*হুগলির হরিপালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে নাবালিকা হেনস্তার অভিযোগ, উত্তেজনা থানার সামনে* হুগলির হরিপালে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সপ্তম শ্রেণির এক নাবালিকাকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল বিএসএফের এক জওয়ানের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। গ্রামবাসীরা অভিযুক্তকে ধরে গাছে বেঁধে রাখে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেলে শুরু হয় বিক্ষোভ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট টিউশন শেষে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিল সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী। সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ৪৯৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের এক জওয়ান তার পথ আটকায় এবং হাত ধরে টানার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। হঠাৎ এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নাবালিকা। সে চিৎকার করলে আশপাশের বাসিন্দারা ছুটে আসেন। অভিযোগ, গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত জওয়ানকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিপাল থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। নাবালিকার পরিবারের দাবি, সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ১০ মিনিট নাগাদ মেয়েটি ফোন করে জানায়, এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান তাকে তাড়া করেছে। এরপর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতির সাক্ষী হন। পরিবারের তরফে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে হরিপাল থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূল প্রার্থী করবী মান্না। বিক্ষোভকারীদের দাবি, অভিযুক্ত জওয়ানকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা তদন্তের উপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভোটের আবহে এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এখন তদন্তে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর সকলের।
*হুগলির হরিপালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে নাবালিকা হেনস্তার অভিযোগ, উত্তেজনা থানার সামনে* হুগলির হরিপালে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সপ্তম শ্রেণির এক নাবালিকাকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল বিএসএফের এক জওয়ানের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। গ্রামবাসীরা অভিযুক্তকে ধরে গাছে বেঁধে রাখে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেলে শুরু হয় বিক্ষোভ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট টিউশন শেষে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিল সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী। সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ৪৯৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের এক জওয়ান তার পথ আটকায় এবং হাত ধরে টানার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। হঠাৎ এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নাবালিকা। সে চিৎকার করলে আশপাশের বাসিন্দারা ছুটে আসেন। অভিযোগ, গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত জওয়ানকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিপাল থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। নাবালিকার পরিবারের দাবি, সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ১০ মিনিট নাগাদ মেয়েটি ফোন করে জানায়, এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান তাকে তাড়া করেছে। এরপর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতির সাক্ষী হন। পরিবারের তরফে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে হরিপাল থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূল প্রার্থী করবী মান্না। বিক্ষোভকারীদের দাবি, অভিযুক্ত জওয়ানকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা তদন্তের উপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভোটের আবহে এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এখন তদন্তে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর সকলের।
- Post by News Arambagh Town1
- মে দিবসের সকালে সাজু সাজো রদ প্রতিটা আঙিনা থেকেই মানুষজন বেরিয়ে তাদের আবির ও রঙের ছোঁয়াতে মে দিবসের সকলকে রাঙিয়ে তুলতে এবং স্মরণীয় করে রাখতে যৌনপল্লীর কর্মীরা নম্বরে মে দিবস পালন করল।1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by Madhusudan Bhattacharya1
- মেজিয়া: টানা দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের জামগাড়ী, বাঁকদহ-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার নন্দনপুর সাব-স্টেশনে বিক্ষোভে সামিল হন গ্রামবাসীরা। তবে বিক্ষোভের ধরন ছিল অভিনব—কর্মরত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মিষ্টির প্যাকেট ও গোলাপ ফুল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় কার্যত কোনো বিদ্যুৎ খরচই হয়নি। সেই কারণেই প্রতীকীভাবে “সঞ্চয়ের” জন্য বিদ্যুৎ কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের হাতে মিষ্টি ও ফুল তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেন, গত দুই দিনে বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর তেমন কোনো বড় ক্ষতি হয়নি। তবুও পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় নিত্যদিনের কাজকর্মে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেজিয়া থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ দফতর, প্রশাসন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হয়। আলোচনার পর বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এলাকাবাসীদের আশা, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা হবে।1
- ১২তম বার্ষিক প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন হল দাসপুরের সোনামুই সিদ্দি বিনায়ক গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনের3
- Post by Tv20 বাংলা1
- Post by মুখার্জী নিউজ1