কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার উত্তরবঙ্গ সফরে এসে বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিরোধী দলের ভবিষ্যৎসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরব হন। তিনি কড়া ভাষায় তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে দাবি করেন যে, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, ভবিষ্যতে তৃণমূলের অস্তিত্ব ও প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে। এর পাশাপাশি তিনি রাজ্যে বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন যে, আগামী সময়ে বাংলার মানুষই ঠিক করবেন কোন দল প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসবে। একই সাথে তিনি বিজেপির দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়েও আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য রাখেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন যে, তাঁর বিভিন্ন মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রায়শই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এমনকি রাহুল গান্ধীর নিজের দলের কর্মীরাও অনেক ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট ধারণা পান না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান যে, আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি সকলের শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ আইনের প্রতি সম্মান না দেখান, তাহলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার উত্তরবঙ্গ সফরে এসে বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিরোধী দলের ভবিষ্যৎসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরব হন। তিনি কড়া ভাষায় তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে দাবি করেন যে, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, ভবিষ্যতে তৃণমূলের অস্তিত্ব ও প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে। এর পাশাপাশি তিনি রাজ্যে বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন যে, আগামী সময়ে বাংলার মানুষই ঠিক করবেন কোন দল প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসবে। একই সাথে তিনি বিজেপির দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়েও আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য রাখেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন যে, তাঁর বিভিন্ন মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রায়শই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এমনকি রাহুল গান্ধীর নিজের দলের কর্মীরাও অনেক ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট ধারণা পান না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান যে, আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি সকলের শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ আইনের প্রতি সম্মান না দেখান, তাহলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
- User7732West Bengal👏9 hrs ago
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রয়াত মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে খড়িবাড়ি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, খড়িবাড়ির বিন্নাবাড়ি পঞ্চায়েতের দেবীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মুন্না সিং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন। এই ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার জেলা সম্পাদক অনিল কুমার রায়-সহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা থানায় এই অভিযোগ জানান। তাঁরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। আগামীকাল তাকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে। খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার উত্তরবঙ্গ সফরে এসে বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিরোধী দলের ভবিষ্যৎসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরব হন। তিনি কড়া ভাষায় তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে দাবি করেন যে, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, ভবিষ্যতে তৃণমূলের অস্তিত্ব ও প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে। এর পাশাপাশি তিনি রাজ্যে বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন যে, আগামী সময়ে বাংলার মানুষই ঠিক করবেন কোন দল প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসবে। একই সাথে তিনি বিজেপির দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়েও আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য রাখেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন যে, তাঁর বিভিন্ন মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রায়শই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এমনকি রাহুল গান্ধীর নিজের দলের কর্মীরাও অনেক ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট ধারণা পান না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান যে, আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি সকলের শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ আইনের প্রতি সম্মান না দেখান, তাহলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।1
- দিল্লিতে বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির বাড়িতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর রাজকীয় অভ্যর্থনার দাবি করে একটি ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হয়েছে। এই খবরটি দেশের রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যা বিজেপির অন্দরেও চাঞ্চল্য বাড়িয়েছে।1
- দেখলে মনে হতে পারে এটি ধান চাষের জমি, কিন্তু আসলে এটি বাগডোগরা নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এই বিমানবন্দরের পাশেই হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা রয়েছে, অথচ সেই দিকে কারো নজর নেই। ঠিক যখন এই ব্যস্ত রাস্তাটি অবহেলিত, তখন মানুষের বাড়িঘর ভাঙার জন্য ২৪টি জেসিবি মেশিন নিয়ে আসা হচ্ছে। বাগডোগরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পার্কিংয়ের পাশে অবস্থিত এই জনবহুল রাস্তাটির দিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য আকুতি জানানো হয়েছে। প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ কার উপর ভরসা করবে।1
- প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত মাকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) খড়িবাড়ি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।1
- ওদলাবাড়ির সরকারি হাট ও সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা অবৈধ দখলদারিত্ব নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বাড়ছিল। রাস্তা দখল, সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি নির্মাণ এবং হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রা মুন্ডা কঠোর বার্তা দিয়েছেন, স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, “সরকারি জমি দখল করে যারা বসে আছে, তাদের বিরুদ্ধে বুলডোজার চলবেই।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওদলাবাড়ি হাট এলাকায় কয়েক বছর ধরেই সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে কিছু অসাধু ব্যক্তি সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি তৈরি করেছে। এছাড়াও, অনেক দোকানদার রাস্তার উপর দোকানের সামগ্রী রেখে ব্যবসা করায় যাতায়াতের রাস্তা ক্রমশ সরু হয়ে পড়ছিল, যার ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, এই দখলদারি আগের সরকারের আমল থেকেই চলে আসছে এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বর্তমান সরকারের কাছে তাদের প্রধান দাবি হলো সরকারি হাট ও রাস্তা দখলমুক্ত করে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা।1
- ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/২৩ নং বুথে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে এই মিছিল শুরু হয়ে গোটা বুথ পরিক্রমা করে। বিজয় মিছিল সম্পন্ন হওয়ার পর অংশগ্রহণকারীদের জন্য ভুঁড়িভোজের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।2
- আলোর দিশারী নামক সংগঠন রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে সংস্কৃতির আলোকশিখা প্রজ্জ্বলিত করেছে।1