নন্দনপুরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত, মিষ্টি ও গোলাপ দিয়ে অভিনব প্রতিবাদ গ্রামবাসীদের মেজিয়া: টানা দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের জামগাড়ী, বাঁকদহ-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার নন্দনপুর সাব-স্টেশনে বিক্ষোভে সামিল হন গ্রামবাসীরা। তবে বিক্ষোভের ধরন ছিল অভিনব—কর্মরত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মিষ্টির প্যাকেট ও গোলাপ ফুল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় কার্যত কোনো বিদ্যুৎ খরচই হয়নি। সেই কারণেই প্রতীকীভাবে “সঞ্চয়ের” জন্য বিদ্যুৎ কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের হাতে মিষ্টি ও ফুল তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেন, গত দুই দিনে বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর তেমন কোনো বড় ক্ষতি হয়নি। তবুও পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় নিত্যদিনের কাজকর্মে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেজিয়া থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ দফতর, প্রশাসন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হয়। আলোচনার পর বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এলাকাবাসীদের আশা, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা হবে।
নন্দনপুরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত, মিষ্টি ও গোলাপ দিয়ে অভিনব প্রতিবাদ গ্রামবাসীদের মেজিয়া: টানা দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের জামগাড়ী, বাঁকদহ-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার নন্দনপুর সাব-স্টেশনে বিক্ষোভে সামিল হন গ্রামবাসীরা। তবে বিক্ষোভের ধরন ছিল অভিনব—কর্মরত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মিষ্টির প্যাকেট ও গোলাপ ফুল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় কার্যত কোনো বিদ্যুৎ খরচই হয়নি। সেই কারণেই প্রতীকীভাবে “সঞ্চয়ের” জন্য বিদ্যুৎ কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের হাতে মিষ্টি ও ফুল তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেন, গত দুই দিনে বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর তেমন কোনো বড় ক্ষতি হয়নি। তবুও পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় নিত্যদিনের কাজকর্মে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেজিয়া থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ দফতর, প্রশাসন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হয়। আলোচনার পর বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এলাকাবাসীদের আশা, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা হবে।
- মেজিয়া: টানা দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের জামগাড়ী, বাঁকদহ-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার নন্দনপুর সাব-স্টেশনে বিক্ষোভে সামিল হন গ্রামবাসীরা। তবে বিক্ষোভের ধরন ছিল অভিনব—কর্মরত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মিষ্টির প্যাকেট ও গোলাপ ফুল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় কার্যত কোনো বিদ্যুৎ খরচই হয়নি। সেই কারণেই প্রতীকীভাবে “সঞ্চয়ের” জন্য বিদ্যুৎ কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের হাতে মিষ্টি ও ফুল তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেন, গত দুই দিনে বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর তেমন কোনো বড় ক্ষতি হয়নি। তবুও পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় নিত্যদিনের কাজকর্মে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেজিয়া থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ দফতর, প্রশাসন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হয়। আলোচনার পর বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এলাকাবাসীদের আশা, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা হবে।1
- Post by Tv20 বাংলা1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- মে দিবসের সকালে সাজু সাজো রদ প্রতিটা আঙিনা থেকেই মানুষজন বেরিয়ে তাদের আবির ও রঙের ছোঁয়াতে মে দিবসের সকলকে রাঙিয়ে তুলতে এবং স্মরণীয় করে রাখতে যৌনপল্লীর কর্মীরা নম্বরে মে দিবস পালন করল।1
- Post by News Arambagh Town1
- Post by Madhusudan Bhattacharya1
- Post by Memari Update News1
- *বাজারে গেরুয়া আবির এর কদর বেশী* EVM বন্দি জনমত। ইভিএম সিল হয়ে গেছে স্ট্রং রুমে। কিন্তু ময়দানের লড়াই শেষ হতেই শুরু হয়ে গেছে অন্য লড়াই — আবিরের বাজারে। গণনার দিন বিজয় উৎসবের প্রস্তুতিতে জেলাজুড়ে এখন হু হু করে বিক্রি হচ্ছে লাল, সবুজ, গেরুয়া আবির। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফার মাধ্যমে রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাঁকুড়া শহরের রাসতলা পাইকারি দোকানগুলিতে ভিড় জমতে শুরু করে। 'শেষ হাসি হাসবেন তাঁরাই' ধরে নিয়ে সব দলের কর্মীরা বস্তা বস্তা আবির তুলছেন। বাঁকুড়া শহরের পাইকারি ব্যবসায়ী রাজু কুণ্ডু বলেন, এবার আবিরের চাহিদা বেশ ভালো। আপাতত গেরুয়া ৭০০ ও সবুজ আবির ৪০০ বস্তা এনেছিলাম। তবে গেরুয়া আবিরের চাহাদাই সব থেকে বেশী। আর এক ব্যবসায়ী বাপি দাস বলেন, লাল, সবুজ, গেরুয়া সব রঙের আবিরই রেখেছি। ব্যবসায়ী হিসেবে রাখতেই হবে। তবে ৪ তারিখে বোঝা যাবে। কিন্তু বাঁকুড়ায় বিজেপির জয়জয়কার হবে বলেই তিনি আশাপ্রকাশ করেন।3