পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ, ১৫ জুন ২০২৬ থেকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দিতে এক বিশেষ 'জনকল্যাণ শিবির' শুরু হয়েছে, যা আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত চলবে। এই মেগা ক্যাম্পের প্রথম দিনেই খড়গপুর ১ নম্বর ব্লকের মাতকাতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি শিবির আয়োজিত হয়। সম্মানীয় জাস্টিস মিনা মহাশয়, খড়গপুর ২২৮ বিধানসভার বিধায়ক মাননীয় দীনেন রায়, মাননীয় বিডিও স্যার, মাননীয় যুগ্ম বিডিও স্যার, পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী মাননীয়া আরতি মুর্মু এবং মাননীয় তপন ভূঁইয়া সহ বিডিও অফিসের সমস্ত অফিসার ও কর্মচারীগণ সেই শিবির পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি দপ্তরের জন্য আলাদা আলাদা মোট ১৯টি কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাউন্টার-১ কৃষি বিভাগ প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি, কিষান ক্রেডিট কার্ড ও মাটির স্বাস্থ্য কার্ডের মতো সুবিধা দিচ্ছে। কাউন্টার-২ অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি, শিক্ষাশ্রী ও মেধাশ্রীর মতো প্রকল্পগুলি নিয়ে কাজ করছে। অর্থ ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত সেবা যেমন প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা ও জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা মিলছে কাউন্টার-৩-এ, আর মৎস্য বিভাগ সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী মৎস্য কিষান সহ-সমৃদ্ধি যোজনা পাওয়া যাচ্ছে কাউন্টার-৪-এ। খাদ্য সরবরাহ বিভাগ কাউন্টার-৫-এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা সরবরাহ করছে, অন্যদিকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিভাগ সমন্বিত উদ্যানপালন উন্নয়ন মিশনের মতো প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-৬-এ উপস্থিত। স্বাস্থ্য বিভাগে আয়ুষ্মান ভারত পরিষেবা থাকছে কাউন্টার-৭-এ, এবং উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পশ্চিমবঙ্গ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কাউন্টার-৮ থেকে। স্বরাষ্ট্র বিভাগের কাউন্টার-৯ আধার নিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) আবেদন গ্রহণ করছে। শ্রম বিভাগের কাউন্টার-১০ ই-শ্রম ও প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মানধনের মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির পরিষেবা দিচ্ছে। ভূমি বিভাগের কাউন্টার-১১ জমির রেকর্ড নামজারি ও পাট্টা আবেদনের সুবিধা দিচ্ছে, এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি ও প্রধানমন্ত্রী বিরাসত কা সংবর্ধন প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-১২-এ রয়েছে। ক্ষুদ্র, ছোট, মাঝারি শিল্প সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্প ও মুদ্রা ঋণের মতো সুবিধা মিলছে কাউন্টার-১৩-এ। বিদ্যুৎ বিভাগের কাউন্টার-১৪ প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনা নিয়ে কাজ করছে। পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৫ স্বচ্ছ ভারত মিশন ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ঋণ সংযোগের মতো পরিষেবা দিচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৬ জাতীয় শিক্ষানবিস উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ প্রকল্প এবং দীনদয়াল উপাধ্যায় গ্রামীণ কৌশল্য যোজনার মতো উদ্যোগগুলি তুলে ধরছে। আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি এবং জয় জোহার প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-১৭-এ উপস্থিত। নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক বিভাগ প্রধানমন্ত্রী স্বনিধি (রাস্তার হকার ঋণ) ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নগর পরিষেবা দিচ্ছে কাউন্টার-১৮-এ। সবশেষে, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৯ অন্নপূর্ণা যোজনা, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা এবং কন্যাশ্রী যোজনা/বেটি বাঁচাও যোজনার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি সরবরাহ করছে। এই বিশেষ শিবিরটি জনস্বার্থে প্রচারিত হচ্ছে, এবং এটি জনসাধারণের জন্য আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিষেবা সরাসরি উপলব্ধ করছে। সকল নাগরিককে তাদের নিকটবর্তী শিবিরে যোগাযোগ করে নিজেদের প্রাপ্য অধিকার বুঝে নেওয়ার এবং এই তথ্যটি অন্যদের সাথে শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ, ১৫ জুন ২০২৬ থেকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দিতে এক বিশেষ 'জনকল্যাণ শিবির' শুরু হয়েছে, যা আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত চলবে। এই মেগা ক্যাম্পের প্রথম দিনেই খড়গপুর ১ নম্বর ব্লকের মাতকাতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি শিবির আয়োজিত হয়। সম্মানীয় জাস্টিস মিনা মহাশয়, খড়গপুর ২২৮ বিধানসভার বিধায়ক মাননীয় দীনেন রায়, মাননীয় বিডিও স্যার, মাননীয় যুগ্ম বিডিও স্যার, পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী মাননীয়া আরতি মুর্মু এবং মাননীয় তপন ভূঁইয়া সহ বিডিও অফিসের সমস্ত অফিসার ও কর্মচারীগণ সেই শিবির পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি দপ্তরের জন্য আলাদা আলাদা মোট ১৯টি কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাউন্টার-১ কৃষি বিভাগ প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি, কিষান ক্রেডিট
কার্ড ও মাটির স্বাস্থ্য কার্ডের মতো সুবিধা দিচ্ছে। কাউন্টার-২ অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি, শিক্ষাশ্রী ও মেধাশ্রীর মতো প্রকল্পগুলি নিয়ে কাজ করছে। অর্থ ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত সেবা যেমন প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা ও জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা মিলছে কাউন্টার-৩-এ, আর মৎস্য বিভাগ সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী মৎস্য কিষান সহ-সমৃদ্ধি যোজনা পাওয়া যাচ্ছে কাউন্টার-৪-এ। খাদ্য সরবরাহ বিভাগ কাউন্টার-৫-এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা সরবরাহ করছে, অন্যদিকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিভাগ সমন্বিত উদ্যানপালন উন্নয়ন মিশনের মতো প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-৬-এ উপস্থিত। স্বাস্থ্য বিভাগে আয়ুষ্মান ভারত পরিষেবা থাকছে কাউন্টার-৭-এ, এবং উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পশ্চিমবঙ্গ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কাউন্টার-৮ থেকে। স্বরাষ্ট্র বিভাগের কাউন্টার-৯ আধার
নিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) আবেদন গ্রহণ করছে। শ্রম বিভাগের কাউন্টার-১০ ই-শ্রম ও প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মানধনের মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির পরিষেবা দিচ্ছে। ভূমি বিভাগের কাউন্টার-১১ জমির রেকর্ড নামজারি ও পাট্টা আবেদনের সুবিধা দিচ্ছে, এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি ও প্রধানমন্ত্রী বিরাসত কা সংবর্ধন প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-১২-এ রয়েছে। ক্ষুদ্র, ছোট, মাঝারি শিল্প সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্প ও মুদ্রা ঋণের মতো সুবিধা মিলছে কাউন্টার-১৩-এ। বিদ্যুৎ বিভাগের কাউন্টার-১৪ প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনা নিয়ে কাজ করছে। পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৫ স্বচ্ছ ভারত মিশন ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ঋণ সংযোগের মতো পরিষেবা দিচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৬ জাতীয় শিক্ষানবিস উন্নয়ন ও
প্রশিক্ষণ প্রকল্প এবং দীনদয়াল উপাধ্যায় গ্রামীণ কৌশল্য যোজনার মতো উদ্যোগগুলি তুলে ধরছে। আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ প্রাক মাধ্যমিক ও পোস্ট মাধ্যমিক বৃত্তি এবং জয় জোহার প্রকল্প নিয়ে কাউন্টার-১৭-এ উপস্থিত। নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক বিভাগ প্রধানমন্ত্রী স্বনিধি (রাস্তার হকার ঋণ) ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নগর পরিষেবা দিচ্ছে কাউন্টার-১৮-এ। সবশেষে, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের কাউন্টার-১৯ অন্নপূর্ণা যোজনা, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা এবং কন্যাশ্রী যোজনা/বেটি বাঁচাও যোজনার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি সরবরাহ করছে। এই বিশেষ শিবিরটি জনস্বার্থে প্রচারিত হচ্ছে, এবং এটি জনসাধারণের জন্য আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিষেবা সরাসরি উপলব্ধ করছে। সকল নাগরিককে তাদের নিকটবর্তী শিবিরে যোগাযোগ করে নিজেদের প্রাপ্য অধিকার বুঝে নেওয়ার এবং এই তথ্যটি অন্যদের সাথে শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- JANJEET KUMAR SAHOOKharagpur - I, Medinipur Westসম্মানীয় জগদীশ প্রসাদ মিনা মহাশয় হবে 🙏15 hrs ago
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) উদ্যোগে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে পার্টির কর্মীরা ও স্থানীয় মানুষ অংশ নেন।1
- বনগাঁয় একটি ঠাকুর ঘরের টালি সরিয়ে একটি ভয়ঙ্কর বিষধর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।1
- কলকাতা পুরসভা থেকে মেয়র ফিহাজ হাকিম পদত্যাগ করার পরিপ্রেক্ষিতে, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কলকাতায় পুরভোট অনুষ্ঠিত হবে।1
- রাজ্য সরকারের জনকল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত বিনপুর ২ ব্লকের বেলপাহাড়িতে আয়োজিত এই শিবিরে সকাল থেকেই উপভোক্তাদের ভিড় থাকলেও, বেলা বাড়ার সাথে সাথে তা চরম দুর্ভোগে রূপ নেয়। জুন মাসের তীব্র রোদ ও গরমের মধ্যে একটি বদ্ধ ও গুমোট গুদামের ভেতরে শিবিরের আয়োজন করায় ভেতরের তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত হয়ে ওঠে। পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা না থাকায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকেন, এবং বেশ কয়েকজন উপভোক্তা অসুস্থও হয়ে পড়েন বলে খবর। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু দ্রুত ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন। তিনি সার্বিক অবস্থা খতিয়ে দেখে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। পরিষেবা নিতে আসা উপভোক্তারা অভিযোগ করেছেন যে প্রশাসনের এই পরিকল্পনা একেবারেই হঠকারী ছিল। তাদের মতে, তীব্র গরমে বন্ধ গুদাম ঘরের পরিবর্তে যদি কোনো খোলা জায়গায় সামিয়ানা খাটিয়ে বা স্কুলের মাঠে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হতো, তাহলে সাধারণ মানুষকে এই 'নরকযন্ত্রণার' শিকার হতে হতো না। উল্লেখ্য, জেলার প্রতিটি কেন্দ্রেই সকাল থেকে লম্বা লাইন দেখা গেছে এবং উপভোক্তারা শিবির শুরুর আড়াই-তিন ঘন্টা আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঝাড়গ্রাম জেলার ৮টি ব্লকে মোট ১৩টি ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষ সরকারি ও কল্যাণমূলক পরিষেবা ঘরের কাছে এক ছাদের তলায় পাওয়ার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি, তবে ব্লক প্রশাসনের উচিত ছিল ভালো স্থানে ক্যাম্পটি আয়োজন করা, এমনটাই তাদের বক্তব্য। এখন দেখার, প্রথম দিনের এই ক্ষোভ ও অব্যবস্থা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রশাসন আগামীকালের ক্যাম্পে কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করে কিনা।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য সরকারি জনমুখী প্রকল্পগুলির সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এই শিবিরগুলিতে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিধবা ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্য ভাতা-সহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ, এই শিবিরের মাধ্যমে তার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বহু উপভোক্তাকে আবেদন, সংশোধন এবং সমস্যা সমাধানের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ও আগ্রহের প্রতিফলন। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামের গজাশিমুল হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা গোপীবল্লভপুর বিধানসভার বিধায়ক রাজেশ মাহাতো। তিনি শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন। পাশাপাশি, সরকারি পরিষেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গেও আলোচনা করেন। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যাতে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সহজে ও দ্রুত পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান এবং সরকারি পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। শিবিরে আসা সাধারণ মানুষও রাজ্য সরকারের এই প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এক ছাদের তলায় বিভিন্ন পরিষেবা পেয়ে তাঁদের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।1
- বিধায়ক প্রণত টুড সম্প্রতি কাশমারে একটি জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে স্থানীয় এলাকাবাসীরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুবিধা লাভ করতে পারবেন।1
- খড়গপুরে একটি জনকল্যাণ শিবিরের শুভ সূচনা হয়েছে। এই শিবিরের উদ্বোধন করেছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের জাড়া হাই স্কুল, যা ১৪৫ বছরের ঐতিহ্য নিয়ে নামিদামি ছাত্র তৈরি করে এসেছে এবং যার সাথে অনেক স্মৃতি জড়িত, আজ দুর্নীতির শিকড়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। অভিযোগ উঠেছে যে, তৃণমূল সরকারের আমলে এই স্কুলে কোনো লেখাপড়া হয়নি, বরং চোখের সামনে কেবল দুর্নীতিই দেখা গেছে। তৃণমূল পরিচালিত স্কুল পরিচালন কমিটির সদস্যদের মদতে প্রধান শিক্ষক হিরন্ময় মুখোপাধ্যায় সহ পার্শ্ব শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশ দিনের পর দিন স্কুলটিকে দুর্নীতির কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মিড ডে মিলের চাল এবং স্কুল ডেভেলপমেন্টের টাকা তছরূপের গুরুতর অভিযোগ। এছাড়াও, বেশ কয়েক বছর ধরে এই স্কুলে কোনো রকম অডিট করতে দেওয়া হয়নি। এক শিক্ষিকা মাতৃকালীন ছুটি নেওয়ার অপরাধে প্রধান শিক্ষক মহাশয় তার মার্চ মাসের মাইনের টাকাও পরিকল্পিতভাবে কেটে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসবের ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, কাদের সমর্থনে প্রধান শিক্ষক মহাশয় একজন শিক্ষিকার মাইনে কাটা থেকে শুরু করে কয়েক বছর ধরে অডিট না করা এবং মিড ডে মিলের চাল বিক্রির মতো বিভিন্ন দুর্নীতি করেছেন? এই সকল প্রশ্নের উত্তর কি তিনি দিতে পারবেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ১৪৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী জাড়া হাই স্কুল আজ পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির ঘেরাটোপে। এটি ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার এক অপপ্রয়াস।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর এলাকায় একটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক হয়ে বিধ্বংসী আগুন লেগেছে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা বাড়িটি দেখে গোটা গ্রামের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক করার কারণেই এই আগুন লাগে। গ্রামবাসীরা বহু চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। পরে ফায়ার ব্রিগেডে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি গৃহস্থের বাড়ি, গোটা বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মাথার ছাদ হারিয়ে ওই পরিবার এখন রাস্তায় বসেছে। ঘটনার খবর পেয়ে বিনপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।1