Shuru
Apke Nagar Ki App…
Loca news(কৌশিক কাপড়ি )
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বনগাঁয় একটি ঠাকুর ঘরের টালি সরিয়ে একটি ভয়ঙ্কর বিষধর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের জাড়া হাই স্কুল, যা ১৪৫ বছরের ঐতিহ্য নিয়ে নামিদামি ছাত্র তৈরি করে এসেছে এবং যার সাথে অনেক স্মৃতি জড়িত, আজ দুর্নীতির শিকড়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। অভিযোগ উঠেছে যে, তৃণমূল সরকারের আমলে এই স্কুলে কোনো লেখাপড়া হয়নি, বরং চোখের সামনে কেবল দুর্নীতিই দেখা গেছে। তৃণমূল পরিচালিত স্কুল পরিচালন কমিটির সদস্যদের মদতে প্রধান শিক্ষক হিরন্ময় মুখোপাধ্যায় সহ পার্শ্ব শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশ দিনের পর দিন স্কুলটিকে দুর্নীতির কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মিড ডে মিলের চাল এবং স্কুল ডেভেলপমেন্টের টাকা তছরূপের গুরুতর অভিযোগ। এছাড়াও, বেশ কয়েক বছর ধরে এই স্কুলে কোনো রকম অডিট করতে দেওয়া হয়নি। এক শিক্ষিকা মাতৃকালীন ছুটি নেওয়ার অপরাধে প্রধান শিক্ষক মহাশয় তার মার্চ মাসের মাইনের টাকাও পরিকল্পিতভাবে কেটে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসবের ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, কাদের সমর্থনে প্রধান শিক্ষক মহাশয় একজন শিক্ষিকার মাইনে কাটা থেকে শুরু করে কয়েক বছর ধরে অডিট না করা এবং মিড ডে মিলের চাল বিক্রির মতো বিভিন্ন দুর্নীতি করেছেন? এই সকল প্রশ্নের উত্তর কি তিনি দিতে পারবেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ১৪৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী জাড়া হাই স্কুল আজ পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির ঘেরাটোপে। এটি ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার এক অপপ্রয়াস।1
- খড়গপুরে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) একটি 'বার্তারলাপ' কর্মশালার আয়োজন করেছিল। এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, যিনি গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলির উপর বিশেষ জোর দেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ, ১৫ জুন ২০২৬ থেকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দিতে এক বিশেষ 'জনকল্যাণ শিবির' শুরু হয়েছে, যা আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত চলবে। এই মেগা ক্যাম্পের প্রথম দিনেই খড়গপুর ১ নম্বর ব্লকের মাতকাতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি শিবির আয়োজিত হয়। সম্মানীয় জাস্টিস মিনা মহাশয়, খড়গপুর ২২৮ বিধানসভার বিধায়ক মাননীয় দীনেন রায়, মাননীয় বিডিও স্যার, মাননীয় যুগ্ম বিডিও স্যার, পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী মাননীয়া আরতি মুর্মু এবং মাননীয় তপন ভূঁইয়া সহ বিডিও অফিসের সমস্ত অফিসার ও কর্মচারীগণ সেই শিবির পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি দপ্তরের জন্য আলাদা আলাদা মোট ১৯টি কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাউন্টার-১ কৃষি বিভাগ প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি, কিষান ক্রেডিট কার্ড ও মাটির স্বাস্থ্য কার্ডের মতো সুবিধা দিচ্ছে। কাউন্টার-২ অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি, শিক্ষাশ্রী ও মেধাশ্রীর মতো প্রকল্পগুলি নিয়ে কাজ করছে। অর্থ ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত সেবা যেমন প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা ও জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা মিলছে কাউন্টার-৩-এ, আর মৎস্য বিভাগ সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী মৎস্য কিষান সহ-সমৃদ্ধি যোজনা পাওয়া যাচ্ছে কাউন্টার-৪-এ। খাদ্য সরবরাহ বিভাগ কাউন্টার-৫-এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা সরবরাহ করছে, অন্যদিকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিভাগ সমন্বিত উদ্যানপালন উন্নয়ন মিশনের মতো প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-৬-এ উপস্থিত। স্বাস্থ্য বিভাগে আয়ুষ্মান ভারত পরিষেবা থাকছে কাউন্টার-৭-এ, এবং উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পশ্চিমবঙ্গ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কাউন্টার-৮ থেকে। স্বরাষ্ট্র বিভাগের কাউন্টার-৯ আধার নিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) আবেদন গ্রহণ করছে। শ্রম বিভাগের কাউন্টার-১০ ই-শ্রম ও প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মানধনের মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির পরিষেবা দিচ্ছে। ভূমি বিভাগের কাউন্টার-১১ জমির রেকর্ড নামজারি ও পাট্টা আবেদনের সুবিধা দিচ্ছে, এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি ও প্রধানমন্ত্রী বিরাসত কা সংবর্ধন প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-১২-এ রয়েছে। ক্ষুদ্র, ছোট, মাঝারি শিল্প সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্প ও মুদ্রা ঋণের মতো সুবিধা মিলছে কাউন্টার-১৩-এ। বিদ্যুৎ বিভাগের কাউন্টার-১৪ প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনা নিয়ে কাজ করছে। পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৫ স্বচ্ছ ভারত মিশন ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ঋণ সংযোগের মতো পরিষেবা দিচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৬ জাতীয় শিক্ষানবিস উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ প্রকল্প এবং দীনদয়াল উপাধ্যায় গ্রামীণ কৌশল্য যোজনার মতো উদ্যোগগুলি তুলে ধরছে। আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি এবং জয় জোহার প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-১৭-এ উপস্থিত। নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক বিভাগ প্রধানমন্ত্রী স্বনিধি (রাস্তার হকার ঋণ) ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নগর পরিষেবা দিচ্ছে কাউন্টার-১৮-এ। সবশেষে, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৯ অন্নপূর্ণা যোজনা, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা এবং কন্যাশ্রী যোজনা/বেটি বাঁচাও যোজনার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি সরবরাহ করছে। এই বিশেষ শিবিরটি জনস্বার্থে প্রচারিত হচ্ছে, এবং এটি জনসাধারণের জন্য আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিষেবা সরাসরি উপলব্ধ করছে। সকল নাগরিককে তাদের নিকটবর্তী শিবিরে যোগাযোগ করে নিজেদের প্রাপ্য অধিকার বুঝে নেওয়ার এবং এই তথ্যটি অন্যদের সাথে শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।4
- মেদিনীপুর শহরে একটি দ্বিতীয় বাস টার্মিনাল তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন একজন বিধায়ক।1
- আজ সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে হরিনাম সংকীর্তন গেয়েছেন দিলীপ ঘোষ।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের লক্ষীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ইন্দা গ্রামের পুকুরপাড়া এলাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার প্রধান রাস্তার বেহাল দশা দেখে সাধারণ মানুষের চোখ কপালে উঠছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, বিশেষত বর্ষাকালে কাদা ও জল জমে যাতায়াত কার্যত দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন যে বাম আমল থেকেই এই রাস্তার একই অবস্থা রয়েছে এবং সরকার পরিবর্তন হলেও এখনও পর্যন্ত এর উন্নয়নে কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দিয়েই প্রতিদিন বহু মানুষ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, আইসিডিএস কেন্দ্র সহ অন্যান্য জরুরি কাজে যাতায়াত করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানানো সত্ত্বেও সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। তাই তাঁরা নতুন করে সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, যাতে দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার করে সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করা হয় এবং আইসিডিএস কেন্দ্রে যাওয়ার পথও উন্নত করা হয়। গ্রামবাসীরা আশা করছেন যে প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবে এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার তাঁদের একটি নতুন রাস্তা উপহার দেবে।1
- খড়গপুরে একটি জনকল্যাণ শিবিরের শুভ সূচনা হয়েছে। এই শিবিরের উদ্বোধন করেছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।1
- একসময় যে 'পুষ্পা' 'ঝুকেগা নেহি' বলে নিজেকে অটল প্রমাণ করেছিল, আজ সেই 'পুষ্পাকে' ফলতা এলাকায় সকাল-বিকাল মাথা নিচু করিয়ে, হাফপ্যান্ট পরিয়ে এবং কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হচ্ছে। এই ঘটনাটি তার পূর্বের দৃপ্ত প্রতিজ্ঞার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে, যেখানে তাকে চরম অপদস্থ ও অসম্মানিত করা হচ্ছে।1