নলহাটিতে দেরিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সভা, কম ভিড় নিয়ে প্রশ্ন—মঞ্চ থেকে মমতা ও মোদীকে একসাথে আক্রমণ। নলহাটিতে দেরিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সভা, কম ভিড় নিয়ে প্রশ্ন—মঞ্চ থেকে মমতা ও মোদীকে একসাথে আক্রমণ। বীরভূমের নলহাটিতে এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসির নির্ধারিত জনসভা ঘিরে দিনভর অনিশ্চয়তার পর শেষমেশ বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ তাঁর আগমন ঘটে। যদিও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১টায় সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল, দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফলে সভাস্থলে উপস্থিত জনতার একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে ফিরে যেতে শুরু করেন। প্রথমদিকে কিছুটা উৎসাহ থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ভিড় কমতে থাকে। স্থানীয় সূত্রে অনুমান, সভায় উপস্থিতির সংখ্যা প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০-এর মধ্যে ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রত্যাশিত জনসমাগম না হওয়ায় সভার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, উপস্থিত অনেকেই মূলত হেলিকপ্টার দেখতে বা কৌতূহলবশত সভাস্থলে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। এ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, এত বড় নেতার উপস্থিতিতেও যদি মাঠ পূর্ণ না হয়, তবে তা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের নলহাটি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি অশোক ঘোষ বলেন, “নলহাটিতে এআইএমআইএম-এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। এত বড় নেতা আসার পরও যদি জনসমাগম সীমিত থাকে, তাহলে তা স্পষ্ট বার্তা দেয়। এখানে মানুষ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-কেই ভরসা করে।” তিনি আরও দাবি করেন, “অনেকেই শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দেখতে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়।” পাশাপাশি এআইএমআইএম-কে কটাক্ষ করে তিনি একে “বিজেপির বি-টিম” বলেও অভিযোগ তোলেন। এদিকে সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি সরাসরি আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। ওয়াইসি অভিযোগ করেন, “মোদী বলছেন মুসলিমদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বললেও বাস্তবে তাদেরই শক্তিশালী করেছেন।” তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই—দুজনেই এক।” পাশাপাশি অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, বহু বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সেই সময়ের সিদ্ধান্তগুলিও প্রশ্নের মুখে তোলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাপকে ভরসা করা যায়, কিন্তু বিজেপিকে নয়” মন্তব্যের পাল্টা জবাবে ওয়াইসি বলেন, “বিজেপিকে যদি দুধ খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা আপনার হাতেই হয়েছে।” তবে এই পরিস্থিতি নিয়ে এআইএমআইএম-এর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেরিতে আগমন ও তুলনামূলক কম ভিড়—এই দুই বিষয়কে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সব মিলিয়ে, নলহাটির এই সভা ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আগামী দিনে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।
নলহাটিতে দেরিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সভা, কম ভিড় নিয়ে প্রশ্ন—মঞ্চ থেকে মমতা ও মোদীকে একসাথে আক্রমণ। নলহাটিতে দেরিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সভা, কম ভিড় নিয়ে প্রশ্ন—মঞ্চ থেকে মমতা ও মোদীকে একসাথে আক্রমণ। বীরভূমের নলহাটিতে এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসির নির্ধারিত জনসভা ঘিরে দিনভর অনিশ্চয়তার পর শেষমেশ বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ তাঁর আগমন ঘটে। যদিও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১টায় সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল, দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফলে সভাস্থলে উপস্থিত জনতার একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে ফিরে যেতে শুরু করেন। প্রথমদিকে কিছুটা উৎসাহ থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ভিড় কমতে থাকে। স্থানীয় সূত্রে অনুমান, সভায় উপস্থিতির সংখ্যা প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০-এর মধ্যে ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রত্যাশিত জনসমাগম না হওয়ায় সভার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, উপস্থিত অনেকেই মূলত হেলিকপ্টার দেখতে বা কৌতূহলবশত সভাস্থলে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। এ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, এত বড় নেতার উপস্থিতিতেও যদি মাঠ পূর্ণ না হয়, তবে তা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের নলহাটি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি অশোক ঘোষ বলেন, “নলহাটিতে এআইএমআইএম-এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। এত বড় নেতা আসার পরও যদি জনসমাগম সীমিত থাকে, তাহলে তা স্পষ্ট বার্তা দেয়। এখানে মানুষ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-কেই ভরসা করে।” তিনি আরও দাবি করেন, “অনেকেই শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দেখতে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়।” পাশাপাশি এআইএমআইএম-কে কটাক্ষ করে তিনি একে “বিজেপির বি-টিম” বলেও অভিযোগ তোলেন। এদিকে সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি সরাসরি আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। ওয়াইসি অভিযোগ করেন, “মোদী বলছেন মুসলিমদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বললেও বাস্তবে তাদেরই শক্তিশালী করেছেন।” তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই—দুজনেই এক।” পাশাপাশি অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, বহু বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সেই সময়ের সিদ্ধান্তগুলিও প্রশ্নের মুখে তোলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাপকে ভরসা করা যায়, কিন্তু বিজেপিকে নয়” মন্তব্যের পাল্টা জবাবে ওয়াইসি বলেন, “বিজেপিকে যদি দুধ খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা আপনার হাতেই হয়েছে।” তবে এই পরিস্থিতি নিয়ে এআইএমআইএম-এর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেরিতে আগমন ও তুলনামূলক কম ভিড়—এই দুই বিষয়কে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সব মিলিয়ে, নলহাটির এই সভা ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আগামী দিনে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।
- নলহাটিতে দেরিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সভা, কম ভিড় নিয়ে প্রশ্ন—মঞ্চ থেকে মমতা ও মোদীকে একসাথে আক্রমণ। বীরভূমের নলহাটিতে এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসির নির্ধারিত জনসভা ঘিরে দিনভর অনিশ্চয়তার পর শেষমেশ বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ তাঁর আগমন ঘটে। যদিও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১টায় সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল, দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফলে সভাস্থলে উপস্থিত জনতার একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে ফিরে যেতে শুরু করেন। প্রথমদিকে কিছুটা উৎসাহ থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ভিড় কমতে থাকে। স্থানীয় সূত্রে অনুমান, সভায় উপস্থিতির সংখ্যা প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০-এর মধ্যে ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রত্যাশিত জনসমাগম না হওয়ায় সভার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, উপস্থিত অনেকেই মূলত হেলিকপ্টার দেখতে বা কৌতূহলবশত সভাস্থলে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। এ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, এত বড় নেতার উপস্থিতিতেও যদি মাঠ পূর্ণ না হয়, তবে তা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের নলহাটি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি অশোক ঘোষ বলেন, “নলহাটিতে এআইএমআইএম-এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। এত বড় নেতা আসার পরও যদি জনসমাগম সীমিত থাকে, তাহলে তা স্পষ্ট বার্তা দেয়। এখানে মানুষ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-কেই ভরসা করে।” তিনি আরও দাবি করেন, “অনেকেই শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দেখতে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়।” পাশাপাশি এআইএমআইএম-কে কটাক্ষ করে তিনি একে “বিজেপির বি-টিম” বলেও অভিযোগ তোলেন। এদিকে সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি সরাসরি আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। ওয়াইসি অভিযোগ করেন, “মোদী বলছেন মুসলিমদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বললেও বাস্তবে তাদেরই শক্তিশালী করেছেন।” তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই—দুজনেই এক।” পাশাপাশি অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, বহু বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সেই সময়ের সিদ্ধান্তগুলিও প্রশ্নের মুখে তোলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাপকে ভরসা করা যায়, কিন্তু বিজেপিকে নয়” মন্তব্যের পাল্টা জবাবে ওয়াইসি বলেন, “বিজেপিকে যদি দুধ খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা আপনার হাতেই হয়েছে।” তবে এই পরিস্থিতি নিয়ে এআইএমআইএম-এর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেরিতে আগমন ও তুলনামূলক কম ভিড়—এই দুই বিষয়কে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সব মিলিয়ে, নলহাটির এই সভা ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আগামী দিনে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।1
- আজকে রঘুনাথগঞ্জে সভা শেষ করে যাওয়ার সময় আসাদউদ্দিন ওয়াসি সাহেব 👍 #assaduddinowaisi #ImranSolanki Imran Solanki-AIMIM1
- Post by Safikul islam1
- ভোট প্রচারের শেষ দিকে রোড শো করে নিমতিতা অঞ্চলে ঝড় তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নুর আলম। মঙ্গলবার সকালে নিমতিতা অঞ্চলের শেরপুর থেকে শুরু করে হাসিমপুর, ধনার মোড় সহ বিভিন্ন প্রান্ত দিয়ে রোড শো আয়োজিত হয়। রোড শোতে মানুষের ব্যাপক সমাগম লক্ষ করা যায়। নিমতিতা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্তে হুডখোলা গাড়িতে করে রোড শো করেন নুর আলম। বাইক মিছিলে শত শত কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।1
- Post by Babulal Sarkar1
- মঙ্গলবার মালদার চাঁচলে হয়ে গেল হাই ভোল্টেজ নির্বাচনী সভা। উত্তর মালদার চার-চারজন কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা করলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী। সভামঞ্চ থেকে তিনি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের যেমন সমালোচনা করেন, তেমনই কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে।আগামী ২৩শে এপ্রিল মালদায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তাই আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মালদায় কংগ্রেসের পুরনো ঘাঁটি পুনরুদ্ধারে মঙ্গলবার মালদায় নির্বাচনী প্রচারে আসেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি চাঁচলের কলমবাগান মাঠে সভা করেন। চাঁচলের কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহেবুব, মালতীপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম নূর, রতুয়ার কংগ্রেস প্রার্থী মোত্তাকিন আলম এবং হরিশ্চন্দ্রপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মোস্তাক আলমের সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় কংগ্রেস নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। রাহুল গান্ধী বেলা ১টা নাগাদ হেলিকপ্টারে চেপে সভাস্থলে পৌঁছান। তিনি হেলিকপ্টার থেকে নেমে সভামঞ্চে পৌঁছানো মাত্রই কংগ্রেস, নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উন্মাদনার ছবি নজরে আসে। ভিড়ে ঠাসা সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী প্রথমেই বিজেপির বিরুদ্ধে জোরদার আক্রমণ শানান। একহাত নেন তৃণমূলকেও। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের পাঁচ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে কংগ্রেস প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করা সহ রাজ্যে কংগ্রেস সরকার গঠনের আবেদন জানান।1
- সামশেরগঞ্জে কৃষি মান্ডি ময়দানে রাহুল গান্ধীর বিশাল জনসভা। সেখানে ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গীপুর, রঘুনাথগঞ্জ, লালগোলা ও সাগরদীঘির কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে এখানে রাহুল গান্ধী জনসভা করবেন। রাহুল গান্ধী সভা ঘিরে সকাল থেকে জোরদার প্রস্তুতি চলছে এবং প্রস্তুতি ক্ষতিয়ে দেখতে সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস ব্লক সভাপতি তাসিরুদ্দিন আহমেদ এখানে উপস্থিত হয়েছেন। এই সভাস্থল ঘিরে সাজ সাজ রব।1
- AIMIM এর জাতীয় সভাপতি জনাব আসাদউদ্দিন ওয়াইসি সাহেব সর্বদা রঘুনাথগঞ্জের মানুষের সাথে মানুষের পাশে।🪁🪁 #reelschallenge #AIMIM #TeamOwaisi #aimimindia #Raghunathganj #BengalPolitics #VoiceOfPeople #BengalPolitics #reelsfacebook #AsaduddinOwaisi #ImranSolanki #Raghunathganj1