মালদহ জেলার চাঁচলে এক বেসরকারি অতিথি আবাসে শনিবার সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতির তরফে। উত্তর মালদহের সাংসদ ,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার চিফ হুইপ ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানায় চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতি। সংবর্ধনা জ্ঞাপনের পাশাপাশি তাদের এলাকার মানুষজনের একাধিক দাবির কথাও তুলে ধরা হয়। দাবি জানানোর পাশাপাশি, দ্রুত দাবি পূরণের আবেদনও জানানো হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার চিফ হুইপ অম্লান ভাদুড়ী ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু-সহ, মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি অসিত সাহা ,সম্পাদক উত্তম বসাক, চাঁচল মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাণ গোপাল পোদ্দার , সভাপতি গোপাল চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক পঙ্কজ ডালমিয়া ও সুদীপ্ত ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এ দিনের ওই সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে অতিথিদের হাতে তুলে পুষ্পস্তবক তুলে দেওয়া হয়।স্মারক ও শাল দিয়ে সম্বর্ধনা জানানো হয়। সংবর্ধনা পর্বের শেষে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সাংসদ, প্রতিমন্ত্রী ও চিফ হুইপের হাতে একটি দাবিপত্র তুলে দেওয়া হয়। দাবিগুলির মধ্যে ছিল চাঁচলকে পৃথক পুলিশ জেলা ঘোষণা, মহানন্দা নদীর সংস্কার, চাঁচলে ময়নাতদন্ত বিভাগ চালু-সহ আরও একাধিক দাবি। চাঁচল মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দাবিগুলো যত্ন সহকারে সহকারে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি সহায়তার আশ্বাস দেন সাংসদ খগেন মুর্মু, বিধানসভার চিফ হুইপ অম্লান ভাদুড়ী ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু । পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মৌমিতা থোকদার । দেবাশিস ঘোষের রিপোর্ট।
মালদহ জেলার চাঁচলে এক বেসরকারি অতিথি আবাসে শনিবার সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতির তরফে। উত্তর মালদহের সাংসদ ,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার চিফ হুইপ ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানায় চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতি। সংবর্ধনা জ্ঞাপনের পাশাপাশি তাদের এলাকার মানুষজনের একাধিক দাবির কথাও তুলে ধরা হয়। দাবি জানানোর পাশাপাশি, দ্রুত দাবি পূরণের আবেদনও জানানো হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার চিফ
হুইপ অম্লান ভাদুড়ী ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু-সহ, মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি অসিত সাহা ,সম্পাদক উত্তম বসাক, চাঁচল মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাণ গোপাল পোদ্দার , সভাপতি গোপাল চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক পঙ্কজ ডালমিয়া ও সুদীপ্ত ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এ দিনের ওই সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে অতিথিদের হাতে তুলে পুষ্পস্তবক তুলে দেওয়া হয়।স্মারক ও শাল দিয়ে সম্বর্ধনা জানানো হয়। সংবর্ধনা পর্বের শেষে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সাংসদ,
প্রতিমন্ত্রী ও চিফ হুইপের হাতে একটি দাবিপত্র তুলে দেওয়া হয়। দাবিগুলির মধ্যে ছিল চাঁচলকে পৃথক পুলিশ জেলা ঘোষণা, মহানন্দা নদীর সংস্কার, চাঁচলে ময়নাতদন্ত বিভাগ চালু-সহ আরও একাধিক দাবি। চাঁচল মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দাবিগুলো যত্ন সহকারে সহকারে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি সহায়তার আশ্বাস দেন সাংসদ খগেন মুর্মু, বিধানসভার চিফ হুইপ অম্লান ভাদুড়ী ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু । পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মৌমিতা থোকদার । দেবাশিস ঘোষের রিপোর্ট।
- রাজ্যজুড়ে শুরু জনগণনা: বহরমপুরে আত্মগণনার সূচনা করলেন মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ রাজ্যজুড়ে শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত জনগণনার কাজ। শনিবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স হলে এক প্রশাসনিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর সূচনা হয়। এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সূচনা পর্বে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ, মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক আর অর্জুন সহ প্রশাসনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। এদিনের কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ নিজে প্রথমে নিজের আত্মগণনার কাজ সম্পন্ন করে উপস্থিত সকলের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।1
- "শুধু রাজনীতি আর চুরি ছাড়া আপনারা কিছু করেননি" : সুভেন্দু অধিকারী "শুধু রাজনীতি আর চুরি ছাড়া আপনারা কিছু করেননি" : সুভেন্দু অধিকারী1
- Ruqiya begum kachakali chopra Uttar Dinajpur West Bengal India "পৃথিবীর সব মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিলেও, আল্লাহতায়ালা কখনো তার বান্দাকে নিরাশ করেন না। তিনিই একমাত্র নিখুঁত আশ্রয়স্থল🤲🤲🤲💞1
- মারগ্রাম পঞ্চায়েত উপ-প্রধানের স্বামী আলমগীর শেখ জামিনে মুক্ত কি বললেন আইনজীবী মারগ্রাম পঞ্চায়েত উপ-প্রধানের স্বামী আলমগীর শেখ জামিনে মুক্ত কি বললেন আইনজীবী।1
- শ্রীপৎ সিং কলেজের ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্যাপন, গবেষণাগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও কৃতি ব্যক্তিদের সংবর্ধনা নিজস্ব প্রতিনিধি: ঐতিহ্য ও গৌরবের আবহে শনিবার দুই পর্বে পালিত হলো শ্রীপৎ সিং কলেজের ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, অশিক্ষক কর্মচারী, প্রাক্তনী এবং বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয় প্রভাত ফেরির মাধ্যমে। এরপর কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার, প্রাক্তনী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পাশাপাশি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ শ্রীপৎ সিং দুগরজীর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। এই পর্বটি সঞ্চালনা করেন শ্রী ছোটন গোস্বামী। দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় কলেজের ৫ নম্বর রবীন্দ্র সভাকক্ষে। মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বলন ও কল্যাণকর মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। পরে প্রতিষ্ঠাতা শ্রীপৎ সিং দুগরজীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং উপস্থিত সকলের কণ্ঠে ‘বন্দেমাতরম’ পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও গবেষক ড. শক্তিনাথ ঝা, অবিনাশ ভবনের জমিদাতা শ্রীমতি মুক্তি দেবী, কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ও প্রাক্তন অধ্যাপক ড. প্রীতিকুমার রায়চৌধুরী-সহ বিশিষ্ট অতিথিরা। স্বাগত ভাষণে অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার কলেজের ঐতিহ্য, শিক্ষা ও গবেষণার ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিন কলেজ থেকে প্রকাশিত ISBN-সংযুক্ত গবেষণাগ্রন্থ ‘একশো পঁচিশে শরদিন্দু এবং বনফুল: বহুমাত্রিক দৃষ্টিতে’-এর আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার, ড. শক্তিনাথ ঝা এবং মঞ্চে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা যৌথভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। সাংস্কৃতিক পর্বে ছাত্র-ছাত্রীরা সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষক সংসদের সম্পাদক শ্রী দিবাকর দাস ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সম্মিলিত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন শ্রী সোমনাথ ভট্টাচার্য। ঐতিহ্য, শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চেতনায় ভরপুর এই ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় ও আবেগঘন দিন হয়ে থাকবে।1
- ইসলামের সমালোচনা! মুসলমানের প্রতি বিদ্বেষ নয়। তসলিমা নাসরিন। ইসলামের সমালোচনা! মুসলমানের প্রতি বিদ্বেষ নয়। তসলিমা নাসরিন।1
- মুর্শিদাবাদে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু ‘জনগণনা ২০২৭’, উদ্বোধনে মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষের সহযোগিতার আহ্বান মুর্শিদাবাদ: মহকুমা প্রশাসন ও মুর্শিদাবাদ পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে মুর্শিদাবাদ পৌরসভা পরিচালিত নেতাজি আবাসে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো ‘জনগণনা ২০২৭’ কর্মসূচির। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক সৌমেন মণ্ডল, মুর্শিদাবাদ পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দেবাশীষ সরকার, মহকুমা প্রশাসন ও পৌরসভার বিভিন্ন আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিদের পুষ্পস্তবক ও উত্তরীয় পরিয়ে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান উদ্যোক্তারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ জনগণনার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, একটি রাজ্য ও দেশের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা, জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সঠিক জনগণনার তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রত্যেক নাগরিককে নির্ভুল তথ্য প্রদানের মাধ্যমে এই কর্মসূচিকে সফল করে তুলতে সক্রিয় সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, জনগণনা শুধু জনসংখ্যা গণনার প্রক্রিয়া নয়, বরং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির অন্যতম ভিত্তি। তাই এই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিকে সফল করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণও অপরিহার্য। আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুর্শিদাবাদে ‘জনগণনা ২০২৭’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। এবার মাননীয় মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ জনগণের উদ্দেশে কী বার্তা দিলেন, আসুন শুনে নেওয়া যাক।1
- আয়ের BDO শংসাপত্র না মেলায় স্কলারশিপের আবেদন নিয়ে অনিশ্চয়তা, মেখলীগঞ্জে পথ অবরোধে পড়ুয়ারা" স্কলারশিপের ফর্ম পূরণে আয় শংসাপত্র না মেলায় বিডিও অফিস দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও না মিলায় ছাত্র ছাত্রীদের , পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ পড়ুয়াদের দীর্ঘদিন ধরে আয় শংসাপত্র (ইনকাম সার্টিফিকেট) না পাওয়ায় স্কলারশিপের ফর্ম পূরণ করতে সমস্যায় পড়েছেন বহু পড়ুয়া। এই অভিযোগে শুক্রবার দুপুরে মেখলীগঞ্জ ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) অফিসের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক পড়ুয়া। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বারবার বিডিও অফিসে গেলেও সময়মতো আয় শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি অফিসের কয়েকজন কর্মী মদ্যপ অবস্থায় কাজ করছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। এর ফলে স্কলারশিপের আবেদনপত্র জমা দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বহু ছাত্রছাত্রী। খবর পেয়ে মেখলীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরোধ তুলে দেয়। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।1
- বিহার থেকে অস্ত্র আমদানি করে বাংলায় প্রবেশের মুখে কুখ্যাত অস্ত্র কারবারি গ্যাং এর সদস্যরা জালে! বড়সড় সাফল্য! বিহার থেকে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র আমদানি করে হাত বদলের আগেই হাতানাতে পুলিশের জলে পাকড়াও বিহারের অস্ত্র কারবারি গ্যাং এর সদস্য থেকে তার সহযোগীরা। ঘটনায় ব্যাপক সোরগোল ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম লাগোয়া এলাকায়। পুলিশের এই কাজকে রীতিমত কুর্নিশ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।ধৃতদের মূল পান্ডা মোঃ সাব্বির আলি বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা। এছাড়াও দুই সহগোগী ধৃত ইব্রাহিম মণ্ডল ও সাইদুল মণ্ডল মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির বাসিন্দা।1