**বয়স্ক ভোটারকে কোলে তুলে কেন্দ্রে, প্রশ্নের মুখে নির্বাচন ব্যবস্থা—সুবিধা পেলেন না কেন?** শীতলকুচি, নিজস্ব সংবাদদাতা: বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা ঘোষণা করেছিল Election Commission of India। কিন্তু বড় মরিচা এলাকায় সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ২৮৮ নম্বর বুথ, বড় মরিচা জুনিয়র বেসিক স্কুলে এক পক্ষাঘাতগ্রস্ত, ৭০ ঊর্ধ্ব ভোটারকে পরিবারের সদস্যদের কোলে করে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে দেখা যায়। চলাফেরায় সম্পূর্ণ অক্ষম হওয়ায় তাঁকে এভাবেই কেন্দ্রে পৌঁছে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এমন অসুস্থ ও প্রবীণ ভোটারদের বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা থাকার কথা। কিন্তু এই ক্ষেত্রে তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় স্থানীয় মহলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনেকেই একে প্রশাসনিক গাফিলতি বলেই মনে করছেন। ভোটারের পরিবারের দাবি, বিষয়টি আগেই বিএলও-কে জানানো হয়েছিল। তবুও কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে টোটোতে করে এনে শেষ পর্যন্ত তাঁকে ভোট দেওয়াতে হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও পরিষেবার বাস্তব চিত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
**বয়স্ক ভোটারকে কোলে তুলে কেন্দ্রে, প্রশ্নের মুখে নির্বাচন ব্যবস্থা—সুবিধা পেলেন না কেন?** শীতলকুচি, নিজস্ব সংবাদদাতা: বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা ঘোষণা করেছিল Election Commission of India। কিন্তু বড় মরিচা এলাকায় সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ২৮৮ নম্বর বুথ, বড় মরিচা জুনিয়র বেসিক স্কুলে এক পক্ষাঘাতগ্রস্ত, ৭০ ঊর্ধ্ব ভোটারকে পরিবারের সদস্যদের কোলে করে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে দেখা যায়। চলাফেরায় সম্পূর্ণ অক্ষম হওয়ায় তাঁকে এভাবেই কেন্দ্রে পৌঁছে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এমন অসুস্থ ও প্রবীণ ভোটারদের বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা থাকার কথা। কিন্তু এই ক্ষেত্রে তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় স্থানীয় মহলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনেকেই একে প্রশাসনিক গাফিলতি বলেই মনে করছেন। ভোটারের পরিবারের দাবি, বিষয়টি আগেই বিএলও-কে জানানো হয়েছিল। তবুও কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে টোটোতে করে এনে শেষ পর্যন্ত তাঁকে ভোট দেওয়াতে হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও পরিষেবার বাস্তব চিত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
- সিতাইয়ে নিজের ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সংগিতা রায়! বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ আদাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের গারানাটা পঞ্চ পরিকল্পনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, ৬ এর ১৮ নং বুথের ভোটার হিসেবে ভোট দেন এদিন। ভোট দেওয়ার পর প্রার্থী ও সাংসদ কি জানালেন শুনুন1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- কোচবিহারে ভোটের দিনে উত্তেজনার পারদ চড়ল চা বাগান এলাকায়। ৪৭ ও ৪৮ নম্বর বুথে আচমকাই তৈরি হয় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলতে এদিন বুথে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন তৃণমূল প্রার্থী সাবলু বর্মন। দু’পক্ষের উপস্থিতিতেই শুরু হয় তুমুল বাকবিতণ্ডা, বাড়তে থাকে উত্তেজনা। তৃণমূলের অভিযোগ, বুথ এলাকায় টাকা বিলি করছিলেন নিশীথ প্রামানিক। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি শিবির। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাপা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে জানা গেছে।1
- Post by KRISHNA RAVA1
- Post by Janardhan Roy1
- ভোট চলাকালীন বুথের সামনে অযথা জমায়েতের অভিযোগ উঠতেই দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তার স্বার্থে ভিড় সরিয়ে দেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু মানুষ বুথের আশেপাশে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জড়ো হয়েছিলেন, যা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে পারত। বিষয়টি নজরে আসতেই পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে। তারা পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ভোটারদের নির্বিঘ্নে বুথে প্রবেশের ব্যবস্থা করে। প্রশাসনের এই তৎপরতায় এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলতে থাকে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- Post by KRISHNA RAVA1
- স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ভোটার নির্দিষ্ট বুথে পৌঁছে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারেন, তার নামের পাশে “পোস্টাল ব্যালট” হিসেবে ভোট প্রদান সম্পন্ন দেখানো হয়েছে। অথচ তিনি দাবি করেন, তিনি কখনও পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেননি এবং এই পদ্ধতিতে ভোটও দেননি। এই ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বুথ চত্বরে। অন্যান্য ভোটারদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ দেখা দেয়। অভিযোগ উঠেছে, কীভাবে একজন সাধারণ ভোটারের নামে পোস্টাল ব্যালট ইস্যু ও ব্যবহার হল, তা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা আশ্বাস দিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও এই ঘটনায় ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে, রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিরোধী শিবিরের দাবি, এটি সুপরিকল্পিত কারচুপি, অন্যদিকে শাসকদলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।1