Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাটিয়ালি ব্লকের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ড্রেসের মাপ সংক্রান্ত বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই গৃহীত পদক্ষেপগুলিকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
Ganesh
মাটিয়ালি ব্লকের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ড্রেসের মাপ সংক্রান্ত বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই গৃহীত পদক্ষেপগুলিকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
More news from Darjeeling and nearby areas
- বর্ষা শুরু হতেই এলাকার একাধিক রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাগরিক অধিকার মঞ্চ মঙ্গলবার বিডিওকে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। খারাপ রাস্তাঘাট এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী সংস্থার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মঞ্চের সদস্যরা বিডিও অফিসে হাজির হন। নাগরিক অধিকার মঞ্চের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু রাস্তার সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নয়াহাট থেকে পিডাবলুডি হাইরোড পুনঃনির্মাণ, জোরপাখরী রেলের আন্ডারপাসে নিকাশীনালার ব্যবস্থা করা, নয়াহাট থেকে উল্লাজোত হয়ে বিন্নাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার এবং জোরপাখরী থেকে গাজিজোত পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। এছাড়াও, মঞ্চের সদস্যরা পূর্বের সংস্কার করা রাস্তাগুলির পুনরায় খারাপ হয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী ঠিকাদারী সংস্থার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এই সকল সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যেই এদিন মঞ্চের সদস্যরা বিডিওর দ্বারস্থ হন।1
- মঙ্গলবার সকালে জলপাইগুড়ির আমগুড়ি এবং পানবাড়ি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বাইসন লোকালয়ে তাণ্ডব চালায়। সাত সকালে বাইসনের এই দাপাদাপিতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরবর্তীতে বাইসনটি জলঢাকা নদী পার হয়ে পুনরায় জঙ্গলের দিকে চলে যায়।1
- একটি ছোট্ট ভুলের কারণে এতদিন ধরে পলাতক থাকা বিডিও প্রশান্ত বর্মণ আজ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন। এই সামান্য ভুলই তার বহুদিনের আত্মগোপন শেষ করে দিয়েছে।1
- চারিদিকে 'ককরোচ জনতা পার্টি' ছড়িয়ে পড়ছে, যা একটি নতুন আন্দোলনের সূচনা করেছে। এই আন্দোলনে ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছে এবং দেশ এখন স্বাধীনতার এক নতুন দিক দেখছে। সমগ্র ভারত জেগে উঠছে এবং নতুন প্রজন্মের তরুণরা এই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে, যা এক ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।1
- তামিলনাড়ুতে একটি নিষ্পাপ শিশুর সাথে ঘটে যাওয়া পাশবিক ঘটনা পুরো দেশকে স্তম্ভিত করেছে। এই বেদনাদায়ক ঘটনার চেয়েও বড় প্রশ্ন উঠেছে তখন, যখন এই মামলার দায়িত্বে থাকা একজন মহিলা ও দুজন পুরুষ আইপিএস অফিসারের অসংবেদনশীল হাসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। যে মুহূর্তে পুরো দেশ শিশুটির যন্ত্রণায় কাঁদছিল, সেই মুহূর্তে দায়িত্বশীল পদে থাকা কিছু মুখকে হাসতে দেখা যায়। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই জনগণের তীব্র ক্ষোভ ফেটে পড়ে এবং প্রশ্ন ওঠে যে, “পোশাক কি মানবতার চেয়েও বড় হয়ে গেছে?” ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষত তখনও শুকায়নি, এর মধ্যেই পুলিশের এই কথিত অবহেলা এবং অসংবেদনশীল আচরণ পুরো ব্যবস্থার ওপর প্রশ্ন তুলেছে। সাধারণ মানুষ এটিকে শুধু একটি ভুল হিসেবে দেখেনি, বরং ভুক্তভোগীর যন্ত্রণার অপমান হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তবে, ক্রমবর্ধমান জনরোষের মুখে তামিলনাড়ু সরকার নড়েচড়ে বসেছে। মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নেন এবং কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, ভুক্তভোগীদের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সাহস যারা করবে, তাদের রেহাই দেওয়া হবে না। জনগণ এখন এটাই আশা করছে যে, মুখ্যমন্ত্রীর এই কঠোর মনোভাব যেন শুধু বিবৃতিতেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং এমন গাফিলতি করা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর ফলে ভবিষ্যতে কোনো কর্মকর্তাই আর কোনো নিষ্পাপ শিশুর যন্ত্রণায় হাসার সাহস করবে না।1
- কোচবিহারের পুলিশ সুপার জসপ্রীত সিং সম্প্রতি হলদিবাড়ি থানা পরিদর্শন করেছেন।1
- কল্যাণীতে একটি প্রশাসনিক বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সরব হলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের করা প্রশ্নগুলির জবাব দেন।1
- সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত একটি পোস্টে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র বেশিরভাগ ফলোয়ার পাকিস্তানি কিনা, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এই বিতর্কিত প্রশ্নটি মূল পোস্টে দু'বার তুলে ধরা হয়েছে এবং এর সাথে #cockroach, #cockroachjantaparty, #viral, #nsuiprotest, #CONGRESS, ও #NEET সহ বিভিন্ন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে।1
- মক্কা শরীফের পুণ্যভূমিতে যখন কোনো হাজির শেষ নিঃশ্বাস পড়ে, তখন শুধু একজন মানুষই চলে যান না, বরং হাজারো চোখে অশ্রু বয়ে যায়। পবিত্র হজ যাত্রায় বেরিয়েছিলেন এই তীর্থযাত্রীরা আল্লাহর নাম নিয়ে; কেউ মা'র কাছে দোয়া চেয়েছিলেন, কেউ শিশুদের জড়িয়ে ধরেছিলেন, কিন্তু কেউ জানতেন না যে তাদের মধ্যে কিছু মানুষ আর নিজের মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পারবেন না। মক্কা শরীফে প্রয়াত হাজিদের মৃতদেহ যখন সাদা কাফনে রাখা হয়, তখন সেখানে উপস্থিত সকলের চোখ সজল হয়ে ওঠে। এমনটা বলা হয় যে, হজ চলাকালীন যারা মারা যান, তাদের মাথা ও মুখ ঢাকা হয় না, কারণ হাদিসে আছে যে কিয়ামতের দিন তাদের 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' বলতে বলতে এই অবস্থাতেই ওঠানো হবে। এই দৃশ্য কেবল মৃত্যুর ছিল না, এটি ছিল আল্লাহর মেহমানদের বিদায়ের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। কেউ বাবা হারালেন, কেউ মা হারালেন, আবার কেউ হারালেন জীবনসঙ্গীকে। তবে মনকে সান্ত্বনা দেওয়া হচ্ছে এই ভেবে যে, তাদের শেষ যাত্রা পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ভূমিতে সম্পন্ন হয়েছে। এই ছবিগুলো দেখে আজ সকল মানুষের চোখ ভরে উঠেছে। জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই; কে কখন আল্লাহর প্রিয় হয়ে যায়, তা কেউ জানে না। পোস্টে প্রার্থনা জানানো হয়েছে: "হে আল্লাহ, হজে যাওয়া প্রত্যেক মুসাফিরের হেফাজত করো এবং যারা তোমার ঘর থেকে ফিরে আসতে পারেনি, তাদের মাগফিরাত করো।"1