Shuru
Apke Nagar Ki App…
হুগলির খানাকুলে বড়সড় দুর্ঘটনা! নতিবপুর অঞ্চলের বালিগড়িতে ভেঙে পড়ল গুরুত্বপূর্ণ বাঁশের ব্রিজের একাংশ। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পথচারীরা। বন্ধ যান চলাচল, চরম দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব এলাকাবাসী।#Khanakul #HooghlyNews #BridgeCollapse #WestBengalNews #Natiabpur #LocalNews #BreakingNews #HooghlyUpdate #বালিগড়ি #খানাকুল #দুর্ঘটনা
মুখার্জী নিউজ
হুগলির খানাকুলে বড়সড় দুর্ঘটনা! নতিবপুর অঞ্চলের বালিগড়িতে ভেঙে পড়ল গুরুত্বপূর্ণ বাঁশের ব্রিজের একাংশ। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পথচারীরা। বন্ধ যান চলাচল, চরম দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব এলাকাবাসী।#Khanakul #HooghlyNews #BridgeCollapse #WestBengalNews #Natiabpur #LocalNews #BreakingNews #HooghlyUpdate #বালিগড়ি #খানাকুল #দুর্ঘটনা
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- মেজিয়া: টানা দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের জামগাড়ী, বাঁকদহ-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার নন্দনপুর সাব-স্টেশনে বিক্ষোভে সামিল হন গ্রামবাসীরা। তবে বিক্ষোভের ধরন ছিল অভিনব—কর্মরত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মিষ্টির প্যাকেট ও গোলাপ ফুল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় কার্যত কোনো বিদ্যুৎ খরচই হয়নি। সেই কারণেই প্রতীকীভাবে “সঞ্চয়ের” জন্য বিদ্যুৎ কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের হাতে মিষ্টি ও ফুল তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেন, গত দুই দিনে বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর তেমন কোনো বড় ক্ষতি হয়নি। তবুও পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় নিত্যদিনের কাজকর্মে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেজিয়া থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ দফতর, প্রশাসন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হয়। আলোচনার পর বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এলাকাবাসীদের আশা, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা হবে।1
- Post by Tv20 বাংলা1
- মে দিবসের সকালে সাজু সাজো রদ প্রতিটা আঙিনা থেকেই মানুষজন বেরিয়ে তাদের আবির ও রঙের ছোঁয়াতে মে দিবসের সকলকে রাঙিয়ে তুলতে এবং স্মরণীয় করে রাখতে যৌনপল্লীর কর্মীরা নম্বরে মে দিবস পালন করল।1
- Post by News Arambagh Town1
- Post by Madhusudan Bhattacharya1
- #শনিবার ফের ভোট বাংলায়, দেখুন কোন কোন জায়গায় ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাটের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচন, কড়া নজরদারিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীশেষ পর্যন্ত পুনির্বাচনের ঘোষণা করেই দিল নির্বাচন কমিশন। ফের ভোট হতে চলেছে ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাট পশ্চিমের ১৫ বুথে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে যাবে ভোট। অন্যদিকে ফলতার রিপোল নিয়ে চর্চা চললেও এখনও পর্যন্ত তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন। সকাল থেকেই বুথের বাইরে ভোটারদের ভিড় দেখা গিয়েছে। #পুনর্নির্বাচন নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত (West Bengal Assembly Election 2026) গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) হয়েছিল। তারপর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় সাত জেলার ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হলেও দ্বিতীয় দফায় কয়েকটি জায়গা থেকে গোলমালের অভিযোগ ওঠে। সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায়। সেখানে একটি বুথে ইভিএমে বিজেপি এবং সিপিএমের বোতামের উপর টেপ লাগানো ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। আবার উদয়নারায়ণপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ানের বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধ ভোটারকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ তোলে পরিবার। পরে ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) শেষ হওয়ার পর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল জানিয়েছিলেন, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পুনর্নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর কমিশন জানায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে আবার ভোট হবে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথ এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ভোট হচ্ছে। মগরাহাট পশ্চিমের ৪৬, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৪২, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২৩০, ২৩১ এবং ২৩২ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের ১১৭, ১৭৯, ১৯৪ এবং ২৪৩ নম্বর বুথেও ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) চলছে। সূত্রের খবর, কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ফলতার প্রায় ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করেছেন। যদিও এখনও সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও দাবি করেছেন, ফলতায় ফের ভোট হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ডায়মন্ড হারবারেও আরও কয়েকটি বুথে সমস্যা হয়েছিল। পুনর্নির্বাচন ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ বুথের সামনে নজরদারি চালাচ্ছে। কোথাও ভিড় করতে দেওয়া হচ্ছে না। এলাকায় টহলও দিচ্ছেন জওয়ানেরা। সকাল থেকে ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে। প্রথম এক ঘণ্টায় কোনও বড় গোলমালের খবর পাওয়া যায়নি। বুথের সামনে সকাল থেকেই ভোটারদের লাইন দেখা যায়। অনেকেই বলেন, আগের ভোট বাতিল হওয়ায় আবার ভোট দিতে হচ্ছে। বিএলওরা শুক্রবার রাতেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে #পুনর্নির্বাচনের খবর জানিয়েছেন বলেও দাবি ভোটারদের।3
- Post by মুখার্জী নিউজ1