কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইন্দাসে ধানচাষীদের ব্যাপক ক্ষতি, জলের তলায় ফসল কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইন্দাসে ধানচাষীদের ব্যাপক ক্ষতি, জলের তলায় ফসল কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির জেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেন ইন্দাস ব্লকের বিরাশিমূল এলাকার ধান চাষীরা। প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে প্রায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সময় ধান কাটার মরশুম চলায় চাষীরা ইতিমধ্যেই ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আচমকা ঝড়-বৃষ্টিতে মাঠে জল জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে চাষীদের এখন বেশি খরচ করে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটতে হচ্ছে। সাঁকরুল এলাকার কৃষক আব্দুল আলিম জানান, “ঝড়-বৃষ্টির ফলে আমরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। ধান জলের মধ্যে ডুবে থাকায় তার গুণমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে কম দামে ধান বিক্রি করতে হবে। এখনও পর্যন্ত এক কাটা জমির ধানও বাড়িতে তুলতে পারিনি।” অন্যদিকে, বিরাশিমুল গ্রামের আরেক ধান চাষী দিলীপ নাগ বলেন, “জলের নিচে থাকার কারণে ধানের মান খারাপ হয়ে যাবে, ফলে বাজারে দামও কম মিলবে। অনেক ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চাষীদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। সরকার যদি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে, তাহলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।” এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আর্থিক সহায়তার দাবি উঠছে এলাকাজুড়ে।
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইন্দাসে ধানচাষীদের ব্যাপক ক্ষতি, জলের তলায় ফসল কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইন্দাসে ধানচাষীদের ব্যাপক ক্ষতি, জলের তলায় ফসল কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির জেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেন ইন্দাস ব্লকের বিরাশিমূল এলাকার ধান চাষীরা। প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে প্রায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সময় ধান কাটার মরশুম চলায় চাষীরা ইতিমধ্যেই ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আচমকা ঝড়-বৃষ্টিতে মাঠে জল জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে চাষীদের এখন বেশি খরচ করে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটতে হচ্ছে। সাঁকরুল এলাকার কৃষক আব্দুল আলিম জানান, “ঝড়-বৃষ্টির ফলে আমরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। ধান জলের মধ্যে ডুবে থাকায় তার গুণমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে কম দামে ধান বিক্রি করতে হবে। এখনও পর্যন্ত এক কাটা জমির ধানও বাড়িতে তুলতে পারিনি।” অন্যদিকে, বিরাশিমুল গ্রামের আরেক ধান চাষী দিলীপ নাগ বলেন, “জলের নিচে থাকার কারণে ধানের মান খারাপ হয়ে যাবে, ফলে বাজারে দামও কম মিলবে। অনেক ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চাষীদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। সরকার যদি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে, তাহলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।” এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আর্থিক সহায়তার দাবি উঠছে এলাকাজুড়ে।
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by Madhusudan Bhattacharya1
- দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় এক অভিনব উদ্যোগে কন্যার বিবাহ উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তথা দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের কার্যকরী কমিটির সদস্য লিটন খান। শনিবার মুচিপাড়ায় নিজের বাসভবনে আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে লিটন খানের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর নিজের ভাই-সহ পরিবারের মোট পাঁচজন রক্তদান করেন। সব মিলিয়ে ৩৫ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন, যার মধ্যে ছিলেন পাঁচজন মহিলা। শিবিরে সংগৃহীত রক্ত সংগ্রহ করে দুর্গাপুর সাব ডিভিশন ভলেন্টিয়ার সেন্টার। শিবিরের উদ্বোধন করেন কবি ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য রক্তদান আন্দোলনের নেতা রাজেশ পালিত, আইয়ুব আনসারী, সৌমেন চক্রবর্তী, সুদীপ দাস।, গায়েন রঞ্জন কুমার এবং চিকিৎসক কাবেরী কুন্ডু। দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ পালিত জানান, গ্রীষ্মকালীন সময় ও নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে এই ধরনের রক্তদান শিবির সরকারি ব্লাড সেন্টারে রক্তের মজুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি লিটন খানের পরিবার এবং সকল রক্তদাতাকে অভিনন্দন জানান।1
- Post by BANKURA EXPRESS1
- #শনিবার ফের ভোট বাংলায়, দেখুন কোন কোন জায়গায় ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাটের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচন, কড়া নজরদারিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীশেষ পর্যন্ত পুনির্বাচনের ঘোষণা করেই দিল নির্বাচন কমিশন। ফের ভোট হতে চলেছে ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাট পশ্চিমের ১৫ বুথে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে যাবে ভোট। অন্যদিকে ফলতার রিপোল নিয়ে চর্চা চললেও এখনও পর্যন্ত তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন। সকাল থেকেই বুথের বাইরে ভোটারদের ভিড় দেখা গিয়েছে। #পুনর্নির্বাচন নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত (West Bengal Assembly Election 2026) গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) হয়েছিল। তারপর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় সাত জেলার ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হলেও দ্বিতীয় দফায় কয়েকটি জায়গা থেকে গোলমালের অভিযোগ ওঠে। সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায়। সেখানে একটি বুথে ইভিএমে বিজেপি এবং সিপিএমের বোতামের উপর টেপ লাগানো ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। আবার উদয়নারায়ণপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ানের বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধ ভোটারকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ তোলে পরিবার। পরে ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) শেষ হওয়ার পর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল জানিয়েছিলেন, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পুনর্নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর কমিশন জানায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে আবার ভোট হবে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথ এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ভোট হচ্ছে। মগরাহাট পশ্চিমের ৪৬, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৪২, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২৩০, ২৩১ এবং ২৩২ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের ১১৭, ১৭৯, ১৯৪ এবং ২৪৩ নম্বর বুথেও ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) চলছে। সূত্রের খবর, কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ফলতার প্রায় ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করেছেন। যদিও এখনও সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও দাবি করেছেন, ফলতায় ফের ভোট হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ডায়মন্ড হারবারেও আরও কয়েকটি বুথে সমস্যা হয়েছিল। পুনর্নির্বাচন ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ বুথের সামনে নজরদারি চালাচ্ছে। কোথাও ভিড় করতে দেওয়া হচ্ছে না। এলাকায় টহলও দিচ্ছেন জওয়ানেরা। সকাল থেকে ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে। প্রথম এক ঘণ্টায় কোনও বড় গোলমালের খবর পাওয়া যায়নি। বুথের সামনে সকাল থেকেই ভোটারদের লাইন দেখা যায়। অনেকেই বলেন, আগের ভোট বাতিল হওয়ায় আবার ভোট দিতে হচ্ছে। বিএলওরা শুক্রবার রাতেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে #পুনর্নির্বাচনের খবর জানিয়েছেন বলেও দাবি ভোটারদের।3
- পুনর নির্বাচন চলেছে ডায়মন্ডহারবার ২৪৩ নম্বর বুথে,সকাল থেকে লাইন1
- কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইন্দাসে ধানচাষীদের ব্যাপক ক্ষতি, জলের তলায় ফসল কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির জেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেন ইন্দাস ব্লকের বিরাশিমূল এলাকার ধান চাষীরা। প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে প্রায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সময় ধান কাটার মরশুম চলায় চাষীরা ইতিমধ্যেই ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আচমকা ঝড়-বৃষ্টিতে মাঠে জল জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে চাষীদের এখন বেশি খরচ করে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটতে হচ্ছে। সাঁকরুল এলাকার কৃষক আব্দুল আলিম জানান, “ঝড়-বৃষ্টির ফলে আমরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। ধান জলের মধ্যে ডুবে থাকায় তার গুণমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে কম দামে ধান বিক্রি করতে হবে। এখনও পর্যন্ত এক কাটা জমির ধানও বাড়িতে তুলতে পারিনি।” অন্যদিকে, বিরাশিমুল গ্রামের আরেক ধান চাষী দিলীপ নাগ বলেন, “জলের নিচে থাকার কারণে ধানের মান খারাপ হয়ে যাবে, ফলে বাজারে দামও কম মিলবে। অনেক ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চাষীদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। সরকার যদি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে, তাহলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।” এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আর্থিক সহায়তার দাবি উঠছে এলাকাজুড়ে।1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- মাঝে আর মাত্র একটি দিন, তারপরই আগামী ৪ মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে নির্ধারিত হবে বাংলার পরবর্তী সরকার। কার হাতে যাবে বাংলার মসনদ তৃণমূল কংগ্রেস নাকি ভারতীয় জনতা পার্টি, তা জানতে এখন অপেক্ষা গণনার দিন পর্যন্ত। দুর্গাপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে আপাতত বাক্সবন্দি অবস্থায় রয়েছে ইভিএম। ডিসিআরসি কক্ষে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে ভোট যন্ত্র গুলি। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ান ও রাজ্য পুলিশ। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কর্মীরাও নজরদারিতে রয়েছেন। ফল ঘোষণার আগে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরই। শনিবার দুপুর দুটোয় বিজেপি নেতা প্রদীপ মণ্ডল দাবি করেন, রাজ্যে অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ এবার সরব হয়েছে এবং তার প্রতিফলন ভোটে পড়বে। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখার্জী জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বে দল চতুর্থবারের জন্য সরকার গঠনে আশাবাদী। এখন সব জল্পনার অবসান হবে ৪ মে-র ফল ঘোষণাতেই। বাংলার মানুষ কাকে ক্ষমতায় বসাবেন, তার উত্তর মিলবে আর একদিন পরের অপেক্ষাতেই।1