Shuru
Apke Nagar Ki App…
শীতলকুচির ফুলবাড়িতে খরের গাদায় আগুন, চাঞ্চল্য এলাকা জুড়ে শীতলকুচির ফুলবাড়িতে এক গৃহস্থের বাড়িতে আকস্মিকভাবে একটি খরের গাদায় আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন একদম খরের গাদার মাথা পর্যন্ত উঠে যায়। কিন্তু জল ঢেলে সেটিকে নেভানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে যায় এলাকার মানুষ। দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন সেখানে এসে আগুন পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, ফলে আগুন বেশিদূর ছড়াতে পারেনি ।
Sazzad Hossain Ahmed
শীতলকুচির ফুলবাড়িতে খরের গাদায় আগুন, চাঞ্চল্য এলাকা জুড়ে শীতলকুচির ফুলবাড়িতে এক গৃহস্থের বাড়িতে আকস্মিকভাবে একটি খরের গাদায় আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন একদম খরের গাদার মাথা পর্যন্ত উঠে যায়। কিন্তু জল ঢেলে সেটিকে নেভানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে যায় এলাকার মানুষ। দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন সেখানে এসে আগুন পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, ফলে আগুন বেশিদূর ছড়াতে পারেনি ।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মেখলিগঞ্জ ব্লকের উচলপুকুরী রবীন্দ্র শিশু নিকেতনের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে শুরু হয়েছে বসন্ত উৎসবের শোভাযাত্রা। শিক্ষক শিক্ষিকা অভিভাবক অভিভাবকদের উপস্থিতিও সেখানে লক্ষ্য করা গেছে। বসন্ত উৎসবের আনন্দ মুখরিত হল গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে।1
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দিনহাটায় এক বৈকালি পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। উদ্যোগে নিয়েছে সুকান্ত ভট্টাচার্য জন্ম শতবর্ষ উদযাপন কমিটি ও কিশোর বাহিনী। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার লক্ষ্যেই এই পদযাত্রার আয়োজন। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…”—এই চেতনাকে সামনে রেখেই দিনহাটাবাসীকে অংশগ্রহন করে। পদযাত্রাটি স্থানীয় মদন মোহন বাড়ি শিশু নিকেতন স্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহীদ বেদীতে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। সামিল হন সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী এবং দিনহাটাবাসী।2
- Post by Tapas Roy1
- Post by Raj roy1
- আলিপুরদুয়ারে তীব্র চাঞ্চল্য! সামাজিক মাধ্যমে এক হিন্দি পেপারের সাংবাদিকের পরিবারকে ‘পাকিস্তানি উগ্রবাদী’ বলে কটাক্ষ—ক্ষোভে ফুঁসছে রাজবংশী সমাজ। সম্প্রতি ‘Alipurduar News’ নামে একটি ফেসবুক পোর্টালে প্রকাশিত একটি খবরে কমেন্ট সেকশনে একটি ভুয়ো প্রোফাইল থেকে চাঞ্চল্যকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয়। সেখানে এক সাংবাদিকের নাম করে এবং তাঁর পিতার নাম জড়িয়ে দাবি করা হয়—তিনি নাকি “পাকিস্তানি উগ্রবাদী” বলে আখ্যা দেওয়া হয়। এমনকি প্রশ্ন তোলা হয়, “তাহলে কি উগ্রবাদীর সন্তান নয়?”—এই ধরনের উসকানিমূলক ও অপমানজনক মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। উল্লেখ্য, যাঁর নাম জড়ানো হয়েছে, তিনি অতীতে কেএলও-র সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে প্রাক্তন এবং জেল খেটেছেন ৬ মাস এবং সর্বস্ব হারিয়েছেন আইনি যুদ্ধে। বিগত দিনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদেরকে মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার জন্য যে চাকরি দিয়েছেন সেই চাকরিই তিনি সম্মানসহকারে করছেন । সেই প্রেক্ষিত থাকা সত্ত্বেও তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে সামাজিক মাধ্যমে এভাবে ‘পাকিস্তানি’ ও ‘উগ্রবাদী’ তকমা দেওয়ায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে বিভিন্ন মহলে। এই ঘটনাকে ভালো চোখে দেখছে না গোটা রাজবংশী সমাজ। কুমারগ্রাম কেএসডিসি ব্লক সভাপতি সমারু অধিকারী কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, “যাঁর বিরুদ্ধে এভাবে মন্তব্য করা হয়েছে, তিনি আমাদের সংগঠনেরই একজন। আমাদের সংগঠনের লোককে এবং তাঁর পরিবারকে অপমান করা মানে পুরো সংগঠন ও সমাজকে অপমান করা।” তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যদি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন তাঁরা। তাঁর কথায়, “আমরা এই মাটির ভূমিপুত্র—রাজবংশী, মেচ, রাভা, গারো সম্প্রদায়ের মানুষদের পাকিস্তানি ও উগ্রবাদী বলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এটা সহ্যের বাইরে। অবিলম্বে দোষীর শাস্তি চাই।” ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যে ব্যক্তি ভুয়ো প্রোফাইল ব্যবহার করে এই ধরনের উরুচিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁকে চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন প্রশ্ন—কে সেই ব্যক্তি, যিনি আইন ও সামাজিক দায়বদ্ধতার তোয়াক্কা না করে এমন সংবেদনশীল মন্তব্য করলেন? অতীতের পরিচয় থাকলেও বর্তমানে প্রাক্তন একজন ব্যক্তিকে ও তাঁর পরিবারকে এভাবে আক্রমণ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত? পুরো জেলার নজর এখন প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকে। দোষী কি চিহ্নিত হবেন? আইনের জালে ধরা পড়বেন কি সেই ভুয়ো প্রোফাইলের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তি? ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে দিন দিন। পরবর্তী আপডেটে সামনে আসতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। চোখ রাখুন, কারণ এই ঘটনার পরবর্তী পর্বে থাকতে পারে বড় মোড়।1
- অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলো প্রতিকুর রহমান। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। এদিন যোগদান এরপর কার্যত সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে প্রতিকূর বলেন এদিন শুধু ট্রেইলার হল এখনো পিকচার বাকি আছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিকূলের এই যোগদান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এই বিষয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- কোচবিহারে এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-কে কটাক্ষ করে বলেন, তাঁর “ভালো সাইক্রেট্রিক ডাক্তার দেখানো উচিত”। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিরোধী দলনেতার সাম্প্রতিক বক্তব্য ও আচরণই তাঁদের এমন মন্তব্য করতে বাধ্য করেছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এই মন্তব্যকে ‘অশালীন ও ব্যক্তিগত আক্রমণ’ বলে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে।1
- শীতলকুচির ফুলবাড়িতে এক গৃহস্থের বাড়িতে আকস্মিকভাবে একটি খরের গাদায় আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন একদম খরের গাদার মাথা পর্যন্ত উঠে যায়। কিন্তু জল ঢেলে সেটিকে নেভানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে যায় এলাকার মানুষ। দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন সেখানে এসে আগুন পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, ফলে আগুন বেশিদূর ছড়াতে পারেনি ।1