Shuru
Apke Nagar Ki App…
কোচবিহার দক্ষিণ ৩ নং মন্ডল প্রেসিডেন্ট আঁখির রঞ্জন পাল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার জন্য বলা হয়েছে, যা একটি বড় খবর এবং নতুন আপডেটের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
News Update
কোচবিহার দক্ষিণ ৩ নং মন্ডল প্রেসিডেন্ট আঁখির রঞ্জন পাল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার জন্য বলা হয়েছে, যা একটি বড় খবর এবং নতুন আপডেটের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কোচবিহার দক্ষিণ ৩ নং মন্ডল প্রেসিডেন্ট আঁখির রঞ্জন পাল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার জন্য বলা হয়েছে, যা একটি বড় খবর এবং নতুন আপডেটের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।1
- একজন নতুন ব্যক্তি হিসেবে, তিনি সবার কাছে সমর্থন চেয়েছেন যাতে তিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারেন। তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্পবদ্ধ।1
- শুক্রবার সকালে মাথাভাঙা শহরের শনি মন্দির মোড় এলাকায় সদ্যজাত এক শিশুর ভ্রূণ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা একটি রক্তাক্ত খবরের কাগজের মধ্যে ওই ভ্রূণটিকে দেখতে পেয়েছিলেন। এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে মুহূর্তের মধ্যেই প্রচুর ভিড় জমে যায় এবং মাথাভাঙা থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সদ্যোজাত ভ্রূণটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। বর্তমানে পুলিশ এই ব্যস্ততম এলাকায় কে বা কারা ওই ভ্রূণটি ফেলে গেছে, তা খতিয়ে দেখছে।1
- এক সময় দিনহাটায় দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত বিশু ধরকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতার পালা বদল হতেই তাঁর এই দাপট কার্যত বিলীন হয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দিনহাটা শিশুমঙ্গল সমিতির নামে তোলাবাজি চালাতেন। গ্রেফতারের পর পুলিশ তাঁকে কার্যত হাঁটিয়েই আদালতের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। একদা 'বাঘের' মতো দাপট দেখানো এই নেতা যেন পুলিশের হাতে পড়তেই 'বিড়ালে' পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই গ্রেফতারি দিনহাটার এক ক্ষমতাশালী তৃণমূল নেতার দাপট কমে যাওয়ার ছবি তুলে ধরেছে।1
- উদয়নের ঘনিষ্ঠ বিশু ধর গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই একজন বিজেপি নেতা বিস্ফোরক উক্তি করেছেন।1
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জুলাই মাসের আর্থিক সহায়তা কবে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে, তা নিয়ে বহু আবেদনকারীর মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা নতুন আবেদন করেছেন অথবা আগের কিস্তি পেতে সমস্যায় পড়েছিলেন, তাঁরা তাঁদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে আগ্রহী। প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে টাকা অ্যাকাউন্টে না এলেই উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। আবেদন যাচাই প্রক্রিয়া, নথি পরীক্ষণ, কিংবা ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত কিছু কারিগরি সমস্যার কারণে অর্থপ্রদানে বিলম্ব হতে পারে। আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে উপভোক্তারা রাজ্যের সামাজিক সুরক্ষা পোর্টালে লগ-ইন করতে পারেন। আধার-সংযুক্ত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত ওটিপি ব্যবহার করে প্রবেশ করার পর ‘Track Application’ বা আবেদনপত্রের স্থিতি সংক্রান্ত বিভাগে গিয়ে আবেদন নম্বর, আধার নম্বর অথবা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তথ্য দেখা সম্ভব। যদি আবেদনের স্ট্যাটাসে ‘Approved’ বা ‘Verified’ লেখা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে আবেদনটি সফলভাবে যাচাই সম্পন্ন হয়েছে এবং তা পরবর্তী অর্থপ্রদানের পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে, যদি ‘Pending at BDO/SDO’ দেখা যায়, তবে সংশ্লিষ্ট আবেদন এখনও প্রশাসনিক স্তরে যাচাইয়ের অপেক্ষায় আছে, এবং এক্ষেত্রে কিছুদিন অপেক্ষা করে নিয়মিত স্ট্যাটাস পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সমস্যা, আধার ও ব্যাঙ্কের তথ্যের অমিল, অথবা যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের মতো কারণেও অর্থপ্রদান আটকে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যদি আবেদনপত্রের স্ট্যাটাসে ‘Rejected’ দেখা যায়, তবে আবেদন বাতিলের কারণ জেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।1
- মাথাভাঙ্গার ঘটনার পর এবার ঘুঘুমারি এলাকায় অঞ্চল সভাপতি দীপক দে ঘনিষ্ঠ ফজলু হককে কোমরে দড়ি বেঁধে বাজারের মধ্যে দিয়ে ঘোরানো হয়েছে।1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভার ঘুঘুমারি এলাকায় তৃণমূলের এক প্রাক্তন নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্য রাস্তায় ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত ফজলু মিয়া একসময় তৃণমূলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তিনি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি দীপক দে-র ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোটের আগে ফজলু মিয়া এলাকায় একাধিক দুর্নীতি, কাটমানি, দাদাগিরি এবং হিন্দু পরিবারগুলির উপর অত্যাচার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমে ছিল বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই ফজলু মিয়া এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার সকালে তিনি ঘুঘুমারিতে ফিরতেই ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে ঘিরে ধরে। এরপর তাঁর কোমরে দড়ি বেঁধে ঘুঘুমারি বাজারের বিভিন্ন রাস্তা ঘোরানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভিড় জমায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফজলু মিয়াকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ফজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার জেরে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।1