*উন্নয়নের পাঁচালী প্রচারে ‘জোড়া ফুল’! প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে শাসানি তৃণমূল নেতার, রণক্ষেত্র* সুমন পাত্র, পশ্চিম মেদিনীপুর: সরকারি প্রকল্পের গায়ে রাজনৈতিক দলের ছাপ এবং সেই সংক্রান্ত প্রশ্ন করায় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ— এই দুইয়ে মিলে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লক। সৌজন্যে প্রশাসনের 'প্রণয়নের পাঁচালি' প্রকল্প। সরকারি লোগোতে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক থাকা নিয়ে বিতর্ক যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার সাংবাদিকদের সাথে চরম অভব্য আচরণ ও বচসা সেই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালল। সম্প্রতি গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন সরকারি দেওয়ালে ও ফ্লেক্সে 'প্রণয়নের পাঁচালি' প্রকল্পের প্রচার শুরু হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, প্রকল্পের সরকারি লোগোর নকশায় অত্যন্ত সুকৌশলে তৃণমূল কংগ্রেসের 'জোড়া ফুল' চিহ্নটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সরকারি কোষাগারের টাকায় পরিচালিত প্রকল্পে কীভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতীক ব্যবহৃত হতে পারে, তা নিয়ে স্থানীয় স্তরে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়। বিতর্কিত এই লোগো নিয়ে প্রতিক্রিয়া নিতে গেলে স্থানীয় এক দাপুটে তৃণমূল নেতা মেজাজ হারান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, সাংবাদিক যখন লোগো এবং দলীয় প্রতীকের সাদৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন ওই নেতা চিৎকার শুরু করেন। তিনি প্রশ্নকর্তাকে সরাসরি ‘দালাল’ বলে তোপ দাগেন এবং আঙুল উঁচিয়ে শাসানি দেন। এই ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি: "এটা তৃণমূলের চরম দেউলিয়াপনা। প্রশাসনকে তারা নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে।" বাম দলের দাবি "মানুষের করের টাকায় দলের প্রচার চলছে। বিডিও-র উচিত অবিলম্বে এই বেআইনি লোগো সরিয়ে নেওয়া এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর আক্রমণের দায় নেওয়া।" প্রশাসনের আধিকারিকরা এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন। ক্যামেরার সামনে মুখ না খুললেও, এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন যে লোগোর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সাংবাদিকের সঙ্গে নেতার এই অশালীন আচরণ যে প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে আরও কালিমালিপ্ত করেছে, তা আড়ালে মানছেন অনেক আধিকারিকই।
*উন্নয়নের পাঁচালী প্রচারে ‘জোড়া ফুল’! প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে শাসানি তৃণমূল নেতার, রণক্ষেত্র* সুমন পাত্র, পশ্চিম মেদিনীপুর: সরকারি প্রকল্পের গায়ে রাজনৈতিক দলের ছাপ এবং সেই সংক্রান্ত প্রশ্ন করায় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ— এই দুইয়ে মিলে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লক। সৌজন্যে প্রশাসনের 'প্রণয়নের পাঁচালি' প্রকল্প। সরকারি লোগোতে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক থাকা নিয়ে বিতর্ক যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার সাংবাদিকদের সাথে চরম অভব্য আচরণ ও বচসা সেই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালল। সম্প্রতি গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন সরকারি দেওয়ালে ও ফ্লেক্সে 'প্রণয়নের পাঁচালি' প্রকল্পের প্রচার শুরু হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, প্রকল্পের সরকারি লোগোর নকশায় অত্যন্ত সুকৌশলে তৃণমূল কংগ্রেসের 'জোড়া ফুল' চিহ্নটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সরকারি কোষাগারের টাকায় পরিচালিত প্রকল্পে কীভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতীক ব্যবহৃত হতে পারে, তা নিয়ে স্থানীয় স্তরে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়। বিতর্কিত এই লোগো নিয়ে প্রতিক্রিয়া নিতে গেলে স্থানীয় এক দাপুটে তৃণমূল নেতা মেজাজ হারান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, সাংবাদিক যখন লোগো এবং দলীয় প্রতীকের সাদৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন ওই নেতা চিৎকার শুরু করেন। তিনি প্রশ্নকর্তাকে সরাসরি ‘দালাল’ বলে তোপ দাগেন এবং আঙুল উঁচিয়ে শাসানি দেন। এই ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি: "এটা তৃণমূলের চরম দেউলিয়াপনা। প্রশাসনকে তারা নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে।" বাম দলের দাবি "মানুষের করের টাকায় দলের প্রচার চলছে। বিডিও-র উচিত অবিলম্বে এই বেআইনি লোগো সরিয়ে নেওয়া এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর আক্রমণের দায় নেওয়া।" প্রশাসনের আধিকারিকরা এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন। ক্যামেরার সামনে মুখ না খুললেও, এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন যে লোগোর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সাংবাদিকের সঙ্গে নেতার এই অশালীন আচরণ যে প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে আরও কালিমালিপ্ত করেছে, তা আড়ালে মানছেন অনেক আধিকারিকই।
- আমার পাড়া আমার সমাধান প্রকল্পের মাধ্যমে বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২/১৬২নং পার্ট এ কংক্রিটের রাস্তা নির্মাণ কাজ শেষ হলো। এদিন কাজ শেষে এলাকায় পরিদর্শনে যান বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাড়ার প্রত্যেকটি ছোট ছোট কাজ সমাধানের জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে প্রতি বুথ বরাদ্দ করেছেন। সেই টাকায় এই রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ হলো। প্রসঙ্গত বর্ষা শুরু হলেই এই এলাকার বাসিন্দাদের প্রবল কষ্টের মধ্যে পড়তে হতো, এই প্রকল্পের বিশেষত্ব মানুষের চাহিদা অনুসারে কাজগুলিকে করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।1
- বাবা তুলে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী উদয়ন গুহকে কড়া কটাক্ষ নিশীথের । রাজনৈতিক সমালোচনার ঝড় গোটা রাজ্যজুড়ে।1
- বিধানসভা ভোটের আগে মাথাভাঙা ২ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের লাফাবাড়ি এলাকায় জনসংযোগ করলেন কোচবিহার জেলা যুব সভাপতি স্বপন বর্মন। এদিন সকালে তিনি লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে গিয়ে রাজ্য সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মাথাভাঙ্গার যেই প্রার্থী হোক তাকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবার জন্য অনুরোধ করেন।1
- শীতলকুচির ফুলবাড়িতে এক গৃহস্থের বাড়িতে আকস্মিকভাবে একটি খরের গাদায় আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন একদম খরের গাদার মাথা পর্যন্ত উঠে যায়। কিন্তু জল ঢেলে সেটিকে নেভানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে যায় এলাকার মানুষ। দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন সেখানে এসে আগুন পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, ফলে আগুন বেশিদূর ছড়াতে পারেনি ।1
- Good afternoon friends1
- Post by Tapas Roy1
- রাজার শহর কোচবিহার আর কোচবিহার শহরের নানান অংশে রয়েছে বিভিন্ন দীঘি। এবার রাজার শহরের বিভিন্ন দীঘি গুলি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নিল কোচবিহার পৌরসভা।এদিন শহরের মৈত্রী সংঘ সংলগ্ন কাইয়া দিঘি সংস্কারের কাজ পরিদর্শন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক এবং কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ সাহা সহ অন্যান্য পৌর আধিকারিক এবং কর্মীরা। পরিদর্শন শেষে জেলা সভাপতি জানান রাজার শহর কোচবিহারে রয়েছে প্রচুর দিঘী, এবার একে একে শহরের বিভিন্ন দিক গুলিকে সংস্কার করার উদ্যোগ নিচ্ছে পৌরসভা, তবে তিনি একটি আবেদন রাখেন জনসাধারণের কাছে যাতে এই দিঘীগুলিতে কেউ নোংরা আবর্জনা না ফেলেন।1
- Post by Tapas Roy1
- ধুপগুড়িতে ভাইরাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ভিডিও1