Shuru
Apke Nagar Ki App…
বিরল দৃশ্য না কি বিপন্নতা? দীঘায় পর্যটকদের হাতে বন্দি জীবন্ত ইরাবতী ডলফিন, ছবি তোলার চক্করে প্রাণ সংশয় জলজ প্রাণীর!"
মুখার্জী নিউজ
বিরল দৃশ্য না কি বিপন্নতা? দীঘায় পর্যটকদের হাতে বন্দি জীবন্ত ইরাবতী ডলফিন, ছবি তোলার চক্করে প্রাণ সংশয় জলজ প্রাণীর!"
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- “আরামবাগে ক্যামেরার সামনে বিস্ফোরক রাকেশ আলী—বিজেপিকে সরাসরি আক্রমণ”। #vairal1
- Post by Tv20 বাংলা1
- *বাজারে গেরুয়া আবির এর কদর বেশী* EVM বন্দি জনমত। ইভিএম সিল হয়ে গেছে স্ট্রং রুমে। কিন্তু ময়দানের লড়াই শেষ হতেই শুরু হয়ে গেছে অন্য লড়াই — আবিরের বাজারে। গণনার দিন বিজয় উৎসবের প্রস্তুতিতে জেলাজুড়ে এখন হু হু করে বিক্রি হচ্ছে লাল, সবুজ, গেরুয়া আবির। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফার মাধ্যমে রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাঁকুড়া শহরের রাসতলা পাইকারি দোকানগুলিতে ভিড় জমতে শুরু করে। 'শেষ হাসি হাসবেন তাঁরাই' ধরে নিয়ে সব দলের কর্মীরা বস্তা বস্তা আবির তুলছেন। বাঁকুড়া শহরের পাইকারি ব্যবসায়ী রাজু কুণ্ডু বলেন, এবার আবিরের চাহিদা বেশ ভালো। আপাতত গেরুয়া ৭০০ ও সবুজ আবির ৪০০ বস্তা এনেছিলাম। তবে গেরুয়া আবিরের চাহাদাই সব থেকে বেশী। আর এক ব্যবসায়ী বাপি দাস বলেন, লাল, সবুজ, গেরুয়া সব রঙের আবিরই রেখেছি। ব্যবসায়ী হিসেবে রাখতেই হবে। তবে ৪ তারিখে বোঝা যাবে। কিন্তু বাঁকুড়ায় বিজেপির জয়জয়কার হবে বলেই তিনি আশাপ্রকাশ করেন।3
- Post by Madhusudan Bhattacharya1
- পুনর নির্বাচন চলেছে ডায়মন্ডহারবার ২৪৩ নম্বর বুথে,সকাল থেকে লাইন1
- ১২তম বার্ষিক প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন হল দাসপুরের সোনামুই সিদ্দি বিনায়ক গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনের3
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by Tv20 বাংলা1
- কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইন্দাসে ধানচাষীদের ব্যাপক ক্ষতি, জলের তলায় ফসল কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির জেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেন ইন্দাস ব্লকের বিরাশিমূল এলাকার ধান চাষীরা। প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে প্রায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সময় ধান কাটার মরশুম চলায় চাষীরা ইতিমধ্যেই ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আচমকা ঝড়-বৃষ্টিতে মাঠে জল জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে চাষীদের এখন বেশি খরচ করে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটতে হচ্ছে। সাঁকরুল এলাকার কৃষক আব্দুল আলিম জানান, “ঝড়-বৃষ্টির ফলে আমরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। ধান জলের মধ্যে ডুবে থাকায় তার গুণমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে কম দামে ধান বিক্রি করতে হবে। এখনও পর্যন্ত এক কাটা জমির ধানও বাড়িতে তুলতে পারিনি।” অন্যদিকে, বিরাশিমুল গ্রামের আরেক ধান চাষী দিলীপ নাগ বলেন, “জলের নিচে থাকার কারণে ধানের মান খারাপ হয়ে যাবে, ফলে বাজারে দামও কম মিলবে। অনেক ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চাষীদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। সরকার যদি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে, তাহলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।” এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আর্থিক সহায়তার দাবি উঠছে এলাকাজুড়ে।1