২৬ জুন, শুক্রবার, কুচলিবাড়ির তিনবিঘা করিডর সংলগ্ন এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো তিনবিঘা শহীদ দিবস। এই উপলক্ষে শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়, বিজেপির নেতৃত্ব, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য এবং এলাকার বহু মানুষ। বক্তারা এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তবর্তী মানুষের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা তিনবিঘা আন্দোলনের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরেন, যেখানে ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা–মুজিব চুক্তির পর করিডরটি বাংলাদেশের ব্যবহারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে জমি হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু হলে কুচলিবাড়ি এলাকার মানুষ এর বিরোধিতায় আন্দোলনে নামেন। এই আন্দোলনের সময়, ১৯৮১ সালের ৮ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সুধীর রায়। এর এক দশক পর, ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিনবিঘা করিডর চালুর দিন ফের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন জিতেন রায় ও ক্ষিতেন অধিকারী। তাঁদের এই আত্মত্যাগ কুচলিবাড়ি-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে আজও সংগ্রাম, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দধিরাম রায় শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, শহীদ পরিবারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা মন্তব্য করেন যে, তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। সে কারণেই প্রতি বছরের মতো এ বছরও পূর্ণ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে তিনবিঘা শহীদ দিবস পালন করা হলো।
২৬ জুন, শুক্রবার, কুচলিবাড়ির তিনবিঘা করিডর সংলগ্ন এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো তিনবিঘা শহীদ দিবস। এই উপলক্ষে শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়, বিজেপির নেতৃত্ব, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য এবং এলাকার বহু মানুষ। বক্তারা এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তবর্তী মানুষের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা তিনবিঘা আন্দোলনের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরেন, যেখানে ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা–মুজিব চুক্তির পর করিডরটি বাংলাদেশের ব্যবহারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে জমি হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু হলে কুচলিবাড়ি এলাকার মানুষ এর বিরোধিতায় আন্দোলনে নামেন। এই আন্দোলনের সময়, ১৯৮১ সালের ৮ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সুধীর রায়। এর এক দশক পর, ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিনবিঘা করিডর চালুর দিন ফের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন জিতেন রায় ও ক্ষিতেন অধিকারী। তাঁদের এই আত্মত্যাগ কুচলিবাড়ি-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে আজও সংগ্রাম, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দধিরাম রায় শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, শহীদ পরিবারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা মন্তব্য করেন যে, তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। সে কারণেই প্রতি বছরের মতো এ বছরও পূর্ণ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে তিনবিঘা শহীদ দিবস পালন করা হলো।
- ২৬ জুন, শুক্রবার, কুচলিবাড়ির তিনবিঘা করিডর সংলগ্ন এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো তিনবিঘা শহীদ দিবস। এই উপলক্ষে শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়, বিজেপির নেতৃত্ব, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য এবং এলাকার বহু মানুষ। বক্তারা এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তবর্তী মানুষের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা তিনবিঘা আন্দোলনের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরেন, যেখানে ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা–মুজিব চুক্তির পর করিডরটি বাংলাদেশের ব্যবহারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে জমি হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু হলে কুচলিবাড়ি এলাকার মানুষ এর বিরোধিতায় আন্দোলনে নামেন। এই আন্দোলনের সময়, ১৯৮১ সালের ৮ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সুধীর রায়। এর এক দশক পর, ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিনবিঘা করিডর চালুর দিন ফের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন জিতেন রায় ও ক্ষিতেন অধিকারী। তাঁদের এই আত্মত্যাগ কুচলিবাড়ি-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে আজও সংগ্রাম, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দধিরাম রায় শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, শহীদ পরিবারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা মন্তব্য করেন যে, তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। সে কারণেই প্রতি বছরের মতো এ বছরও পূর্ণ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে তিনবিঘা শহীদ দিবস পালন করা হলো।1
- কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি পুরসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যানজট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার লক্ষ্যেই এই বৈঠকটি আয়োজন করা হয়েছিল।1
- শুক্রবার তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদ দিবস উপলক্ষে বিজেপি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও এসইউসিআই পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেছে। ১৯৯২ সালের তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। বিজেপির কর্মসূচিতে মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়-সহ দলের জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, ফরওয়ার্ড ব্লক ও এসইউসিআই-ও শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। বক্তারা তাঁদের ভাষণে বলেন যে তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মবলিদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এছাড়াও, তাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।1
- কোচবিহারের হলদিবাড়ি বাজারে মহরম উপলক্ষে খুদেদের নানা কেরামতি প্রদর্শন করা হয়েছে। এই আয়োজনে শিশুরা তাদের কৌশল ও দক্ষতা তুলে ধরে।1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, বাংলা তার শিকড় ভুলবে না এবং তা সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পথেই এগিয়ে যাবে। তিনি সমাজগঠনের জন্য রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, গৌড়ীয় মঠ ও ইসকনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যদি আপত্তি থাকে তবে 'হরে কৃষ্ণ' বলার প্রয়োজন নেই, কিন্তু ভালো খাবার পাওয়া যাবে। এর অংশ হিসেবে, কলকাতায় একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে ডিমের পরিবর্তে পুষ্টিকর নিরামিষ খাদ্যের উপর জোর দেওয়া হবে।1
- ভিডিও ভালো লাগলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করবেন। পেজটি ফলো করে পাশে থাকবেন1
- বর্ষার ভরা মৌসুমে নদীগুলি ফুলেফেঁপে ওঠায় যেকোনো সময় বিপদ ঘটার আশঙ্কায় ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ প্রশাসন নদীতে স্নান করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে নদীতে নামলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে জানিয়ে, ময়নাগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের মাইকিং করে এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।1
- মেখলিগঞ্জ ব্লকের উচলপুকুরি এলাকার জমেরডাঙ্গায় একের পর এক চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। সম্প্রতি বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উচলপুকুরি জল সরবরাহ প্রকল্পের জোন-২-এর পাম্প নম্বর ১ থেকে আই-প্ল্যানের দুটি মোটর এবং WH স্কিমের একটি মোটর চুরি হয়ে গেছে। একই রাতে স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুর মিয়ার একটি ভ্যানও উধাও হয়েছে। এর আগেও এই এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে উচলপুকুরি ১ নম্বর এসসি প্রাইমারি স্কুলের পাম্পের মোটর চুরি এবং একই জল সরবরাহ প্রকল্পের পাম্প নম্বর ৩ থেকে মোটর, ব্যাটারি ও কপার তার চুরি। চুরির এই ঘটনাগুলোর খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়ায়, এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি এবং এলাকার নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।1