রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের নেতাজি আবাস ও বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের জন্য বহু মানুষ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হন, যেখানে সকাল থেকেই পরিষেবা পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে এবং আবেদন জানাতে দেখা যায়। এই শিবিরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা, আবাসন এবং খাদ্যসাথী সহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এক ছাতার তলায় একাধিক সরকারি পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রবীণ নাগরিক, মহিলা ও যুবক-যুবতীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে আসা মানুষের আবেদন গ্রহণ, নথিপত্র যাচাই এবং প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্টার খোলা হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণে তাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের নেতাজি আবাস ও বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের জন্য বহু মানুষ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হন, যেখানে সকাল থেকেই পরিষেবা পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে এবং আবেদন জানাতে দেখা যায়। এই শিবিরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা, আবাসন এবং খাদ্যসাথী সহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এক ছাতার তলায় একাধিক সরকারি পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রবীণ নাগরিক, মহিলা ও যুবক-যুবতীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে আসা মানুষের আবেদন গ্রহণ, নথিপত্র যাচাই এবং প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্টার খোলা হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণে তাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের নেতাজি আবাস ও বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের জন্য বহু মানুষ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হন, যেখানে সকাল থেকেই পরিষেবা পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে এবং আবেদন জানাতে দেখা যায়। এই শিবিরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা, আবাসন এবং খাদ্যসাথী সহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এক ছাতার তলায় একাধিক সরকারি পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রবীণ নাগরিক, মহিলা ও যুবক-যুবতীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে আসা মানুষের আবেদন গ্রহণ, নথিপত্র যাচাই এবং প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্টার খোলা হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণে তাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- সোমবার সকালে বহরমপুরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জর্জকোট মোড়ের পার্কের পাশে স্থাপিত বিশ্ব বাংলার লোগোটি পৌরসভার উদ্যোগে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সময় বহরমপুরের বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বিধায়কের ঘোষণা অনুযায়ী, বিশ্ব বাংলার লোগোর এই জায়গায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর মূর্তি স্থাপন করা হবে। পৌরসভার কর্মীরা এদিন লোগোটি ভেঙে স্থানটি খালি করার কাজ সম্পন্ন করেছেন।1
- রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘জনকল্যাণ শিবির’ আজ থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে। পূর্বতন ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির নাম পরিবর্তন করে নতুন সরকারের উদ্যোগে এটি ‘জনকল্যাণ শিবির’ নামকরণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশক্রমে সোমবার থেকে চালু হওয়া এই শিবিরে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আগামী ১৭ই জুন পর্যন্ত চলবে। রাজ্যব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া কিষাণ মান্ডিতেও একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়। প্রথম দিনের এই শিবির পরিদর্শন করেন হরিহরপাড়া বিধানসভার বিধায়ক নিয়ামত শেখ। তিনি সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন পরিষেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই শিবিরে রাজ্য সরকারের প্রায় ৫৫টি জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা ও আবেদনপত্র পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও, বার্ধক্য ভাতা, কৃষি পরিষেবা এবং জব কার্ডসহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিন শিবিরে হরিহরপাড়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ছেরিং জাম ভুটিয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর, হরিহরপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম কুমার দাসসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর শহরের গোরাবাজার জজকোর্ট সংলগ্ন পার্ক এলাকায় স্থাপিত বিশ্ববাংলার লোগো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আজ বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর উপস্থিতিতেই এই লোগোটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। বহরমপুর গোরাবাজারে বিশ্ববাংলার লোগো গুঁড়িয়ে দেওয়ার এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর জলঙ্গি বিধানসভা এলাকার সাগরপাড়া অনুষ্ঠান বাড়িতে আয়োজিত প্রথম জনকল্যাণ শিবির ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। প্রচণ্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকা থেকে শত শত মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আশায় এই শিবিরে ভিড় জমিয়েছিলেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ প্রশাসন মোতায়েন ছিল। তবে শিবিরের প্রথম দিনেই একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের দাবি, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে না এবং আবেদন করতে গিয়ে তাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এদিকে, বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বিডিও অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের চরম গাফিলতির কারণেই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আজ ছিল শিবিরের প্রথম দিন, সেই কারণে কিছু প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হলেও আগামী দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের জন্য সমস্ত পরিষেবা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, প্রথম দিনেই 'অভিযোগের পাহাড়' তৈরি হওয়া এই জনকল্যাণ শিবির কি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারবে, নাকি তাদের ভোগান্তি আরও বাড়াবে।1
- ভরতপুরের নতুনপাড়া সহ বেশ কয়েকটি এলাকার কংক্রিটের ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না হওয়ায় কার্যত আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছিল। এর ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়তো এবং নোংরা জল উপচে রাস্তায় জমে যেত, যার চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল আট থেকে আশি সব বয়সের বাসিন্দাদেরই। বিশেষ করে বর্ষার এই সময়ে জমে থাকা নোংরা জল থেকে মশা, মাছি ও নানাবিধ বিষাক্ত পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া সহ মারাত্মক জলবাহিত রোগের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিলেন এলাকাবাসী। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনো সুরাহা না হওয়ায়, নিরুপায় হয়ে বাসিন্দারা তাঁদের এই দুর্দশার কথা এলাকার পরিচিত সমাজসেবী তথা ভরতপুর ইউনাইটেড ফাউন্ডেশন-এর কর্ণধার রওশন সেখ ওরফে বাবুকে জানান। খবর পাওয়া মাত্রই এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে, রওশন সেখ অনন্য নজির সৃষ্টি করেন। এলাকার সাধারণ মানুষকে রোগব্যাধি ও জলযন্ত্রণা থেকে বাঁচাতে তিনি প্রশাসনের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেই কয়েকজন শ্রমিককে সাথে নিয়ে সশরীরে ড্রেনে নেমে পড়েন। তিনি দীর্ঘদিনের জমে থাকা পাঁক ও আবর্জনা পরিষ্কার করে নিকাশি ব্যবস্থা সচল করেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভরতপুর ইউনাইটেড ফাউন্ডেশন ও তার কর্ণধার রওশন সেখ বাবু প্রমাণ করে দিলেন যে, স্থানীয় প্রশাসনের পালন করার কথা যে দায়িত্ব, তা নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে আন্তরিক ইচ্ছা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকলে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। এই মহতী উদ্যোগের পর এলাকার জলযন্ত্রণা ও রোগব্যাধির আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেয়ে ভুক্তভোগী বাসিন্দারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। তাঁরা ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং রওশন বাবুর ভূয়সী প্রশংসা করছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণ যোজনার শিবিরকে কেন্দ্র করে ভগবানগোলায় সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে আসা বহু মানুষকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বাম যুব সংগঠনের সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ করেছেন যে, তীব্র গরম ও প্রায় ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেও মানুষকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা নিতে আসা প্রবীণ ও অসহায় ব্যক্তিরাও সঠিকভাবে পরিষেবা পাচ্ছেন না, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। ভগবানগোলা মণ্ডল-১ সভাপতি দীনেশ মণ্ডল, মণ্ডল সভাপতি সোমেন ঘোষ এবং বিজেপি নেতা পলাশ সরকার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার সরাসরি মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁরা আরও দাবি করেন যে, জনকল্যাণ যোজনার প্রথম পর্যায় হওয়ায় কিছুটা সময় লাগছে এবং সেই কারণে সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, শিবিরে আসা মানুষজন বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে পরিষেবা গ্রহণ করছেন, ফলে প্রথম দিকে কিছু ভিড় ও অসুবিধা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে ভগবানগোলা ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। জনকল্যাণ যোজনার শিবিরকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের লড়াই, ফলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।1
- মমতার বাড়ি যাওয়ার সময় সাধারণ মানুষের রোষের মুখে পড়েন কুনাল ঘোষ। এই সময় তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছে।1