দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় এক অভিনব উদ্যোগে কন্যার বিবাহ উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তথা দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের কার্যকরী কমিটির সদস্য দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় এক অভিনব উদ্যোগে কন্যার বিবাহ উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তথা দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের কার্যকরী কমিটির সদস্য লিটন খান। শনিবার মুচিপাড়ায় নিজের বাসভবনে আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে লিটন খানের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর নিজের ভাই-সহ পরিবারের মোট পাঁচজন রক্তদান করেন। সব মিলিয়ে ৩৫ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন, যার মধ্যে ছিলেন পাঁচজন মহিলা। শিবিরে সংগৃহীত রক্ত সংগ্রহ করে দুর্গাপুর সাব ডিভিশন ভলেন্টিয়ার সেন্টার। শিবিরের উদ্বোধন করেন কবি ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য রক্তদান আন্দোলনের নেতা রাজেশ পালিত, আইয়ুব আনসারী, সৌমেন চক্রবর্তী, সুদীপ দাস।, গায়েন রঞ্জন কুমার এবং চিকিৎসক কাবেরী কুন্ডু। দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ পালিত জানান, গ্রীষ্মকালীন সময় ও নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে এই ধরনের রক্তদান শিবির সরকারি ব্লাড সেন্টারে রক্তের মজুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি লিটন খানের পরিবার এবং সকল রক্তদাতাকে অভিনন্দন জানান।
দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় এক অভিনব উদ্যোগে কন্যার বিবাহ উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তথা দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের কার্যকরী কমিটির সদস্য দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় এক অভিনব উদ্যোগে কন্যার বিবাহ উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তথা দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের কার্যকরী কমিটির সদস্য লিটন খান। শনিবার মুচিপাড়ায় নিজের বাসভবনে আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে লিটন খানের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর নিজের ভাই-সহ পরিবারের মোট পাঁচজন রক্তদান করেন। সব মিলিয়ে ৩৫ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন, যার মধ্যে ছিলেন পাঁচজন মহিলা। শিবিরে সংগৃহীত রক্ত সংগ্রহ করে দুর্গাপুর সাব ডিভিশন ভলেন্টিয়ার সেন্টার। শিবিরের উদ্বোধন করেন কবি ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য রক্তদান আন্দোলনের নেতা রাজেশ পালিত, আইয়ুব আনসারী, সৌমেন চক্রবর্তী, সুদীপ দাস।, গায়েন রঞ্জন কুমার এবং চিকিৎসক কাবেরী কুন্ডু। দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ পালিত জানান, গ্রীষ্মকালীন সময় ও নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে এই ধরনের রক্তদান শিবির সরকারি ব্লাড সেন্টারে রক্তের মজুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি লিটন খানের পরিবার এবং সকল রক্তদাতাকে অভিনন্দন জানান।
- দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় এক অভিনব উদ্যোগে কন্যার বিবাহ উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তথা দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের কার্যকরী কমিটির সদস্য লিটন খান। শনিবার মুচিপাড়ায় নিজের বাসভবনে আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে লিটন খানের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর নিজের ভাই-সহ পরিবারের মোট পাঁচজন রক্তদান করেন। সব মিলিয়ে ৩৫ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন, যার মধ্যে ছিলেন পাঁচজন মহিলা। শিবিরে সংগৃহীত রক্ত সংগ্রহ করে দুর্গাপুর সাব ডিভিশন ভলেন্টিয়ার সেন্টার। শিবিরের উদ্বোধন করেন কবি ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য রক্তদান আন্দোলনের নেতা রাজেশ পালিত, আইয়ুব আনসারী, সৌমেন চক্রবর্তী, সুদীপ দাস।, গায়েন রঞ্জন কুমার এবং চিকিৎসক কাবেরী কুন্ডু। দুর্গাপুর মহকুমা ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ পালিত জানান, গ্রীষ্মকালীন সময় ও নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে এই ধরনের রক্তদান শিবির সরকারি ব্লাড সেন্টারে রক্তের মজুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি লিটন খানের পরিবার এবং সকল রক্তদাতাকে অভিনন্দন জানান।1
- Post by Deep Sandhya1
- Post by BANKURA EXPRESS1
- মেজিয়া: টানা দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের জামগাড়ী, বাঁকদহ-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার নন্দনপুর সাব-স্টেশনে বিক্ষোভে সামিল হন গ্রামবাসীরা। তবে বিক্ষোভের ধরন ছিল অভিনব—কর্মরত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মিষ্টির প্যাকেট ও গোলাপ ফুল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় কার্যত কোনো বিদ্যুৎ খরচই হয়নি। সেই কারণেই প্রতীকীভাবে “সঞ্চয়ের” জন্য বিদ্যুৎ কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের হাতে মিষ্টি ও ফুল তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেন, গত দুই দিনে বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর তেমন কোনো বড় ক্ষতি হয়নি। তবুও পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় নিত্যদিনের কাজকর্মে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেজিয়া থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ দফতর, প্রশাসন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হয়। আলোচনার পর বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এলাকাবাসীদের আশা, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা হবে।1
- Post by Tv20 বাংলা1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by Jayashree Mondal1
- মাঝে আর মাত্র একটি দিন, তারপরই আগামী ৪ মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে নির্ধারিত হবে বাংলার পরবর্তী সরকার। কার হাতে যাবে বাংলার মসনদ তৃণমূল কংগ্রেস নাকি ভারতীয় জনতা পার্টি, তা জানতে এখন অপেক্ষা গণনার দিন পর্যন্ত। দুর্গাপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে আপাতত বাক্সবন্দি অবস্থায় রয়েছে ইভিএম। ডিসিআরসি কক্ষে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে ভোট যন্ত্র গুলি। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ান ও রাজ্য পুলিশ। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কর্মীরাও নজরদারিতে রয়েছেন। ফল ঘোষণার আগে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরই। শনিবার দুপুর দুটোয় বিজেপি নেতা প্রদীপ মণ্ডল দাবি করেন, রাজ্যে অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ এবার সরব হয়েছে এবং তার প্রতিফলন ভোটে পড়বে। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখার্জী জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বে দল চতুর্থবারের জন্য সরকার গঠনে আশাবাদী। এখন সব জল্পনার অবসান হবে ৪ মে-র ফল ঘোষণাতেই। বাংলার মানুষ কাকে ক্ষমতায় বসাবেন, তার উত্তর মিলবে আর একদিন পরের অপেক্ষাতেই।1