Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে সরকারি হাসপাতালগুলি এখন থেকে 'আয়ুষ্মান মন্দির' হিসাবে পরিচিত হবে। তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা অনুযায়ী, রোগীরা সরকারি হাসপাতালগুলিতে ১০০০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় কিনতে পারবেন।
Abul Kalam
মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে সরকারি হাসপাতালগুলি এখন থেকে 'আয়ুষ্মান মন্দির' হিসাবে পরিচিত হবে। তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা অনুযায়ী, রোগীরা সরকারি হাসপাতালগুলিতে ১০০০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় কিনতে পারবেন।
More news from Nadia and nearby areas
- আজ নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস পঞ্চায়েত এলাকায় ১২৫ দিনের কাজের সূচনা হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এই কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পের আওতায় সরকারি জমিতে পুকুর খনন করা হবে। এটি কেন্দ্রের MGNREGA প্রকল্পের অংশ, যার কাজের সময়সীমা পূর্বনির্ধারিত ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে এখন বছরে ১২৫ দিন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটি মাঝখানে বন্ধ ছিল, যা রাজ্যের নতুন সরকার পুনরায় শুরু করেছে। সঙ্গের ভিডিওতে প্রকল্পের কাজের ছবিগুলি সংগৃহীত রয়েছে। এই লেখনী ও ভিডিও সম্পাদনার কাজ করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের নেতাজি আবাস ও বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের জন্য বহু মানুষ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হন, যেখানে সকাল থেকেই পরিষেবা পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে এবং আবেদন জানাতে দেখা যায়। এই শিবিরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা, আবাসন এবং খাদ্যসাথী সহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এক ছাতার তলায় একাধিক সরকারি পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রবীণ নাগরিক, মহিলা ও যুবক-যুবতীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে আসা মানুষের আবেদন গ্রহণ, নথিপত্র যাচাই এবং প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্টার খোলা হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণে তাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনবদ্য, যা সকলকেই মুগ্ধ করে তোলে। এই মনোমুগ্ধকর বাংলার দৃষ্টিনন্দন মাঠ, ঘাট এবং পথ প্রান্তর প্রতিটি মানুষের মনে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এই সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করেই হয়তো কবিরা তাঁদের লেখনীতে বাংলার প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছেন, যেখানে তাঁরা বলেছেন, "ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা" এবং "আবার আসিব ফিরে, ধানসিঁড়িটির তীরে, এই বাংলায়।"1
- পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ বিধানসভার তিন নম্বর মন্ডলে (মোল্লা রোড) সম্প্রতি একটি প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালা এমন একটি প্রশিক্ষণ বা সেমিনার, যেখানে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে চাষবাসের পদ্ধতি শেখানো হয়। এটিকে সাধারণত 'জিরো বাজেট প্রাকৃতিক চাষ' বা পরিবেশ-বান্ধব কৃষি হিসাবেও অভিহিত করা হয়। এই প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হলো মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ করে জৈব উপায়ে মাটির স্বাস্থ্য ফেরানো, এবং বাজার থেকে কেনা সারের বদলে ঘরের উপকরণ ব্যবহার করে চাষের খরচ কমানো। একইসাথে, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ ও বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করাও এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এদিনের এই কর্মসূচিতে খণ্ডঘোষ ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা শুভময় ঘোষ, খণ্ডঘোষ ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দেব কুমার দীক্ষিত, বিশিষ্ট সমাজসেবী শম্পা মাথুর, তাপস মল্লিক, সমীর মন্ডল, কৌশিক আঁশ সহ জেলা ও ব্লকের অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে শতাধিক কৃষক এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকেরা কৃষকদের সঙ্গে চাষাবাদ সংক্রান্ত নানান বিষয়ে মত আদান প্রদান করেন।1
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর জলঙ্গি বিধানসভা এলাকার সাগরপাড়া অনুষ্ঠান বাড়িতে আয়োজিত প্রথম জনকল্যাণ শিবির ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। প্রচণ্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকা থেকে শত শত মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আশায় এই শিবিরে ভিড় জমিয়েছিলেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ প্রশাসন মোতায়েন ছিল। তবে শিবিরের প্রথম দিনেই একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের দাবি, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে না এবং আবেদন করতে গিয়ে তাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এদিকে, বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বিডিও অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের চরম গাফিলতির কারণেই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আজ ছিল শিবিরের প্রথম দিন, সেই কারণে কিছু প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হলেও আগামী দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের জন্য সমস্ত পরিষেবা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, প্রথম দিনেই 'অভিযোগের পাহাড়' তৈরি হওয়া এই জনকল্যাণ শিবির কি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারবে, নাকি তাদের ভোগান্তি আরও বাড়াবে।1
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি স্কুলে একটি বন্ধ ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এই অর্থের পাশাপাশি আরও কিছু জিনিস পাওয়া গেছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।1
- মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি হিসেবে নিজের প্রথম সভা সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, তিনি ক্লাবের বাইরে উপস্থিত সমর্থকদের বিপুল উৎসাহ ও ভালোবাসা দেখে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছেন। এই অসামান্য উদ্দীপনায় তিনি দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত যে ক্লাবের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যগুলো পূরণ হবেই। আজকের বৈঠকে ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়ন, ফুটবলের মানোন্নয়ন এবং ক্লাবের ঐতিহ্যের আধুনিকীকরণ – এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। সভাপতির মতে, সমর্থকদের এই অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা তাঁকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তুলেছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, সমর্থকদের স্বপ্নের মহামেডানকে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি 'জয় মহামেডান' ধ্বনি তুলে আগামী দিনের পথে সমর্থকদের পাশে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণ যোজনার শিবিরকে কেন্দ্র করে ভগবানগোলায় সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে আসা বহু মানুষকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বাম যুব সংগঠনের সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ করেছেন যে, তীব্র গরম ও প্রায় ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেও মানুষকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা নিতে আসা প্রবীণ ও অসহায় ব্যক্তিরাও সঠিকভাবে পরিষেবা পাচ্ছেন না, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। ভগবানগোলা মণ্ডল-১ সভাপতি দীনেশ মণ্ডল, মণ্ডল সভাপতি সোমেন ঘোষ এবং বিজেপি নেতা পলাশ সরকার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার সরাসরি মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁরা আরও দাবি করেন যে, জনকল্যাণ যোজনার প্রথম পর্যায় হওয়ায় কিছুটা সময় লাগছে এবং সেই কারণে সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, শিবিরে আসা মানুষজন বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে পরিষেবা গ্রহণ করছেন, ফলে প্রথম দিকে কিছু ভিড় ও অসুবিধা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে ভগবানগোলা ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। জনকল্যাণ যোজনার শিবিরকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের লড়াই, ফলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।1
- সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ইন্দাসের সাহসপুর ও রোল এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। তিনি ফিতে কেটে এই শিবিরের সূচনা করেন। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত এই শিবির চলবে এবং এখান থেকে মোট ৫৩টি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করা হবে। এই জনকল্যাণ শিবির থেকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড তৈরি করা যাবে, পাশাপাশি যুবশক্তি, অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। কর্মসূচিতে ইন্দাস বিধানসভার বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া ছাড়াও ইন্দাস ব্লকের বিডিও জুপিটার বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দাস থানার ওসি চয়ন কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌতম ধারা, পূর্ণেন্দু মুখার্জি, বিপ্রদাস অধিকারী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত আধিকারিকরা নথি যাচাই এবং ফর্ম পূরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছেন। শিবির শুরু হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ভিড় জমান এবং আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা সহ অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করান।1