Shuru
Apke Nagar Ki App…
দক্ষিণ দিনাজপুর বাসীদের জন্য সুখবর আপনারা কি টাকার গাছ লাগাতে চান যদি লাগাতে চান তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুর এর সমস্ত কৃষক দের জানানো যাচ্ছে যে সুখবর আমরা এখন ভেনিলা পৌঁছে দিচ্ছি আপনাদের ঘরে ঘরে যদি কারো লাগে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সঙ্গে===8170957991
Mahi
দক্ষিণ দিনাজপুর বাসীদের জন্য সুখবর আপনারা কি টাকার গাছ লাগাতে চান যদি লাগাতে চান তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুর এর সমস্ত কৃষক দের জানানো যাচ্ছে যে সুখবর আমরা এখন ভেনিলা পৌঁছে দিচ্ছি আপনাদের ঘরে ঘরে যদি কারো লাগে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সঙ্গে===8170957991
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দক্ষিণ দিনাজপুর এর সমস্ত কৃষক দের জানানো যাচ্ছে যে সুখবর আমরা এখন ভেনিলা পৌঁছে দিচ্ছি আপনাদের ঘরে ঘরে যদি কারো লাগে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সঙ্গে===81709579911
- Kunal Ghosh: জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কুণাল, বললেন, ‘‘তৃণমূলের ভোট বাড়বে’’ | #news1
- উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী হিলি বাউল মেলা জমজমাট, দেশ-বিদেশের শিল্পীদের মিলনমেলা। #হিলিনিউজবাংলা #followerseveryonehighlights #highlightseveryone #hilightseveryonefollowers #hilinewsbangla #hilightseve #হিলিনিউজ #HiliNews #BalurghatNews #balurghat_city1
- বিধানসভা ভোট মিটতে না মিটতেই ফের দাম বাড়লো অটোর জ্বালানি এলপিজি র। ৮৩ টাকা এক পয়সা থেকে দাম বেড়ে হল ৮৯ টাকা ৪৫ পয়সা। অর্থাৎ এক লাফে দাম বাড়লো লিটার প্রতি ৬ টাকা ৪৪ পয়সা। একইসঙ্গে সরবরাহের সমস্যা থাকায় হাওড়ার পেট্রোল পাম্পে দেখা গেল অটোর লম্বা লাইন। এমনকি কলকাতা থেকেও অটোচালকরা এলপিজি সংগ্রহ করতে গাড়ি নিয়ে ভিড় জমিয়েছে হাওড়ার পাম্পে। গত মার্চ মাস থেকে এই নিয়ে ৫ বার অটোর জ্বালানি এলপিজির দাম বাড়লো। পয়লা মার্চ এলপিজির দাম ছিল ৫৭ টাকা ৭৩ পয়সা। আর আজ তা দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮৯ টাকা ৪৫ পয়সা। দফায় দফায় দাম বৃদ্ধির ফলে সমস্যায় পড়েছেন অটোচালকরা। তারা জানিয়েছেন এই মুহূর্তে অটোর ভাড়া তারা বাড়াতে পারছেন না তার কারণ তাতে যাত্রী সংখ্যা কমে যেতে পারে। যাত্রীরা বাসে যাতায়াত বাড়িয়ে দেবে। এতে তাদের আয় কমে যাবে। তাদের আরো অভিযোগ ভোট মিটতেই কেন্দ্র সরকার দাম বাড়ালো। ফলে তারা সমস্যায় পড়েছেন। পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা মনে করছেন হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে যে সমস্যা দেখা দিয়েছে সেই কারণেই দেশে এলপিজি র আমদানি স্বাভাবিক নয়। চাহিদা অনুযায়ী আমদানি হতে না পারায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। এমনকি তেল কোম্পানি গুলির পক্ষ থেকেও এলপিজি র রেশনিং ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। একসঙ্গে ৫০০ টাকার বেশি অটো জ্বালানি দিতে বারণ করা হয়েছে। তবে দূর দূরান্ত থেকে এলপিজি নিতে আসার কারণে অটো চালকরা মাত্র ৫০০ টাকার জ্বালানি নিতে নারাজ। তাই এখনো পর্যন্ত তাদের দাবি মতো জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে। চালকরা জানিয়েছেন তারা কলকাতার মানিকতলা, উল্টোডাঙ্গা, কাশীপুর, এমনকি ডানলপ ও ব্যারাকপুর থেকেও অটোচালকরা ভিড় করছেন হাওড়ার গোলাবাড়ি থানা এলাকার পাম্পে।1
- নোংরা জল আবর্জনা অনেক কিছু একটা জ্বরের ট্যাংকি লাগবে2
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1
- শুক্রবার বিকেলে প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে গেছে পতিরাম এলাকা। তিন ঘণ্টা ধরে টানা বৃষ্টিতে পতিরাম বাজার,শুক্রবার বিকেলে প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে গেছে পতিরাম এলাকা। তিন ঘণ্টা ধরে টানা বৃষ্টিতে পতিরাম বাজার, অরবিন্দপল্লী, লক্ষীপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। রাস্তা ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে, আর বহু বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে। আবহাওয়া দফতর আগামী ৫ মে পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। স্থানীয়রা ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, বিশেষ করে কৃষিক্ষেত্রে বোরো ধান ও সবজি চাষে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।"1
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1