Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাজার শহরে বিভিন্ন দিঘীগুলি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নিল পৌরসভা রাজার শহর কোচবিহার আর কোচবিহার শহরের নানান অংশে রয়েছে বিভিন্ন দীঘি। এবার রাজার শহরের বিভিন্ন দীঘি গুলি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নিল কোচবিহার পৌরসভা।এদিন শহরের মৈত্রী সংঘ সংলগ্ন কাইয়া দিঘি সংস্কারের কাজ পরিদর্শন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক এবং কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ সাহা সহ অন্যান্য পৌর আধিকারিক এবং কর্মীরা। পরিদর্শন শেষে জেলা সভাপতি জানান রাজার শহর কোচবিহারে রয়েছে প্রচুর দিঘী, এবার একে একে শহরের বিভিন্ন দিক গুলিকে সংস্কার করার উদ্যোগ নিচ্ছে পৌরসভা, তবে তিনি একটি আবেদন রাখেন জনসাধারণের কাছে যাতে এই দিঘীগুলিতে কেউ নোংরা আবর্জনা না ফেলেন।
Pradip kundu
রাজার শহরে বিভিন্ন দিঘীগুলি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নিল পৌরসভা রাজার শহর কোচবিহার আর কোচবিহার শহরের নানান অংশে রয়েছে বিভিন্ন দীঘি। এবার রাজার শহরের বিভিন্ন দীঘি গুলি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নিল কোচবিহার পৌরসভা।এদিন শহরের মৈত্রী সংঘ সংলগ্ন কাইয়া দিঘি সংস্কারের কাজ পরিদর্শন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক এবং কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ সাহা সহ অন্যান্য পৌর আধিকারিক এবং কর্মীরা। পরিদর্শন শেষে জেলা সভাপতি জানান রাজার শহর কোচবিহারে রয়েছে প্রচুর দিঘী, এবার একে একে শহরের বিভিন্ন দিক গুলিকে সংস্কার করার উদ্যোগ নিচ্ছে পৌরসভা, তবে তিনি একটি আবেদন রাখেন জনসাধারণের কাছে যাতে এই দিঘীগুলিতে কেউ নোংরা আবর্জনা না ফেলেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দিনহাটায় এক বৈকালি পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। উদ্যোগে নিয়েছে সুকান্ত ভট্টাচার্য জন্ম শতবর্ষ উদযাপন কমিটি ও কিশোর বাহিনী। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার লক্ষ্যেই এই পদযাত্রার আয়োজন। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…”—এই চেতনাকে সামনে রেখেই দিনহাটাবাসীকে অংশগ্রহন করে। পদযাত্রাটি স্থানীয় মদন মোহন বাড়ি শিশু নিকেতন স্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহীদ বেদীতে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। সামিল হন সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী এবং দিনহাটাবাসী।2
- আলিপুরদুয়ারে তীব্র চাঞ্চল্য! সামাজিক মাধ্যমে এক হিন্দি পেপারের সাংবাদিকের পরিবারকে ‘পাকিস্তানি উগ্রবাদী’ বলে কটাক্ষ—ক্ষোভে ফুঁসছে রাজবংশী সমাজ। সম্প্রতি ‘Alipurduar News’ নামে একটি ফেসবুক পোর্টালে প্রকাশিত একটি খবরে কমেন্ট সেকশনে একটি ভুয়ো প্রোফাইল থেকে চাঞ্চল্যকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয়। সেখানে এক সাংবাদিকের নাম করে এবং তাঁর পিতার নাম জড়িয়ে দাবি করা হয়—তিনি নাকি “পাকিস্তানি উগ্রবাদী” বলে আখ্যা দেওয়া হয়। এমনকি প্রশ্ন তোলা হয়, “তাহলে কি উগ্রবাদীর সন্তান নয়?”—এই ধরনের উসকানিমূলক ও অপমানজনক মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। উল্লেখ্য, যাঁর নাম জড়ানো হয়েছে, তিনি অতীতে কেএলও-র সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে প্রাক্তন এবং জেল খেটেছেন ৬ মাস এবং সর্বস্ব হারিয়েছেন আইনি যুদ্ধে। বিগত দিনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদেরকে মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার জন্য যে চাকরি দিয়েছেন সেই চাকরিই তিনি সম্মানসহকারে করছেন । সেই প্রেক্ষিত থাকা সত্ত্বেও তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে সামাজিক মাধ্যমে এভাবে ‘পাকিস্তানি’ ও ‘উগ্রবাদী’ তকমা দেওয়ায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে বিভিন্ন মহলে। এই ঘটনাকে ভালো চোখে দেখছে না গোটা রাজবংশী সমাজ। কুমারগ্রাম কেএসডিসি ব্লক সভাপতি সমারু অধিকারী কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, “যাঁর বিরুদ্ধে এভাবে মন্তব্য করা হয়েছে, তিনি আমাদের সংগঠনেরই একজন। আমাদের সংগঠনের লোককে এবং তাঁর পরিবারকে অপমান করা মানে পুরো সংগঠন ও সমাজকে অপমান করা।” তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যদি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন তাঁরা। তাঁর কথায়, “আমরা এই মাটির ভূমিপুত্র—রাজবংশী, মেচ, রাভা, গারো সম্প্রদায়ের মানুষদের পাকিস্তানি ও উগ্রবাদী বলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এটা সহ্যের বাইরে। অবিলম্বে দোষীর শাস্তি চাই।” ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যে ব্যক্তি ভুয়ো প্রোফাইল ব্যবহার করে এই ধরনের উরুচিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁকে চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন প্রশ্ন—কে সেই ব্যক্তি, যিনি আইন ও সামাজিক দায়বদ্ধতার তোয়াক্কা না করে এমন সংবেদনশীল মন্তব্য করলেন? অতীতের পরিচয় থাকলেও বর্তমানে প্রাক্তন একজন ব্যক্তিকে ও তাঁর পরিবারকে এভাবে আক্রমণ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত? পুরো জেলার নজর এখন প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকে। দোষী কি চিহ্নিত হবেন? আইনের জালে ধরা পড়বেন কি সেই ভুয়ো প্রোফাইলের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তি? ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে দিন দিন। পরবর্তী আপডেটে সামনে আসতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। চোখ রাখুন, কারণ এই ঘটনার পরবর্তী পর্বে থাকতে পারে বড় মোড়।1
- অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলো প্রতিকুর রহমান। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। এদিন যোগদান এরপর কার্যত সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে প্রতিকূর বলেন এদিন শুধু ট্রেইলার হল এখনো পিকচার বাকি আছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিকূলের এই যোগদান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এই বিষয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- কোচবিহারে এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-কে কটাক্ষ করে বলেন, তাঁর “ভালো সাইক্রেট্রিক ডাক্তার দেখানো উচিত”। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিরোধী দলনেতার সাম্প্রতিক বক্তব্য ও আচরণই তাঁদের এমন মন্তব্য করতে বাধ্য করেছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এই মন্তব্যকে ‘অশালীন ও ব্যক্তিগত আক্রমণ’ বলে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে।1
- মাথাভাঙা ২ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির বুথ চলো অভিযান শুরু হয়েছে। সেইমতো বুথ চলো অভিযান থেকে বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য গুরু প্রসাদ বর্মণ ত্রিপাল তুলে দেন এলাকার দরিদ্র মহিলাদের হাতে। গুরু প্রসাদ বলেন, বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা বুথ চলো অভিযান শুরু করেছি। সেইমতো মানুষের সমস্যা শুনে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে সাহায্য করছি । পাশাপাশি তিনি মাথাভাঙা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটদানের জন্য অনুরোধ করেছেন।1
- অসমে পাচারের পথে শুক্রবার গভীর রাতে অসম-বাংলা সীমানার ভাঙ্গাপাকড়ি নাকা পয়েন্ট এলাকায় ,রুটিন অনুযায়ী নাকা তল্লাশি চলার সময় বাংলা দিক থেকে আসা আসাম নাম্বারের একটি লরি আটক করে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা লরিতে তল্লাশি চালিয়ে ৩৬টি মহিষ উদ্ধার করে এরমধ্যে ১৮টি দুধাল মহিষ ও ১৮ টি মহিষের বাচ্চা রয়েছে। গাড়ি চালক মহিষ গুলির বৈধ নথি দেখাতে না পারায় মহিষ পাচারের অভিযোগে অসমের বাসিন্দা গাড়ির চালকে গ্রেপ্তার করে, বক্সিরহাট থানার পুলিশ।1
- Post by Khairul Mis3
- *উন্নয়নের পাঁচালী প্রচারে ‘জোড়া ফুল’! প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে শাসানি তৃণমূল নেতার, রণক্ষেত্র* সুমন পাত্র, পশ্চিম মেদিনীপুর: সরকারি প্রকল্পের গায়ে রাজনৈতিক দলের ছাপ এবং সেই সংক্রান্ত প্রশ্ন করায় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ— এই দুইয়ে মিলে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লক। সৌজন্যে প্রশাসনের 'প্রণয়নের পাঁচালি' প্রকল্প। সরকারি লোগোতে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক থাকা নিয়ে বিতর্ক যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার সাংবাদিকদের সাথে চরম অভব্য আচরণ ও বচসা সেই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালল। সম্প্রতি গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন সরকারি দেওয়ালে ও ফ্লেক্সে 'প্রণয়নের পাঁচালি' প্রকল্পের প্রচার শুরু হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, প্রকল্পের সরকারি লোগোর নকশায় অত্যন্ত সুকৌশলে তৃণমূল কংগ্রেসের 'জোড়া ফুল' চিহ্নটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সরকারি কোষাগারের টাকায় পরিচালিত প্রকল্পে কীভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতীক ব্যবহৃত হতে পারে, তা নিয়ে স্থানীয় স্তরে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়। বিতর্কিত এই লোগো নিয়ে প্রতিক্রিয়া নিতে গেলে স্থানীয় এক দাপুটে তৃণমূল নেতা মেজাজ হারান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, সাংবাদিক যখন লোগো এবং দলীয় প্রতীকের সাদৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন ওই নেতা চিৎকার শুরু করেন। তিনি প্রশ্নকর্তাকে সরাসরি ‘দালাল’ বলে তোপ দাগেন এবং আঙুল উঁচিয়ে শাসানি দেন। এই ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি: "এটা তৃণমূলের চরম দেউলিয়াপনা। প্রশাসনকে তারা নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে।" বাম দলের দাবি "মানুষের করের টাকায় দলের প্রচার চলছে। বিডিও-র উচিত অবিলম্বে এই বেআইনি লোগো সরিয়ে নেওয়া এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর আক্রমণের দায় নেওয়া।" প্রশাসনের আধিকারিকরা এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন। ক্যামেরার সামনে মুখ না খুললেও, এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন যে লোগোর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সাংবাদিকের সঙ্গে নেতার এই অশালীন আচরণ যে প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে আরও কালিমালিপ্ত করেছে, তা আড়ালে মানছেন অনেক আধিকারিকই।1