Shuru
Apke Nagar Ki App…
ধুপগুড়ির কালিরহাট এলাকায় সাত সকালে একজোড়া বাইসন দেখা গেছে। বাইসনগুলির দাপাদাপিতে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। লোকালয়ে বাইসন দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়ছে।
India TV বাংলা
ধুপগুড়ির কালিরহাট এলাকায় সাত সকালে একজোড়া বাইসন দেখা গেছে। বাইসনগুলির দাপাদাপিতে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। লোকালয়ে বাইসন দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়ছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গের ফলতায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাপ্ত পোস্টাল ভোটের সংখ্যা নিয়ে একটি গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে। প্রশ্নটি হল, তৃণমূল কংগ্রেস কীভাবে এত বিপুল সংখ্যক পোস্টাল ভোট অর্জন করল।1
- ধুপগুড়ির কালিরহাট এলাকায় সাত সকালে একজোড়া বাইসন দেখা গেছে। বাইসনগুলির দাপাদাপিতে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। লোকালয়ে বাইসন দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়ছে।1
- ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/২৩ নং বুথে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে এই মিছিল শুরু হয়ে গোটা বুথ পরিক্রমা করে। বিজয় মিছিল সম্পন্ন হওয়ার পর অংশগ্রহণকারীদের জন্য ভুঁড়িভোজের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।2
- মেখলিগঞ্জ মহকুমায় দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তে রবিবার, ২৪ মে, ফের জমি জরিপের কাজ শুরু হয়েছে। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা বিএসএফের উপস্থিতিতে করণ সীমা চৌকি সংলগ্ন এলাকায় মাপজোক করেন। এই মাপজোকের কাজটি কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। গত শুক্রবার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশের পক্ষ শূন্য রেখা থেকে ১৫০ মিটার দূরে বেড়া নির্মাণের দাবি জানালেও, ভারতীয় পক্ষ জিরো লাইনেই বেড়া নির্মাণের দাবিতে অনড় রয়েছে। শনিবার একটি সেক্টর পর্যায়ের বৈঠকের পর আবারও এই জরিপ কাজ শুরু হওয়ায় সীমান্তবাসীরা খুশি। তাঁদের প্রধান দাবি হলো, দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হোক।1
- মেখলিগঞ্জ ব্লকের ভোটবাড়ি অঞ্চলের ৮৫ নং বুথে বিজেপির বিজয় মিছিল প্রসঙ্গে কী মন্তব্য করা হয়েছে, তা শোনার জন্য শ্রোতাদের আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- বিধানসভা নির্বাচনে সাফল্যের পর শীতলখুঁচি ব্লকের ২৪৫ নং বুথে এক আবেগঘন বিজয় মিছিলের আয়োজন করে বিজেপি সমর্থকরা। গত ২৪ মে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে কর্মী-সমর্থকদের জন্য মাছ-ভাতের আপ্যায়নও করা হয়। গোটা এলাকা দলীয় পতাকা, গেরুয়া আবির এবং স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে, যা ছিল এই বিজয় উৎসবের প্রধান আকর্ষণ। বুথ এলাকা পরিক্রমার পর উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মাছ-ভাতে আপ্যায়ন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বুথ সভাপতি অনন্ত বর্মন, ৬ নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক কমল কান্তি রায়, জেলা কমিটির সদস্য অমর দেবনাথ-সহ একাধিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। মিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক বর্ষীয়ান নেতা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং জানান যে, আজকের এই বিজয় মিছিল দেখে মনে হচ্ছে দীর্ঘদিনের লড়াই সার্থক হয়েছে। সারা ব্লক জুড়েই এই বিজয় উৎসবকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।1
- ওদলাবাড়ির সরকারি হাট ও সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা অবৈধ দখলদারিত্ব নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বাড়ছিল। রাস্তা দখল, সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি নির্মাণ এবং হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রা মুন্ডা কঠোর বার্তা দিয়েছেন, স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, “সরকারি জমি দখল করে যারা বসে আছে, তাদের বিরুদ্ধে বুলডোজার চলবেই।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওদলাবাড়ি হাট এলাকায় কয়েক বছর ধরেই সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে কিছু অসাধু ব্যক্তি সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি তৈরি করেছে। এছাড়াও, অনেক দোকানদার রাস্তার উপর দোকানের সামগ্রী রেখে ব্যবসা করায় যাতায়াতের রাস্তা ক্রমশ সরু হয়ে পড়ছিল, যার ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, এই দখলদারি আগের সরকারের আমল থেকেই চলে আসছে এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বর্তমান সরকারের কাছে তাদের প্রধান দাবি হলো সরকারি হাট ও রাস্তা দখলমুক্ত করে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা।1
- জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন যুব সম্পাদক পাপন চাকলাদারকে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে শনিবার ময়নাগুড়িতে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, এই তৃণমূল নেতা এলাকার ত্রাস ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে জমি দখল, টাকা আত্মসাৎ, হুমকি সহ একাধিক বিষয় অভিযোগ ছিল। নির্বাচনের ফলাফলের দিন থেকেই পাপন চাকলাদার বেপাত্তা ছিলেন। গত শুক্রবার তিনি পুনরায় বাড়িতে ফিরে আসার পর শনিবার সকালে উত্তেজিত স্থানীয় মানুষজন তাকে ধরে মারধর করে। এরপর তার বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা পাপন চাকলাদার এবং তার স্ত্রী কাকলি চাকলাদারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে, ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ বেশ কিছু মামলায় তাদের দুজনকে গ্রেফতার করে। রবিবার তাদের দুজনের শারীরিক পরীক্ষার পর জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করা হলে, তৃণমূল নেতা পাপন চাকলাদারকে আট দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী কাকলি চাকলাদারকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।1