা বস্তা আবির তুলছেন। বাঁকুড়া শহরের পাইকারি ব্যবসায়ী রাজু কুণ্ডু বলেন, এবার আবিরের চাহিদা বেশ ভালো। আপাতত গেরুয়া ৭০০ ও সবুজ আবির ৪০০ বস্তা এনেছিলাম। তবে গেরুয়া আবিরের চাহাদাই সব থেকে বেশী। আর এক ব্যবসায়ী বাপি দাস বলেন, লাল, সবুজ, গেরুয়া সব রঙের আবিরই রেখেছি। ব্যবসায়ী হিসেবে রাখতেই হবে। তবে ৪ তারিখে বোঝা যাবে। কিন্তু বাঁকুড়ায় বিজেপির জয়জয়কার হবে বলেই তিনি আশাপ্রকাশ করেন।3
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- ভোট গননা কেন্দ্রে তৃণমুল কংগ্রেসের এজেন্টদের নিয়ে ভার্চুয়ালি মিটিং করলেন তৃণমুল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পুরুলিয়া শহরে উপস্থিত ভার্চুয়ালি মিটিংএ।1
- Post by Jayashree Mondal1
- মে দিবসের সকালে সাজু সাজো রদ প্রতিটা আঙিনা থেকেই মানুষজন বেরিয়ে তাদের আবির ও রঙের ছোঁয়াতে মে দিবসের সকলকে রাঙিয়ে তুলতে এবং স্মরণীয় করে রাখতে যৌনপল্লীর কর্মীরা নম্বরে মে দিবস পালন করল।1
- ভোট গণনার আগে শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় দুর্গাপুরে বিজেপির নির্বাচনী কর্মশালা, উপস্থিত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। । সূত্রের খবর, মূলত ভোট গণনার দিন এজেন্টদের ভূমিকা, গণনাকেন্দ্রে করণীয় এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়েই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত থেকে কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন। পাশাপাশি ভোট গণনাকে ঘিরে দলীয় কর্মী ও নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার উপরও জোর দেওয়া হয়। দলীয় সূত্রে দাবি, গণনার দিন যাতে প্রতিটি টেবিলে সংগঠনের প্রতিনিধিরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই কর্মশালার আয়োজন। ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে উত্তেজনা। কোন দল শেষ পর্যন্ত জনসমর্থনের নিরিখে এগিয়ে থাকবে, তার উত্তর মিলবে ৪ঠা মে।1
- কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইন্দাসে ধানচাষীদের ব্যাপক ক্ষতি, জলের তলায় ফসল কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির জেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেন ইন্দাস ব্লকের বিরাশিমূল এলাকার ধান চাষীরা। প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে প্রায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সময় ধান কাটার মরশুম চলায় চাষীরা ইতিমধ্যেই ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আচমকা ঝড়-বৃষ্টিতে মাঠে জল জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে চাষীদের এখন বেশি খরচ করে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটতে হচ্ছে। সাঁকরুল এলাকার কৃষক আব্দুল আলিম জানান, “ঝড়-বৃষ্টির ফলে আমরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। ধান জলের মধ্যে ডুবে থাকায় তার গুণমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে কম দামে ধান বিক্রি করতে হবে। এখনও পর্যন্ত এক কাটা জমির ধানও বাড়িতে তুলতে পারিনি।” অন্যদিকে, বিরাশিমুল গ্রামের আরেক ধান চাষী দিলীপ নাগ বলেন, “জলের নিচে থাকার কারণে ধানের মান খারাপ হয়ে যাবে, ফলে বাজারে দামও কম মিলবে। অনেক ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চাষীদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। সরকার যদি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে, তাহলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।” এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আর্থিক সহায়তার দাবি উঠছে এলাকাজুড়ে।1
- Post by মুখার্জী নিউজ1