৩১ মে রবিবার দিনহাটা স্টেশন পাড়া এলাকার ভাগ্নি প্রথম খণ্ডের ৭/২৬৬ নম্বর বুথে আবাস প্রকল্পে দুর্নীতি ও কাটমানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার একাধিক উপভোক্তা ও স্থানীয় বাসিন্দা পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধরের বাড়ি ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, আবাস প্রকল্পসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ঘটে যাওয়া অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আদায় করা কাটমানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দেওয়া হোক। বিক্ষোভকারীদের গুরুতর অভিযোগ, নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধর কার্যত পঞ্চায়েতের কোনো কাজকর্ম পরিচালনা করতেন না। তাঁদের দাবি অনুসারে, পঞ্চায়েত সদস্যের যাবতীয় দায়িত্ব ও ক্ষমতা মূলত তাঁর স্বামী দিলীপ মোদকই পরিচালনা করতেন। অভিযোগ উঠেছে যে, দিলীপ মোদক বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বহু সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ আরও দাবি করেছেন যে, সরকারি প্রকল্পে নাম তোলার প্রতিশ্রুতি, আবাস প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে সহায়তার নাম করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত মানুষেরা এই অভিযোগও করেন যে, সাধারণ ভোটারদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে ও বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে অর্থ আদায় করা হতো। বিক্ষোভকারীরা জানান, গত তিন বছরে এই পরিবার বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছে এবং একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছে, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশ্ন তুলেছে। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তবে, এই সমস্ত গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধর এবং তাঁর স্বামী দিলীপ মোদকের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে তদন্তের ওপর নির্ভরশীল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের আশা, প্রশাসন দ্রুত অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে আনবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
৩১ মে রবিবার দিনহাটা স্টেশন পাড়া এলাকার ভাগ্নি প্রথম খণ্ডের ৭/২৬৬ নম্বর বুথে আবাস প্রকল্পে দুর্নীতি ও কাটমানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার একাধিক উপভোক্তা ও স্থানীয় বাসিন্দা পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধরের বাড়ি ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, আবাস প্রকল্পসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ঘটে যাওয়া অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আদায় করা কাটমানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দেওয়া হোক। বিক্ষোভকারীদের গুরুতর অভিযোগ, নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধর কার্যত পঞ্চায়েতের কোনো কাজকর্ম পরিচালনা করতেন না। তাঁদের দাবি অনুসারে, পঞ্চায়েত সদস্যের যাবতীয় দায়িত্ব ও ক্ষমতা মূলত তাঁর স্বামী দিলীপ মোদকই পরিচালনা করতেন। অভিযোগ উঠেছে যে, দিলীপ মোদক বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বহু সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ আরও দাবি করেছেন যে, সরকারি প্রকল্পে নাম তোলার প্রতিশ্রুতি, আবাস প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে সহায়তার নাম করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত মানুষেরা এই অভিযোগও করেন যে, সাধারণ ভোটারদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে ও বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে অর্থ আদায় করা হতো। বিক্ষোভকারীরা জানান, গত তিন বছরে এই পরিবার বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছে এবং একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছে, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশ্ন তুলেছে। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তবে, এই সমস্ত গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধর এবং তাঁর স্বামী দিলীপ মোদকের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে তদন্তের ওপর নির্ভরশীল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের আশা, প্রশাসন দ্রুত অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে আনবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
- ৩১ মে রবিবার দিনহাটা স্টেশন পাড়া এলাকার ভাগ্নি প্রথম খণ্ডের ৭/২৬৬ নম্বর বুথে আবাস প্রকল্পে দুর্নীতি ও কাটমানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার একাধিক উপভোক্তা ও স্থানীয় বাসিন্দা পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধরের বাড়ি ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, আবাস প্রকল্পসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ঘটে যাওয়া অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আদায় করা কাটমানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দেওয়া হোক। বিক্ষোভকারীদের গুরুতর অভিযোগ, নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধর কার্যত পঞ্চায়েতের কোনো কাজকর্ম পরিচালনা করতেন না। তাঁদের দাবি অনুসারে, পঞ্চায়েত সদস্যের যাবতীয় দায়িত্ব ও ক্ষমতা মূলত তাঁর স্বামী দিলীপ মোদকই পরিচালনা করতেন। অভিযোগ উঠেছে যে, দিলীপ মোদক বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বহু সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ আরও দাবি করেছেন যে, সরকারি প্রকল্পে নাম তোলার প্রতিশ্রুতি, আবাস প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে সহায়তার নাম করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত মানুষেরা এই অভিযোগও করেন যে, সাধারণ ভোটারদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে ও বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে অর্থ আদায় করা হতো। বিক্ষোভকারীরা জানান, গত তিন বছরে এই পরিবার বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছে এবং একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছে, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশ্ন তুলেছে। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তবে, এই সমস্ত গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে পঞ্চায়েত সদস্য রূপা মোদক সূত্রধর এবং তাঁর স্বামী দিলীপ মোদকের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে তদন্তের ওপর নির্ভরশীল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের আশা, প্রশাসন দ্রুত অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে আনবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।1
- পশ্চিমবঙ্গের নাজিরহাটে পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের ঘিরে বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জনগণ পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের কাছে 'কাটমানি ফেরত চাই' স্লোগান তুলেছেন, যা এই প্রতিবাদের মূল দাবি।1
- নাজিরহাট অঞ্চলের ৭/২৩ বুথে কাটমানি ফেরতের দাবিতে এক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিক্ষোভে পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে।1
- দিনহাটা-২ ব্লকের নয়ারহাট এলাকায় আবাস যোজনার ঘরের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭/১৭১ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য শফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে এই অভিযোগ তুলে একাধিক উপভোক্তা বিক্ষোভে শামিল হন। উপভোক্তাদের দাবি, আবাস যোজনার ঘরের টাকা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে তাঁদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা জানান, এই কাটমানির পরিমাণ কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, কারও কাছ থেকে ১৫ হাজার, আবার কারও কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ জোগাড় করতে অনেকেই সুদের উপর টাকা ধার করেছেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েই এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। এদিন পুরুষ ও মহিলা উপভোক্তারা প্ল্যাকার্ড হাতে পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং পরে বাড়ির সামনের রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, যদি তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া এই টাকা ফেরত না দেওয়া হয়, তবে আগামী দিনে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। তবে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য শফিকুল ইসলাম বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না এবং তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা ফকিরের কুটি এলাকায় তৃণমূল নেতারা কাটমানির টাকা ফেরত দিচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে তৃণমূলের বুথ সভাপতি, পঞ্চায়েত সদস্য এবং অন্যান্য নেতৃত্ব বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের কাছ থেকে কাটমানি নিয়েছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, জমি বিক্রি বা কেনা কিংবা জমি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য এই তৃণমূল নেতাদের মোটা অঙ্কের কাটমানি দিতে হতো। এলাকা থেকে প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই বিপুল পরিমাণ টাকা ফেরতের দাবিতে স্থানীয় গ্রামবাসীরা এদিন একটি বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠকে দুজন তৃণমূল নেতা উপস্থিত থাকলেও, বাকি নেতারা ছিলেন না। জানা গেছে, তৃণমূল নেতারা কিছু সংখ্যক মানুষকে টাকা ফেরত দিয়েছেন এবং গত দুদিনে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর মাথাভাঙ্গা ফকিরের কুঠি এলাকায় তৃণমূল নেতাদের কাটমানি ফেরতের এই ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।1
- পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান কাজল বেরাকে। তিনি বর্তমানে তমলুকের উত্তরসোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা হিসাবে পরিচিত। আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তমলুক থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কাজল বেরার বিরুদ্ধে একাধিক চেক বাউন্সের মামলাও রয়েছে।1
- ডেপুটেশন জমা দিতে চন্ডিতলা থানায় যাওয়ার সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রান্ত হয়ে রক্তাক্ত হন। তাকে ঘিরে একদল সাধারণ মানুষ কালো পতাকা দেখায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেয়। এই সময় তার গায়ে চর চপাটা লাগে এবং দূর থেকে তাকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়, যা তার মাথায় আঘাত করে। এর ফলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় চোট লাগে। এই ঘটনার পর তিনি অভিযোগ করেন যে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। তবে, বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।1
- রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, কারণ পরপর দু'দিনে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতা বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগের মুখে পড়েছেন। শনিবার সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সোনারপুরের ঘটনার প্রতিবাদে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা চণ্ডীতলা থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে গেলে, থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীনই একদল বিক্ষোভকারী কালো পতাকা দেখিয়ে প্রতিবাদ শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে "চোর" স্লোগান তোলারও অভিযোগ উঠেছে, যার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই তৃণমূলের অভিযোগ, দূর থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। সেই ঢিল তাঁর মাথায় আঘাত করলে তিনি কিছুক্ষণের জন্য ভারসাম্য হারিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দলীয় কর্মীরা দ্রুত তাঁকে ঘিরে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, এরপর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে ফের আন্দোলনে যোগ দেন। এই ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃণমূল সাংসদ চণ্ডীতলা থানার সামনেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বাংলার মানুষের কাছে সচেতন হওয়ার আবেদন জানিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর বারবার আক্রমণ হচ্ছে। পরপর দুদিনে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতাকে ঘিরে এই ধরনের বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে এবং এর জেরে রাজ্যের শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।1