কাজ ফিরে পেলেন ১৪জন শ্রমিক দু’বছর আগে আচমকাই কাজ হারিয়েছিলেন ১৪ জন ঠিকা শ্রমিক। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ইস্পাত হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা এই শ্রমিকদের জীবনে নেমে এসেছিল চরম অনিশ্চয়তা। নিয়মিত আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাঁদের। পরিবার, সন্তানদের পড়াশোনা, দৈনন্দিন খরচ সব কিছুই হয়ে উঠেছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কাজ ফিরে পাওয়ার আশায় একাধিকবার তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই ১৪ জন ঠিকা শ্রমিক। আবেদন, অনুরোধ, প্রতীক্ষা সবই ছিল, কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সমস্যার কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। হতাশার অন্ধকারে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত আলোর দিশা দেখায় তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কোর কমিটির সদস্যদের সক্রিয় উদ্যোগ। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয় রাজ্যের মাননীয় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের কাছে। মন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ ও তৎপরতায় অবশেষে কাজ ফিরে পান ওই ১৪ জন ঠিকা শ্রমিক। ফের ইস্পাত হাসপাতালে কাজে যোগ দিতে পেরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা।কাজ ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া শ্রমিক মহলে। দীর্ঘ দু’বছরের দুঃসহ যন্ত্রণার অবসান ঘটায় মুখে হাসি ফিরেছে তাঁদের। শনিবার ঠিকা শ্রমিক সোনালী সাথী বলেন, “খুব কষ্ট করে সংসার চালাতে হচ্ছিল আমাদের। কাজ হারানোর পর অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হয়েছে। আজ কাজ ফিরে পেয়ে সত্যিই খুব খুশি। রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে এবং তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কোর কমিটির সদস্য মানষ অধিকারীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”
কাজ ফিরে পেলেন ১৪জন শ্রমিক দু’বছর আগে আচমকাই কাজ হারিয়েছিলেন ১৪ জন ঠিকা শ্রমিক। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ইস্পাত হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা এই শ্রমিকদের জীবনে নেমে এসেছিল চরম অনিশ্চয়তা। নিয়মিত আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাঁদের। পরিবার, সন্তানদের পড়াশোনা, দৈনন্দিন খরচ সব কিছুই হয়ে উঠেছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কাজ ফিরে পাওয়ার আশায় একাধিকবার তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই ১৪ জন ঠিকা শ্রমিক। আবেদন, অনুরোধ, প্রতীক্ষা সবই ছিল, কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সমস্যার কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। হতাশার অন্ধকারে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত আলোর দিশা দেখায় তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কোর কমিটির সদস্যদের সক্রিয় উদ্যোগ। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয় রাজ্যের মাননীয় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের কাছে। মন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ ও তৎপরতায় অবশেষে কাজ ফিরে পান ওই ১৪ জন ঠিকা শ্রমিক। ফের ইস্পাত হাসপাতালে কাজে যোগ দিতে পেরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা।কাজ ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া শ্রমিক মহলে। দীর্ঘ দু’বছরের দুঃসহ যন্ত্রণার অবসান ঘটায় মুখে হাসি ফিরেছে তাঁদের। শনিবার ঠিকা শ্রমিক সোনালী সাথী বলেন, “খুব কষ্ট করে সংসার চালাতে হচ্ছিল আমাদের। কাজ হারানোর পর অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হয়েছে। আজ কাজ ফিরে পেয়ে সত্যিই খুব খুশি। রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে এবং তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কোর কমিটির সদস্য মানষ অধিকারীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”
- দুর্গাপুরে তীব্র জলসংকট, প্রায় ২০ দিন ধরে ভোগান্তি পাইপলাইন ফাটায় বাড়ছে সমস্যা। দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জলসংকটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১ঃ৩০ টায় এলাকাবাসীর দাবি, প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়মিত জল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বহু মানুষকে বাধ্য হয়ে জল কিনে দৈনন্দিন কাজ চালাতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, প্রতিদিনই জল পাওয়ার জন্য হাহাকার পড়ে যাচ্ছে। অনেক এলাকায় ট্যাপ খুললেও জল আসছে না। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। রান্না, পানীয় জল থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা কাজে সমস্যায় পড়েছেন বাসিন্দারা। অন্যদিকে জল বিক্রেতারাও চাপে পড়েছেন। এক জল বিক্রেতা জানান, বর্তমানে জলের চাহিদা এতটাই বেড়ে গেছে যে পর্যাপ্ত সাপ্লাই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক এলাকায় চাহিদা থাকা সত্ত্বেও জল পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না। জানা গেছে, রেলওয়ে এক্সটেনশনের কাজ চলাকালীন দুর্গাপুর প্রোজেক্ট লিমিটেড (ডিপিএল)-এর একটি প্রধান জলের পাইপলাইন ফেটে যায়। তার জেরেই একাধিক এলাকায় জল সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমের বোলপুরে জোরদার রুট মার্চ, টহলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী, দেখুন সেই ছবি1
- বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত বন বিভাগের অন্তর্গত বাঁকাদহ রেঞ্জের অধীনে খরকাটা বিটের জামশুলি জঙ্গলে আগুন1
- ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি স্টেজে উঠতেই ফাঁকা সভা1
- ইন্দাস ব্লকে আকুই 1 নম্বর বনকী গ্ৰামের বাসিন্দা গতো 5বছর ধরে দরখাস্ত দিয়ে জানিয়ে কোনো কাজ হয়নি এবং দিদিকে বলো যে ফোন করা হয়েছে তাতে কোনো কাজ হয়নি আমরা প্রচন্ড কষ্টের মধ্যে আছি যাহাতে তারাতারি কাজ হয় তার ব্যবস্তা করলে খুশি হবো অনেক সেয়ার করুন1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- সকাল থেকেই ভোগান্তির ছবি দেখা গেল মুচিপাড়া এলাকার এইচএফসিআই-তে। এইচপি গ্যাস নেওয়ার জন্য ভোর থেকেই গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন পড়ে। কেউ সকাল সাতটা, কেউ আবার আটটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়ার আশায়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় অভিযোগ, বুকিং সংক্রান্ত সমস্যার কারণে গ্রাহকদের চরম হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। এদিকে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে বাস্তবে এমন ভোগান্তি কেন তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। গ্যাস নিতে আসা এক গ্রাহকের কথায়, “যুদ্ধ করে গ্যাস নিতে হচ্ছে, বিরাট লাইন, চরম ভোগান্তি।1