Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাজ্যে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে বিজয় মিছিলের পর্ব শুরু হয়েছে। এমনই একটি আনন্দঘন বিজয় মিছিলে আজ গোঘাট বিধানসভার বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে দুহাত তুলে নাচতে দেখা গেল। তিনি এই বিজয়ের উল্লাসে সামিল হয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
Chinmoy Pal
রাজ্যে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে বিজয় মিছিলের পর্ব শুরু হয়েছে। এমনই একটি আনন্দঘন বিজয় মিছিলে আজ গোঘাট বিধানসভার বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে দুহাত তুলে নাচতে দেখা গেল। তিনি এই বিজয়ের উল্লাসে সামিল হয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রাজ্যে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে বিজয় মিছিলের পর্ব শুরু হয়েছে। এমনই একটি আনন্দঘন বিজয় মিছিলে আজ গোঘাট বিধানসভার বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে দুহাত তুলে নাচতে দেখা গেল। তিনি এই বিজয়ের উল্লাসে সামিল হয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।1
- টলিউড শিল্পের 'ইন্ডাস্ট্রি' হিসাবে পরিচিত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি দিল্লিতে এক বিশাল সম্মান অর্জন করেছেন। তিনি রাষ্ট্রপতির হাত থেকে মর্যাদাপূর্ণ 'পদ্মশ্রী' খেতাব গ্রহণ করেছেন, যা তার দীর্ঘ কর্মজীবনের জন্য এক মহাসম্মানের মুহূর্ত। এই খবর টলিউড এবং তার অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে।1
- সোমবার আরামবাগ লিংক রোডে একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় তীরো মহন ভান্ডারী নামের এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। গড়বেতার অর্জুন বেরিয়ার গ্রামের বাসিন্দা তীরো মহন ভান্ডারী গোঘাটের ব্যঙ্গাই এলাকায় তাঁর মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে। তিনি তাঁর জামাইয়ের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে আরামবাগে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে লিংক রোডে একটি লরি তাঁদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা মারে। এই দুর্ঘটনায় তীরো মহন ভান্ডারী এবং তাঁর জামাই দু'জনেই গুরুতর জখম হন। স্থানীয় মানুষের তৎপরতায় তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তীরো মহন ভান্ডারীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জামাইয়ের চিকিৎসা চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- আরামবাগের স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাকেশ আলীকে হকার্স মার্কেটের ছাদে বিপুল পরিমাণ বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর আজ, রবিবার তাঁকে আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। গত ১১ই মে, আরামবাগ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত হকার্স মার্কেটের ছাদ থেকে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর তাজা বোমা ও মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল। এই ঘটনার পরই স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাকেশ আলীর নাম জড়িয়ে পড়ে এবং তিনি পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেন। রাকেশ আলীর খোঁজে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছিল। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আজ আদালতে পেশ করার পর, পুলিশ এই ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে এবং অস্ত্র মজুতের পেছনে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা জানতে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও জোরদার করেছে। জনবহুল হকার্স মার্কেটের মতো এলাকায় কেন এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল, আরামবাগ থানার পুলিশ তাও খতিয়ে দেখছে।1
- বাঁকুড়া জেলার পাএসায়ের ব্লকের অন্তর্গত সুখসায়ের গ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একটি বিজয় মিছিল করেছে।1
- আইনজীবী এবং কংগ্রেস নেতা উজ্জ্বল চন্দ্র গরু প্রসঙ্গে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র বয়স হয়ে গেছে এই কারণে একটি গরুকে 'মা' সম্বোধন করে তাকে মেরে ফেলার বিষয়টি তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।1
- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন চারদিকে বিজয় মিছিলের উল্লাস চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রাম ফুঁসছে প্রতিবাদের আগুনে। আবিরের রঙের মাঝেই এলাকার মহিলাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে। খোদ শাসক দলের বিজয় মিছিলের সামনেই তারা ফেটে পড়েন, সাফ জানিয়ে দেন যে, সরকার যখন বদলেছে, এবার ব্রিজ তাদের দিতেই হবে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে মহিলারা, বিজয় মিছিলে আসা নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের একটাই দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং দাবি— একটি স্থায়ী ব্রিজ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অভাবে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে মুমূর্ষু রোগী হাসপাতালে যেতে পারেন না এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্রতিবার ভোটের আগে নেতারা এসে ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা আর সেই চেনা গল্প শুনতে রাজি নন। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল এবং গলায় তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা এখন সোচ্চার। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখন কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের কি আদৌ পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে পারবে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ ঢাকা পড়ে থাকবে?1
- Post by মুখার্জী নিউজ1