পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত ২০২৬ সালের বাজেটে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও জনমুখী ঘোষণা করা হয়েছে। এই বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি, রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং মহিলাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বাজেট ঘোষণা অনুযায়ী, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য অক্টোবর মাস থেকে ৩৮% মহার্ঘ ভাতা (DA) প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, বৃদ্ধ, বিধবা এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রিন পুলিশের ভাতা ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে, এবং অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের মাসিক বেতন ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে মোট ১ লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩% মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বিশেষত, পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষক পদে ৫০ হাজার নিয়োগ করা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুর্গাপুর, আসানসোল ও শিলিগুড়িতে মেট্রো প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। ময়ূরেশ্বরে একটি ৪ লেনের সেতু নির্মাণ এবং উত্তরবঙ্গে নতুন পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সাথে, চিংড়িঘাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর নির্মাণেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জনসাধারণের কল্যাণে অনুপূর্ণা প্রকল্পের জন্য ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, এই বাজেট রাজ্যের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এক জনমুখী পদক্ষেপ।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত ২০২৬ সালের বাজেটে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও জনমুখী ঘোষণা করা হয়েছে। এই বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি, রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং মহিলাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বাজেট ঘোষণা অনুযায়ী, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য অক্টোবর মাস থেকে ৩৮% মহার্ঘ ভাতা (DA) প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, বৃদ্ধ, বিধবা এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রিন পুলিশের ভাতা ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে, এবং অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের মাসিক বেতন ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে মোট ১ লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩% মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বিশেষত, পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষক পদে ৫০ হাজার নিয়োগ করা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুর্গাপুর, আসানসোল ও শিলিগুড়িতে মেট্রো প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। ময়ূরেশ্বরে একটি ৪ লেনের সেতু নির্মাণ এবং উত্তরবঙ্গে নতুন পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সাথে, চিংড়িঘাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর নির্মাণেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জনসাধারণের কল্যাণে অনুপূর্ণা প্রকল্পের জন্য ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, এই বাজেট রাজ্যের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এক জনমুখী পদক্ষেপ।
- রাজ্যে স্মার্টমিটার বসানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ABECA একটি ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করতে চলেছে। এই কর্মসূচি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত হবে।1
- রাজ্যে পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে এটিই প্রথম জেলা পরিষদের বোর্ড ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন। এই নতুন বোর্ডের সভাধিপতি হয়েছেন বামদেব গুচ্ছাইত এবং সহ-সভাধিপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বাঁশরী পণ্ডিত।1
- রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর তাদের প্রথম বাজেট অধিবেশনে সিভিক স্বেচ্ছাসেবকদের ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে ২০০০ টাকা করা হয়েছে।1
- দৈনিক সমাচারের এক প্রতিবেদনে শতরুপ ঘোষের একটি বিস্ফোরক মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। শতরুপ ঘোষ দাবি করেছেন যে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ব্রিটিশদের চাকর ছিলেন। এই মন্তব্যটি দৈনিক সমাচার এবং সামাচার মিডিয়া গ্রুপের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।1
- খাতড়া জাতীয় যুব-রাজ কম্পিউটার একাডেমী একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে যে তাদের মূল লক্ষ্য কেবল শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার অঙ্গীকার পূরণ করা।1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ এখন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দখলে চলে এসেছে। বামদেব গুছাইতকে নতুন সভাধিপতি এবং পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো। ২০০৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ দখল করেছিল, যা নন্দীগ্রাম আন্দোলন এবং ভূমি উচ্ছেদের প্রতিবাদের ফলস্বরূপ তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের হাত থেকে এই জেলার রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে আসে। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদে জিতেই প্রথমবার ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যেও ক্ষমতায় আসে। তবে, সম্প্রতি '২৬ এ ধরাশায়ী হওয়ার পর' এই জেলা পরিষদ হাতছাড়া হয়েছে। জেলা পরিষদের মোট ৭০টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের ৫৬ জন এবং বিজেপির ১৪ জন সদস্য ছিলেন, তবে ২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়। রাজ্যের পালাবদলের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৎকালীন সভাধিপতি উত্তম বারিক এবং সহকারী সভাধিপতি সুহাসিনী কর পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর একটি সাধারণসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৬৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে নতুন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত হন। জয়দেব মিদ্যা সভাধিপতি পদের জন্য বামদেব গুছাইতের নাম প্রস্তাব করেন, যা সভায় উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন। একইভাবে, জেলা পরিষদ সদস্যা পূর্ণিমা দাস বাসুরি পণ্ডিতকে সহকারী সভাধিপতির পদে প্রস্তাব করা হয় এবং সেটিও সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এইদিন জেলা পরিষদের সতীশচন্দ্র সামন্ত সভাকক্ষে নবনির্বাচিত সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই জয়ের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা আতশবাজি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। কাঁথির সাংসদ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন যে এখন আর 'ডবল ইঞ্জিন' নয়, বরং 'পঞ্চম ইঞ্জিন' (কেন্দ্র, রাজ্য, জেলা পরিষদ, সাংসদ ও বিধায়ক — সবকিছু বিজেপির) এর মাধ্যমে আগামী দিনে সকলের উন্নয়ন ঘটবে।1
- রাজ্যজুড়ে মাঠ মিটার বসানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে 'এবেকা'-র উদ্যোগে একটি ডেপুটেশন কর্মসূচি পালিত হতে চলেছে।1
- এক নম্বর মেরিগঞ্জ এলাকায় পুলিশের একটি গোপন অভিযানে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাড়িতে হানা দিয়েছিল এবং সেখানে চারটি তাজা বোমার সন্ধান পায়। উদ্ধার হওয়া এই বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করার জন্য সিআইডি (CID) বোম স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।1
- হলদিয়া পুরসভার বিশেষ উদ্যোগে হলদি নদীর তীরে পালিত হয়েছে যোগা দিবস। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী এবং মহকুমাশাসক তথা পুর-প্রশাসক সুরভি সিংলা। এছাড়াও পুরসভার একাধিক আধিকারিকরাও যোগা দিবসের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।1