রাজ্যের একাধিক সমসাময়িক ইস্যুতে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক হিংসা— বিভিন্ন প্রসঙ্গে মুখ খুলে তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া মন্তব্য করেছেন। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন যে, তেল কোম্পানিগুলি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতির মুখে রয়েছে, সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকার সামান্য দাম বাড়িয়েছে। তাঁর দাবি, দেশের বিভিন্ন জায়গায় তেলের জোগান নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফরের কথাও উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিজেপি নেতা দাবি করেন, ঠিকভাবে ভোট হলে কী ফল হত, তা মানুষ দেখেই দিয়েছে, পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ সম্প্রচার নিয়েও তিনি কটাক্ষ করেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বুলডোজার সব জায়গায় যেতে পারে এবং আইন আইনের পথেই চলবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, শিক্ষক নিয়োগ মামলায় বহু মানুষের চাকরি গেছে এবং বহু আধিকারিক বেআইনি আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। যদিও তিনি এও মন্তব্য করেন যে, নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। রাজনৈতিক সংঘর্ষ প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য ছিল, ইট গেলে পাটকেল খেতে হয়। একইসঙ্গে, দলীয় পদ বণ্টন নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন যে, আগে পদ পাওয়ার জন্য টাকা লাগত, কিন্তু এখন টাকা দিলেও কেউ পদ নিতে চাইছে না। সবশেষে, বিজেপি নেতা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে পুলিশের অনুমতি ছাড়া কোথাও কোনও কর্মসূচি করা যাবে না।
রাজ্যের একাধিক সমসাময়িক ইস্যুতে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক হিংসা— বিভিন্ন প্রসঙ্গে মুখ খুলে তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া মন্তব্য করেছেন। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন যে, তেল কোম্পানিগুলি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতির মুখে রয়েছে, সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকার সামান্য দাম বাড়িয়েছে। তাঁর দাবি, দেশের বিভিন্ন জায়গায় তেলের জোগান নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফরের কথাও উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিজেপি নেতা দাবি করেন, ঠিকভাবে ভোট হলে কী ফল হত, তা মানুষ দেখেই দিয়েছে, পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ সম্প্রচার নিয়েও তিনি কটাক্ষ করেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বুলডোজার সব জায়গায় যেতে পারে এবং আইন আইনের পথেই চলবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, শিক্ষক নিয়োগ মামলায় বহু মানুষের চাকরি গেছে এবং বহু আধিকারিক বেআইনি আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। যদিও তিনি এও মন্তব্য করেন যে, নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। রাজনৈতিক সংঘর্ষ প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য ছিল, ইট গেলে পাটকেল খেতে হয়। একইসঙ্গে, দলীয় পদ বণ্টন নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন যে, আগে পদ পাওয়ার জন্য টাকা লাগত, কিন্তু এখন টাকা দিলেও কেউ পদ নিতে চাইছে না। সবশেষে, বিজেপি নেতা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে পুলিশের অনুমতি ছাড়া কোথাও কোনও কর্মসূচি করা যাবে না।
- পশ্চিমবঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রী সুবেন্দু অধিকারী একটি বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, 'সবকা সাথ, সবকা বিকাশ'-এর পাশাপাশি এখন 'সবার হিসাব' নেওয়া হবে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন।1
- নতুন সরকারের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া এক সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন যে, দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেছেন।1
- দাসপুর ১ ব্লকের খাটবাড়ুই এলাকায় ত্রিনয়নী সংঘের উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। এই সংঘটি তাদের সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হয় এবং আজ পর্যন্ত কোনো সরকারি আর্থিক সহায়তা পায়নি। এই পরিস্থিতিতে, বিধায়ক তপন দত্ত সংঘের পাশে থাকার এবং সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার জাড়া-২ এলাকায় ফের অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে এখন ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। অবৈধ গাছ কাটার এই ঘটনা মাধবপুর ও রানীগঞ্জ এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ধরনের কার্যকলাপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং একইসঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উত্থাপন করছেন।1
- গতকাল ফলতার ভোটের ফলাফলের পর সমস্ত উৎসাহ বা 'হাওয়া' ফুরিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন নয়না। এর জবাবে কুণাল নির্দেশ দিয়েছেন যে, প্রয়োজনে ফু দিয়ে বুক ফুলিয়ে রাখতে হবে। মদনও সেই ধারণাকে সমর্থন করে বলেছেন, বাইরের কেউ যেন বুঝতে না পারে যে, সব উৎসাহ বা 'হাওয়া' শেষ হয়ে গেছে।1
- সোমবার আরামবাগ লিংক রোডে একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় তীরো মহন ভান্ডারী নামের এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। গড়বেতার অর্জুন বেরিয়ার গ্রামের বাসিন্দা তীরো মহন ভান্ডারী গোঘাটের ব্যঙ্গাই এলাকায় তাঁর মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে। তিনি তাঁর জামাইয়ের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে আরামবাগে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে লিংক রোডে একটি লরি তাঁদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা মারে। এই দুর্ঘটনায় তীরো মহন ভান্ডারী এবং তাঁর জামাই দু'জনেই গুরুতর জখম হন। স্থানীয় মানুষের তৎপরতায় তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তীরো মহন ভান্ডারীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জামাইয়ের চিকিৎসা চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- বাংলা সংগীত জগতের কিংবদন্তি শিল্পী মান্না দে-র জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ২৪ মে, রবিবার, মেদিনীপুরে এক বিশেষ সাংগীতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। মেদিনীপুর কলেজের ‘বিবেকানন্দ প্রেক্ষাগৃহে’ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এই অনুষ্ঠান, যার নাম দেওয়া হয়েছে “ভালোবাসার নজরানাদে”। অনুষ্ঠানের আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মান্না দে কেবল বাংলা গান নয়, ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসেও এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি এবং সুরেলা কণ্ঠ এখনও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন রয়েছে, আর তাই তাঁর জন্মবার্ষিকী স্মরণে এই শ্রদ্ধার্ঘ্য অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ সন্ধ্যায় মেদিনীপুর সদর কেন্দ্রের বিধায়ক ডা. শংকর গুছাইত, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী শ্রী জয়ন্ত সাহা এবং বাচিক শিল্পী শ্রী অসীম পাল সহ আরও একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে জেলার খ্যাতনামা শিল্পীরা মান্না দে-র জনপ্রিয় গানগুলি পরিবেশন করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবেন। আয়োজকরা সকল সংগীতপ্রেমী মানুষকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কিংবদন্তি শিল্পীকে সম্মান জানানোর জন্য আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন।1
- রাজ্যে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে বিজয় মিছিলের পর্ব শুরু হয়েছে। এমনই একটি আনন্দঘন বিজয় মিছিলে আজ গোঘাট বিধানসভার বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে দুহাত তুলে নাচতে দেখা গেল। তিনি এই বিজয়ের উল্লাসে সামিল হয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের গোঘাটের শ্যামবাজারে দুটি তৃণমূল নেতার বাড়িতে পোস্টার লাগানো হয়েছে। এই পোস্টারগুলিতে কাটমানি (ঘুষের অর্থ) ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।1