রাস্তায় দুটি গাড়ি ওভারটেক করতে গিয়ে, আছড়ে পড়লো একটি বাড়িতে বরাবাজারের শাখারি মোড়ে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক ও একটি ট্রাক্টর রাস্তার পাশের একটি বাড়িতে ঢুকে পড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়। গোটা বাড়িটি পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়ে।তবে ক্ষতির পরিমাণ অনেক হল মানুষজনের কোন ক্ষতি হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া বরাবাজার সড়কের শাখারী মোড়ে শনিবার বিকেল নাগাদ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুরুলিয়া দিক থেকে বরাবাজারের উদ্দেশ্যে একটি ট্রাক ও একটি ট্রাক্টর আসছিল। বরাবাজারের শাখারি মোরের সামনে ট্রাক ও ট্রাক্টরের মধ্যে ওভারটেক করতে গিয়ে দুটি গাড়িই রাস্তার পাশে একটি একতলা বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ে। গোটা বাড়িটি হুড় মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে এবং দুটি গাড়িরেই ব্যাপকভাবে ক্ষতি হয়। এমনকি ওই বাড়ির সামনে অনেক সাইকেল রাখা ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের, তারা পাশের বাড়িতে টিউশন করতে এসেছিল। সাতটি সাইকেলেও পুরোপুর ভেঙ্গে পড়ে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই উপস্থিত হন বরাবাজার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বরা।
রাস্তায় দুটি গাড়ি ওভারটেক করতে গিয়ে, আছড়ে পড়লো একটি বাড়িতে বরাবাজারের শাখারি মোড়ে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক ও একটি ট্রাক্টর রাস্তার পাশের একটি বাড়িতে ঢুকে পড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়। গোটা বাড়িটি পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়ে।তবে ক্ষতির পরিমাণ অনেক হল মানুষজনের কোন ক্ষতি হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া বরাবাজার সড়কের শাখারী মোড়ে শনিবার বিকেল নাগাদ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুরুলিয়া দিক থেকে বরাবাজারের উদ্দেশ্যে একটি ট্রাক ও একটি ট্রাক্টর আসছিল। বরাবাজারের শাখারি মোরের সামনে ট্রাক ও ট্রাক্টরের মধ্যে ওভারটেক করতে গিয়ে দুটি গাড়িই রাস্তার পাশে একটি একতলা বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ে। গোটা বাড়িটি হুড় মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে এবং দুটি গাড়িরেই ব্যাপকভাবে ক্ষতি হয়। এমনকি ওই বাড়ির সামনে অনেক সাইকেল রাখা ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের, তারা পাশের বাড়িতে টিউশন করতে এসেছিল। সাতটি সাইকেলেও পুরোপুর ভেঙ্গে পড়ে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই উপস্থিত হন বরাবাজার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বরা।
- বিধানসভা নির্বাচনের দোরগড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙ্গন বান্দোয়ানে । একের পর এক তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান। বান্দোয়ান পঞ্চাশ সমিতির এক সদস্য বিজেপিতে যোগদান করার পর তৃণমূল দাবি করেন তিনি তাদের দলের কেউ ছিলেন না। অন্যদিকে বিজেপি দাবি করেন যোগদানকারীদের নেতৃত্বেই আগামী দিনে বান্দোয়ান শূন্য হবে তৃণমূল।1
- মানবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তরের নিকট নমিনেশন দাখিলের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মানবাজার বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের মনোনীত প্রার্থী সন্ধ্যা রানী টুডু। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহ এ দিন মানবাজার ইন্দ কুড়ি থেকে মহকুমা শাসকের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছান তিনি। সেখানে মনোনয়ন দাখিল করার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, নির্বাচনে জয় তাঁর সুনিশ্চিত। এদিন সন্ধ্যা রানী টুডুর সঙ্গে বান্দোয়ান বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রাজিব লোচন সরেনও তাঁর নমিনেশন পত্র দাখিল করেন।1
- জনসংযোগের লক্ষ্যে মাড়ওয়ারী পঞ্চায়েত সমিতির সাথে বৈঠকে সুজয় ব্যানার্জী!দিলেন বিশেষ প্রতিশ্রুতি।1
- শনিবার দিন মানবাজার মহকুমা শাসকের কাছে মনোনয়নপত্র জমা করলেন তৃণমুল কংগ্রেসের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী, ইঁন্দকুড়ি মোড় থেকে বর্ণাঢ্য সোভা যাত্রার আয়োজন।1
- মাগুড়িয়া সড়কে যখন মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন দুই ভাই, তখন এগিয়ে এল না কেউ। শেষে গেরুয়া গামছা দিয়েই বন্ধ হলো সফিক আর অমিতের রক্তক্ষরণ। শত্রুতা নয়, জয় হলো মানবতার!" বৃহস্পতিবার বিকেলে মনোনয়ন জমা দিয়ে ফেরার পথে রাঁচি-পুরুলিয়া সড়কের মাগুড়িয়া বাঁকে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী হন বিজেপি কর্মী সুমন কুমার দে ও তাঁর সঙ্গীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিলেন সফিক খান ও অমিত ঠাকুর। অহেতুক ভিড় সরিয়ে মুহূর্তের মধ্যে নিজের গায়ের গেরুয়া গামছা খুলে দুই আহত ভাইয়ের ক্ষতস্থান বেঁধে দেন বিজেপি কর্মীরা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে। সুমনের স্পষ্ট বার্তা— "গেরুয়া গামছা দেখে যারা জয় বাংলা বলে বিদ্রুপ করছিলেন, সেই গামছাতেই আজ প্রাণ বাঁচল দুই ভাইয়ের। রাজনীতি পরে, আগে তো মানুষ!" এই ঘটনায় এখন দলমত নির্বিশেষে ধন্য ধন্য করছেন জেলাবাসী।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরদার প্রচারে নেমেছেন বিণপুর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিরবাহা হাঁসদা।এই প্রচার কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামবনী ব্লকের একাধিক দলীয় কর্মী সমর্থকরা। প্রচারের অংশ হিসেবে বিরবাহা হাঁসদা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কাছে ভোটের আবেদন জানান। বীরবাহা বলেন, এলাকার উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে এবং মানুষের পাশে থাকতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এদিন জামবনি ব্লকের কুলডিহা,মুরাকাটি, লালবাঁধ, পূর্ব বালিবাঁধ,বালিবাঁধ সহ একাধিক গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচার করেন1
- লালবাঁধ গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের মেগা মিছিলে প্রার্থী বীরবাহা হাঁসদা: মানুষের আস্থায় জয়ের চাবিকাঠি। নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়লেন বিনপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বীরবাহা হাঁসদা। শনিবার জামবনি ব্লকের লালবাঁধ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত একগুচ্ছ গ্রামে একযোগে আয়োজিত হলো তৃণমূল কংগ্রেসের 'মেগা জনসংযোগ' কর্মসূচি। খড়গপুর থেকে শুরু করে আমতলিয়া— সর্বত্রই প্রার্থীকে ঘিরে দেখা গেল সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ ও উন্মাদনা।এদিন কর্মসূচির শুরুতেই বীরবাহা হাঁসদা স্থানীয় গরাম থানে পুজো দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। এরপরই শুরু হয় গ্রাম পরিক্রমা। খড়গপুর, মুড়াকাঠি, আস্তি, বালিবাঁধ, দইচাকুরিয়া, পলাশবনি, বড়রাজগ্রাম, রাঙ্গামাটিয়া, গৈদ, মহাদান এবং আমতলিয়া গ্রামে প্রার্থীর পদযাত্রা এক ভিন্ন মাত্রা পায়। প্রতিটি গ্রামেই প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলান স্থানীয় কর্মী ও সমর্থকরা। আদিবাসী অধ্যুষিত এই এলাকাগুলিতে ঘরের মেয়েকে কাছে পেয়ে গ্রামবাসীরা নিজেদের প্রথা ও রীতিনীতি অনুযায়ী তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। জনসংযোগ চলাকালীন বীরবাহা হাঁসদাকে দেখা যায় একেবারে সাধারণ মানুষের মতো মিশে যেতে। বিশেষ করে এলাকার মহিলা এবং প্রবীণদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। বীরবাহা তাঁদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ মন দিয়ে শোনেন। তিনি তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি।প্রার্থী বীরবাহা হাঁসদা বলেন"মানুষের ভালোবাসা আর আস্থাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রতিটি গ্রাম থেকেই যে অভাবনীয় সাড়া এবং সহানুভূতি পাচ্ছি, তাতে জয়ের ব্যাপারে আমি ১০০ শতাংশ আশাবাদী।"এদিনের এই মেগা কর্মসূচিতে প্রার্থীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক জেলা ও ব্লক নেতৃত্ব। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জেলা এসটি সেলের সভাপতি অর্জুন হাঁসদা, জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভানেত্রী কুনামি হাঁসদা, জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাদক্ষ নিশীথ মাহাতো, জামবনি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ফকির মান্ডি, জামবনি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মধুসূদন মুর্মু, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সুপ্রিয়া হেম্ব্রম, ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি হিমাংশু দত্ত,ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী পয়রানি মান্ডি ।রাজনৈতিক মহলের মতে, জামবনি ব্লকের এই নিবিড় জনসংযোগ কর্মসূচি বিনপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের জমি আরও শক্ত করবে। প্রার্থীর এই সরাসরি সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে যাওয়া এবং তাঁদের মনের কথা শোনা আসন্ন নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল।1
- বান্দোয়ান বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজীব লোচন সরেন ও মানবাজার বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সন্ধ্যা রানী টুডু নমিনেশন জমা দিলেন ।1